বৃষ্টির নিচে ডুবে যাচ্ছে জনপদ: জলবায়ু সংকটে সাতক্ষীরার দীর্ঘশ্বাস
শেখ সিদ্দিকুর রহমান
গতকাল সন্ধ্যা থেকেই দেশের প্রায় সর্বত্র একযোগে বৃষ্টি শুরু হয়। রাত যত গভীর হয়েছে, ততই বৃষ্টির তীব্রতা বেড়েছে। রাত দুইটার দিকে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে মেঘের গর্জন যেন প্রকৃতির এক ভয়াল সতর্কবার্তা হয়ে ধরা দেয়। চারদিকে বৃষ্টির ধোঁয়াশা, বাতাসের গর্জন আর অবিরাম জলধারায় মনে হচ্ছিল প্রকৃতি যেন তার সমস্ত শক্তি দিয়ে মানুষের সহনশীলতাকে পরীক্ষা করছে।
বিগত কয়েকদিন ধরে সৃষ্ট নি¤œচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আষাঢ়ের বৃষ্টি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে ভূমিধসে বহু মানুষের হতাহত ও অসংখ্য ঘরবাড়ি ধ্বংসের খবর পাওয়া গেছে।
দেশের বিভিন্ন নি¤œাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। কিন্তু এই দুর্যোগের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং নীরব শিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। সাতক্ষীরার মানুষের কাছে বর্ষাকাল এখন আর শুধু ঋতুর নাম নয়; এটি এক দীর্ঘ আতঙ্কের প্রতীক। কারণ প্রতিটি ভারী বর্ষণের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার ভয়, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা, লবণাক্ত পানির আগ্রাসন, পানীয় জলের সংকট এবং জীবিকা হারানোর শঙ্কা।
বাঁধের ভাঙাগড়া এবং অন্তহীন অবহেলা: শ্যামনগর, আশাশুনি, কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ইতোমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব বহন করছে। বিশেষ করে শ্যামনগরের গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী ও আশাশুনির প্রতাপনগর এবং আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে সামান্য জলোচ্ছ্বাস কিংবা অতিবৃষ্টিতেই বেড়িবাঁধের দুর্বল অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই বাঁধ ব্যবস্থাপনার চরম সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উন্নয়ন সংগঠন ‘সুশীলন’-এর সহকারি পরিচালক জি এম মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন: ‘সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের মূল রক্ষাকবচ হলো বেড়িবাঁধ। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে আমরা দেখছি টেকসই বাঁধ নির্মাণের পরিবর্তে কেবল জোড়াতালির সাময়িক মেরামত চলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন ঝড়ের তীব্রতা এবং জোয়ারের উচ্চতা অনেক বেড়ে গেছে। এই সনাতন ও দুর্বল মাটির বাঁধ দিয়ে বর্তমান দুর্যোগ মোকাবিলা করা অসম্ভব। আমাদের প্রয়োজন ব্লক ও সিসি ক্যামেরা সম্বলিত আধুনিক, উঁচু ও টেকসই ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট’ (জলবায়ু-সহনশীল) বেড়িবাঁধ।’
জলমগ্ন জনপদ ও অবরুদ্ধ অর্থনীতি: জলাবদ্ধতা সাতক্ষীরার আরেকটি স্থায়ী দুর্ভোগ। অল্প বৃষ্টিতেই শহর ও গ্রামের বহু সড়ক ডুবে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, নদী-খাল ভরাট, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় পানি দ্রুত নামতে পারে না। ফলে দিনের পর দিন বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার এবং কৃষিজমি পানির নিচে থাকে।
বিশেষ করে শহর ও শহরতলীর কাটিয়া, ইটাগাছা, মধুমাল্লারডাঙ্গী, বদ্দীপুর কলোনী, সুদুরডাঙ্গী, মাছখোলা এলাকার পানি দীর্ঘদিন আটকে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার পানি ও নদী নিয়ে আন্দোলন করছেন পানি কমিটির প্রভাবশালী নেতা মফিজুর রহমান। সাতক্ষীরার বর্তমান জলাবদ্ধতা সংকটকে তিনি একটি ‘মানব সৃষ্ট দুর্যোগ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন: ‘সাতক্ষীরার প্রাণ ছিল কপোতাক্ষ, মরিচ্চাপ ও বেতনা নদী।
