রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

জনসংখ্যা একটি দেশের সম্পদ এবং সমস্যা উভয়ই হতে পারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
জনসংখ্যা একটি দেশের সম্পদ এবং সমস্যা উভয়ই হতে পারে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

একটি দেশের জনসংখ্যা সেই দেশের জন্য একই সাথে আশীর্বাদ এবং অভিশাপ হতে পারে। জনসংখ্যার পরিমাণ, গুণগত মান এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তি করে এটি নির্ধারিত হয়। কোনো দেশের জনসংখ্যা একটি দ্বিমুখী বিষয়। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষণের অভাবে এটি যেমন মারাত্মক সমস্যা হতে পারে, তেমনি উপযুক্ত শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতার মাধ্যমে এটি বিশাল সম্পদে রূপান্তরিত হতে পারে।

জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করাই হলো মূল চাবিকাঠি। যথাযথ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে পরিণত করা গেলে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি ও শ্রমশক্তি হিসেবে সম্পদ হয়ে ওঠে। তবে এই রূপান্তর করা সম্ভব না হলে অতিরিক্ত জনসংখ্যা খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা ও পরিবেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে সমস্যায় পরিণত হয়।

প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটি অতিক্রম করায় অনুপ্রাণিত হয়ে, ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করে। ১১ জুলাই পরিবার পরিকল্পনা, দারিদ্র্য, লিঙ্গসমতা, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্বের জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ইউএস সেনসাস ব্যুরোর অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নতুন বছরের প্রথম দিনে বিশ্ব জনসংখ্যা ৮০৯ কোটিতে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে জনশুমারি ও গৃহগণনার ২০২২-এর ভিত্তিতে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার। যেখানে নারী ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার এবং পুরুষ ৮ কোটি ৪২ লাখ। ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত এবং এর চীন।

অধিক জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য একই সাথে বড় সমস্যা এবং সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিশাল সম্পদ হতে পারে। একে অর্থনীতিতে জনমিতিক লভ্যাংশ বা দ্বিমুখী তলোয়ার বলা হয়। জনসংখ্যা তখনই সম্পদে পরিণত হয় যখন তাকে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায়। অপরপক্ষে, অতিরিক্ত জনসংখ্যা যদি দেশের সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, তখন তা উন্নয়নের অন্তরায় বা সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়।

জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে তা যেকোনো দেশের জন্য অমূল্য সম্পদ। তবে অপরিকল্পিত বৃদ্ধি ও সীমিত সম্পদের কারণে অতিরিক্ত মানুষ যখন মৌলিক চাহিদার ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন তা সমস্যা বা বোঝায় পরিণত হয়।
দেশের তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। বিশাল জনসংখ্যা নিজেরা যেমন বড় ভোক্তা, তেমনি সস্তা শ্রম হিসেবে শিল্প ও কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠিয়ে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স আয় করা সম্ভব।

কর্মক্ষম তরুণ ও যুবসমাজের আধিক্য একটি দেশের উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা যায়। বিপুল জনসংখ্যা কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে সস্তা ও পর্যাপ্ত শ্রমশক্তির জোগান দেয়। বিশাল জনগোষ্ঠী যেকোনো পণ্য ও সেবার বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার তৈরি করে, যা উদ্যোক্তা ও নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে। অতিরিক্ত শ্রমশক্তিকে বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব, যা দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করে। দক্ষ জনশক্তি বিদেশে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠায়। তরুণ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী নতুন নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যার কারণে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কর্মসংস্থানের সুযোগের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি হলে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পায়, যা সামাজিক অপরাধ প্রবণতা বাড়াতে পারে। বিপুল জনসংখ্যার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসা খাতের ওপর প্রচ- চাপ সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত মানুষের বাসস্থানের জন্য কৃষিজমি নষ্ট হয় ও বনভূমি উজাড় হয়, যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, ও পরিবেশ দূষণ জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দেয়।

জনসংখ্যা নিজে কোনো সমস্যা নয়। অদক্ষ ও অশিক্ষিত জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য বড় সমস্যা। পক্ষান্তরে, সঠিক পরিকল্পনা, উপযুক্ত শিক্ষা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই জনসংখ্যাকেই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব।

অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে হলে শুধু শিক্ষিত নয়, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। নতুন শিল্পায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজের সুযোগ তৈরি করা। একটি দেশকে এই বিপুল জনসংখ্যাকে বোঝা বা সমস্যা হিসেবে না দেখে জনসম্পদে পরিণত করতে হলে মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের উৎপাদনশীল কাজে লাগাতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। তবেই জনসংখ্যা পূর্ণাঙ্গ জনশক্তিতে রূপান্তর সম্ভব। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।