বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

জাতীয় আইন সহায়তা দিবস: সেবাগ্রহীতাদের ৭৫ শতাংশই নারী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় আইন সহায়তা দিবস: সেবাগ্রহীতাদের ৭৫ শতাংশই নারী

রাজধানীর নিম্ন আদালত পাড়ায় সরকারি আইনি সহায়তা কেন্দ্রে (লিগ্যাল এইড) আসা মানুষের ভিড় জানান দিচ্ছে, সমাজে পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীরা কতটা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। ২০২৫ সালের বার্ষিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই দপ্তরে আসা মোট সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে তিন জনই নারী।

চাঁঁদপুর থেকে এসে সকাল থেকে লিগ্যাল এইড অফিসের সামনে বসে আছেন বসে আছেন লিলি বেগম।কোলে রয়েছে ছোট্ট একটি সন্তান। আরও এক সন্তানকে বাসায় রেখে এসেছেন নানির কাছে।তার সাথে আছেন দুজন নারী। লিলি বেগম ভারাক্রান্ত মনে জানান, তার স্বামীর সাথে ৮ বছরের সংসার। দুইটা সন্তান তাদের।কিন্তু এখন স্বামী কোনো খোঁজ খবর নেয়না। এমনকি ভরনপোষণ দেয়না।এর জন্য দু’সন্তান নিয়ে বেকায়দায় পরে আছেন লিলি বেগম। তার স্বামী শেখ সাজু আহমেদ ঢাকার চকবাজারের বাসিন্দা। স্বামীর বিরুদ্ধে ভরনপোষণ না দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে আইনি সহায়তা নিতে এখানে এসে বসে আছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১২ টার দিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে অবস্থিত জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভুক্তভোগী এই নারীকে দেখা গেছে।

লিলি বেগম ছাড়াও এখানে বিভিন্ন সমস্যায় পরে আইনি সহায়তা নিতে বসে আছেন অনেকেই।এদের সিংহভাগই নারী।এদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ঢাকার কামরাঙ্গীচর থেকে এসেছেন এক নারী।তার স্বামী অন্য কাউকে বিয়ে করে আর খোঁজ নিচ্ছে না।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ নারী বলেন, অভাবের সংসার এমনিতেও। এই অবস্থায় শুনছি স্বামী অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছে। কোনও কূল না পেয়ে এখানে চলে এসেছি আইনি সহায়তা নিতে।দেখি কি হয়।

রাজধানীর নিম্ন আদালত পাড়ায় সরকারি আইনি সহায়তা কেন্দ্রে (লিগ্যাল এইড) আসা নারীদের ভিড় জানান দিচ্ছে, সমাজে পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীরা কতটা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। ২০২৫ সালের বার্ষিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই দপ্তরে আসা মোট সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে তিন জনই নারী, যারা মূলত পারিবারিক নির্যাতন বা অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনি সুরক্ষার সন্ধানে এসেছেন।

​ভুক্তভোগী নারীদের সংখ্যা

পরিসংখ্যান বলছে, আইনি পরামর্শ নিতে আসা ৩ হাজার ৪ শো ৫৮ জনের মধ্যে ২ হাজার ৬ শো ১৩ জনই ছিলেন নারী। সমীকরণ অনুযায়ী ​নারী ভুক্তভোগী মোট সেবাগ্রহীতার ৭৫.৫৬ ভাগ।বাকি ​ ২৪.২০ ভাগ (৮৩৭ জন) পুরুষ ।এরমধ্যে ​তৃতীয় লিঙ্গ ০.২৩ ভাগ (৮ জন) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আইনি সংকটে পড়া নারীরাই পুরুষদের তুলনায় ৩ গুণ বেশি সাহায্যের জন্য লিগ্যাল এইডের দ্বারস্থ হচ্ছেন।

​পারিবারিক মামলা ও অপরাধের চিত্র

অসহায়ত্বের এই চিত্র আরও স্পষ্ট হয় মামলার ধরণ দেখলে। এক বছরে জমা পড়া ২হাজার ১৪২টি মামলার মধ্যে বিশাল একটি অংশ পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের।লিগ্যাল এইডের গত এক বছরের তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক মামলা এসেছে ১ হাজার চারশো ২৬ টি। যা মোট মামলার সমীকরণে ৬৬.৫৫ ভাগ।

