বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

জলবায়ু সহনশীল বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সাথে সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
জলবায়ু সহনশীল বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সাথে সংলাপ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় জলবায়ূ সহনশীল বিকল্প কৃষি ব্যবস্থা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই-২০২৬) সকাল ১০টায় সিডো অফিস প্রাঙ্গণে সাতক্ষীরা ইয়ূথ হবে ও বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো সংস্থার আয়োজনে ও বাস্তবায়নে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় জলবায়ূ সহনশীল বিকল্প কৃষি বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, স্থানীয় কৃষক এবং যুবদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মানীত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাদিয়া ফাহমিন রিমা, ফিংড়ি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: আলকাস আলী।

উক্ত সংলাপে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইন্সপিরেটর একশনএইড বাংলাদশে সুমন হোসেন। কর্মসূচির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)।

উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন সুমন কুমার সাহা, ফিংড়ি ইউনিয়ন আইরিন সুলতানা, ও স্থানীয় বিকল্প ফসল চাষে আগ্রহী কৃষকগণ, সাংবাদিক ও যুব সদস্যবৃন্দ।

সংলাপের উদ্দেশ্য জলবায়ূ বান্ধব টেকসই কৃষি অনুশীলন করার জন্য নিদিষ্ট বাঁধা ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধান তৈরী করা। যুব-কৃষকদের সাথে কৃষি বিভাগের মধ্যে সংযোগ তৈরী করা। জলবায়ূ বান্ধব টেকসই কৃষির উপর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা এবং প্রয়োজন ভিত্তিক কৃষিবিদ্যা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য কৃষি বিভাগকে প্রভাবিত করা। এডভোকেসির আলোচ্যসুচী ছিল স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিতে জলবায়ূ বান্ধব সংকট সমূহ ও যুব কৃষকদের সুনির্দিষ্টভাবে সমস্যা সমূহ তুলে ধরা।

 

জলবায়ু বান্ধব কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ বিষয়ে অবগত করা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে যেসব সেবাসমুহ পরিচালনা করা হয় সে সম্পর্কে যুব কৃষকদের অবগত করা এবং প্রযোজনীয় সাপোর্ট পাওয়ার ব্যাপারে অনুকুল পরিবেশ তৈরিতে অনুপ্রাণিত করা। যুব কৃষকদের চাহিদার আলোকে কৃষি বিভাগের সম্মতি প্রদান করা ।

 

জলবায়ূ বান্ধব কৃষি বিষয়ে কৃষি বিভাগ অনেক তৎপর রয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে যুব কৃষক তৈরীতে কৃষি বিভাগ কিভাবে ভুমিকা রাখছে, কৃষি অধিদপ্তরের সেবা সমুহ স্থানীয় পর্যায়ে কিভাবে আর ও দৃশ্যমান করা যাবে। জলবায়ূ বান্ধব কৃষি বিষয়ে যুব কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কিনা। কোন সবজি কোন সময়ে চাষ করলে ভাল হয় ও জৈব উপায়ে কিভাবে সবজি চাষ করতে হবে। জৈব সার উৎপাদনের পদ্ধতি কি কি, কিভাবে ভার্মি কম্পোষ্ট তৈরী করা যায়। স্মাট ও টেকসই কৃষিতে যুব কৃষকরা কিভাবে কাজ করতে পারবে এবং কৃষি বিভাগের সহযোগিতা কিভাবে পাবে।

 

জলবায়ূ বান্ধব কৃষি বিষয়ে জনসাধারনের মধ্যে আর ও সচেতনতা বাড়ানোর জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি বিভাগ কিভাবে কৃষকদের মাঝে আর ও সচেতনতা বাড়ানো যাবে। কৃষি অফিসের সেবা সমুহ সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে আর ও কিভাবে উদ্বুদ্ধ করা যায়! সাতক্ষীরার প্রেক্ষাপটে কিভাবে যুবদের কৃষিতে উৎসাহিত করা যায়। চিহ্নিত সমস্যাগুলোর আলোকে নিরসন করা যায় সে বিষয়ে উপস্থিতি অতিথিবৃন্দরা পরামর্শ ও উদ্যোগী হওয়ার মনোনিবেশ করেন।

তরুনদের চাহিদা ছিল স্থানীয় পর্যায়ে জলাবদ্ধতা এলাকায় বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ। পরিবেশ বান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা ও এগ্রোইকোলজি চর্চা করা এবং যুবদের অর্ন্তভুক্ত করা। লবন সহিঞ্চুতার জন্য ফসল উৎপাদনে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা। আধুনিক কৃষির প্রশিক্ষণ ও যুব কৃষক তৈরী করা। স্থানীয় কৃষকদের সবুজ উদ্যোক্তা তৈরী করা এবং সহায়তা প্রদান করা। তরূণদের এই চাহিদাগুলোর বিষয়ে কৃষি অধিদপ্তর সম্মতি জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে সহযোগিতা করার আশ^াস প্রদান করেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সাকিব হোসেন। উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার, আরাফাত হোসেন, রিপন হোসেন ও ইয়ূথ ফেলো স্বপ্না পারভীন।

 

 

 

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।