আজ এই নদীগুলো পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। এর ওপর অপরিকল্পিত স্লুইস গেট এবং প্রভাবশালী মহলের নদী-খাল দখল করে অবৈধ নেট-পাটা ও ঘের তৈরি করার কারণে পানি নিষ্কাশনের সমস্ত পথ অবরুদ্ধ। নদী খনন এবং জলাশয়গুলো দখলমুক্ত না করলে এই জলাবদ্ধতা থেকে সাতক্ষীরার মানুষের মুক্তি নেই।’ এই জলাবদ্ধতার সবচেয়ে নির্মম শিকার হন প্রান্তিক ও ভূমিহীন মানুষ, যাদের মাথা গোঁজার নিজস্ব ঠাঁইটুকুও থাকে না। ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ অত্যন্ত বেদনার সাথে মাঠের চিত্র তুলে ধরে বলেন: ‘যখন ভারী বৃষ্টিতে বা বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়, তখন সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে ভূমিহীন ও আশ্রয়হীন মানুষগুলো।
তারা বছরের পর বছর ধরে ওয়াপদার রাস্তার (বাঁধের) ওপর বা খাস জমিতে কুঁড়েঘর বানিয়ে থাকে। পানি উঠলে তাদের চুলো জ্বলে না, থাকার জায়গা থাকে না, গবাদিপশু নিয়ে তারা রাস্তায় ভাসমান জীবনযাপন করে। জলবায়ু রিফিউজি বা উদ্বাস্তু এই মানুষগুলোর পুনর্বাসনের কোনো স্থায়ী উদ্যোগ আজ পর্যন্ত রাষ্ট্র নেয়নি।”
লবণাক্ততার বিষাক্ত ছোবল এবং সুপেয় জলের হাহাকার: এক সময় সাতক্ষীরার পরিচয় ছিল কৃষি, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জেলা হিসেবে। আজ সেই জেলার বড় পরিচয় হয়ে উঠেছে লবণাক্ততা। নদী, খাল, পুকুর, এমনকি অনেক নলকূপের পানিও এখন লবণাক্ত। উপকূলের এই রূপান্তর এবং এর পেছনে সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে কথা বলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত। তিনি বলেন: ‘আইলা, আম্পান, সিডর বা রেমালের মতো দুর্যোগের পর ফসলি জমিতে লবণ পানি ঢুকে যাওয়ায় সাতক্ষীরার সনাতন কৃষি ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে।
বাধ্য হয়ে কৃষকরা ধান চাষ ছেড়ে চিংড়ি ঘেরের দিকে ঝুঁকেছেন। এর ফলে জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, সাধারণ খেতমজুররা কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছেন এবং তীব্র খাদ্য ও পুষ্টি সংকট তৈরি হচ্ছে। কৃষি বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে লবণাক্ততা-সহনশীল ধান ও ফসলের চাষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’ লবণাক্ততার আরেকটি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ হলো সুপেয় পানির তীব্র সংকট। নারীদের প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হেঁটে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়।
এই মানবিক সংকট নিয়ে কাজ করছেন উন্নয়ন সংস্থা ‘ক্রিসেন্ট’-এর পরিচালক আবু জাফর। তিনি জানান: ‘সাতক্ষীরার নারীদের কষ্টের কোনো সীমা নেই। খাবার পানির এক কলস জোগাড় করতে তাদের প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার কিছু ব্যবস্থা করা হলেও, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনাবৃষ্টির সময় সেই পানি ফুরিয়ে যায়। পুকুর বা পিএসএফ (পন্ড স্যান্ড ফিল্টার) গুলোও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ছে। সুপেয় পানির এই তীব্র সংকট উপকূলীয় নারীদের জরায়ুর রোগসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে।’
হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য: সাতক্ষীরার সীমান্ত ঘেঁষেই পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এই অতিবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস এবং জলবায়ুর অভিঘাত সুন্দরবনের ওপর কেমন প্রভাব ফেলছে, তা স্পষ্ট করেন ‘সুন্দরবন ফাউন্ডেশন’-এর পরিচালক আফজাল হোসেন। তিনি বলেন: ‘সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক ঢাল। প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ে সুন্দরবন বুক পেতে আমাদের বাঁচায়। কিন্তু জলবায়ু সংকটের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনের ভেতরের মিষ্টি পানির উৎস বা পুকুরগুলো লবণাক্ত হয়ে যাচ্ছে।
অতিবৃষ্টি এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় বনের ভেতরের বাস্তুসংস্থান (ঊপড়ংুংঃবস) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হরিণ, বাঘসহ বনের বন্যপ্রাণীরা সুপেয় পানির সংকটে ভুগছে। সুন্দরবন বাঁচলে সাতক্ষীরা বাঁচবে, আর সুন্দরবনকে বাঁচাতে হলে জলবায়ু ফান্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’ সাতক্ষীরার ‘প্রকৃতি ও জীবন’ ক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মুনীরউদ্দীন জানান- ‘আমরা এ বর্ষা মৌসুমে বারো হাজার বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, উপকুলের এ জনপদকে রক্ষা করতে গাছ লাগাবার বিকল্প নেই’।
সংকটের বহুমাত্রিক রূপ ও ভবিষ্যৎ করণীয়: বর্ষা শুরু হলেই সাতক্ষীরায় নতুন করে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেয়। দূষিত পানির কারণে ডায়রিয়া, চর্মরোগ, জ্বর, সাপের কামড়সহ নানা সমস্যা বাড়ে। অনেক এলাকায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যায়। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছাতে না পেরে কৃষকের লোকসান হয়।
বিশেষজ্ঞ এবং স্থানীয় অংশীজনদের মতে, শুধু বাঁধ নির্মাণ করলেই হবে না; প্রয়োজন নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, জলাবদ্ধতার বৈজ্ঞানিক সমাধান (যেমন টিআরএম বা জোয়ারভাটা নির্ভর পলি ব্যবস্থাপনা), স্থানীয় জনগণকে পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা এবং জলবায়ু অভিযোজনভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা (উবষঃধ চষধহ) গ্রহণ। একই সঙ্গে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি, দ্রুত সতর্কবার্তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সাতক্ষীরা শুধু একটি জেলার নাম নয়; এটি আজ বাংলাদেশের জলবায়ু সংকটের সবচেয়ে জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
এখানকার মানুষের প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার সংগ্রাম আমাদের পুরো দেশের ভবিষ্যতের গল্প বলে। যদি এখনই সমন্বিত, স্বচ্ছ এবং টেকসই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হয়, তাহলে জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা, নদীভাঙন এবং প্লাবনের এই সংকট আগামীতে আরও ভয়াবহ ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। ভারী বৃষ্টি অব্যাহত: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। বান্দরবানে পরিস্থিতি আরও খারাপ টানা চার দিনের বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। প্রশাসন শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে।
পাহাড়ধসে প্রাণহানি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে টানা বর্ষণের কারণে কয়েক দফা পাহাড়ধসে শিশু ও নারীসহ একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্বল্পমেয়াদি বন্যার সতর্কতা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (ঋঋডঈ) দেশের অন্তত ১৪-১৭ টি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।
উপকুলীয় জনপদ সাতক্ষীরার জন্য সুপারিশ: ১.টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ২.নদী ও খাল পুনঃখনন, ৩.স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম (ঞরফধষ জরাবৎ গধহধমবসবহঃ) কার্যকর বাস্তবায়ন, ৪.নিরাপদ সুপেয় পানির দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা, ৫.উপকূলীয় জলবায়ু অভিযোজনের জন্য বিশেষ বাজেট ও পরিকল্পনা।
‘এই নিবন্ধ লেখা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। বান্দরবানে নদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করেছে, হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে । বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র দেশের একাধিক জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার সতর্কতা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয় এটি বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা।’ সুত্র : ডেইলী স্টার, এপি নিউজ ও ঢাকা ট্রিবিউন।
লেখক : সাবেক ব্যাংকার, সমাজকর্মী, গবেষক