​ফৌজদারি মামলা ৩৯৬টি যা মোট মামলার ১৮.৪৮ ভাগ। ​দেওয়ানী মামলা ৩২০ টি যা সমীকরণে ১৪.৯৪ ভাগ। অর্থাৎ, লিগ্যাল এইডে আসা প্রতি ১০টি মামলার মধ্যে অন্তত ৭টিই পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব মামলার সিংহভাগই দেনমোহর আদায়, ভরণপোষণ বা নির্যাতনের অভিযোগ কেন্দ্রিক।

আদালতের দীর্ঘসূত্রতা ও মামলার জট কমাতে ২০২৫ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা (এডিআর)-এ বিশেষ সাফল্য দেখা গেছে। এ সময়ে সর্বমোট ২ হাজার ৬২ টি মামলার মধ্যে, মামলাপূর্ব (প্রি কেইস) ৭৯৯টি বিরোধ সফলভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে। এছাড়া আদালতে বিচারাধীন (পোস্ট কেইস) ১৩১টি মামলার মধ্যে ৪৪টি বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এই মধ্যস্থতার মাধ্যমেই ভুক্তভোগীরা সোয়া কোটি টাকার বেশি পাওনা বুঝে পেয়েছেন।এটি মূলত অসহায় মানুষের পাওনা,নারীদের দেনমোহর বা খোরপোশের টাকা যা দীর্ঘ আইনি লড়াই ছাড়াই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

​ ২০২৫ সালে কারাগার থেকে মোট ২ হাজার ৯৬৩ জন কারাবন্দির আইনি সহায়তার আবেদন বা মামলা লিগ্যাল এইড অফিসে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বিভিন্ন আদালত থেকে আরও ১১৪টি মামলা আইনি সহায়তার জন্য এই দপ্তরে রেফার করা হয়েছে।

লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে শতভাগ আইনি সহায়তা পেয়েছেন এমন একজন নারীর সাথে কথা হয় বাংলা ট্রিবিউনের। বেসরকারি প্রজেক্টে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা ওই নারী তার স্বামীর সাথে পারিবারিক বিভিন্ন ঝামেলা নিয়ে বহুদিন আদালতে ঘুরে পরে লিগ্যাল এইডের শরণাপন্ন হন।সেখানে যাওয়ার পরে মাত্র একটি তারিখের মধ্যে গত বছরের আগস্ট মাসে পারিবারিক কলোহ থেকে নিষ্পত্তি পান।লিগ্যাল এইডের আইনজীবী ও বিচারকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এখানকার সবাই অনেক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে।এজন্য আমার মত যারা সেবাপ্রত্যাশি তারা খুব সহজেই তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

জেলা লিগ্যাল এইডের নিয়মিত আইনজীবী রায়হানা নাজনীন জুই জানান, লিগ্যাল এইড বর্তমানে একটা ভরসার জায়গা হয় উঠেছে। এখানে কম সময়ে বিনা খরচে আইনি সহায়তা পাচ্ছে অসংখ্য মানুষ। তার মধ্যে নারীরাই বেশি। কারন পারিবারিক সমস্যা নারীরাই বেশি ভুক্তভোগী হয়।একপর্যায়ে তারা আইনি সহায়তার ব্যপারে হিমশিম খায়।সেই সমস্ত মানুষদের জন্য জেলা লিগ্যাল এইড অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে।এখানে অন্যান্য আদালতের চেয়ে কি কি সুবিধা আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে মামলার প্রাথমিক অবস্থা, বা চলমান মামলা এমনকি কারাগারে থাকা আসামিরাও সেবা পেয়ে থাকেন।যে কোনো ধরনের অসচ্ছল আসামি বিনামূল্যে আইনি সেবা পেয়ে থাকেন।এখানকার অন্যতম ব্যপার হচ্ছে, মামলা না করেও শুধুমাত্র আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান দেওয়া হয়।এমনকি বিচারপ্রার্থীরা সরাসরি বিচারকের সাথে কথা বলে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা করতে পারেন।

লিগ্যাল এইডের নিয়মিত আরেক আইনজীবী মো.হাকিম বাহাউল হক বলেন, এখানে যারা আইনি সহায়তার জন্য আসেন তাদরকে আমরা মামলায় না ঠেলে দিয়ে সমঝোতা করে দেই।এরপরও যারা মামলার দিকে জান তাদের খুব কম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করে থাকি।এখানে নারী,পুরুষ থেকে শুরু করে তৃতীয় লিঙ্গের যারা আছেন তারাও আইনি সহায়তা নিতে আসেন।

জেলা লিগ্যাল এইডের অফিস সহকারী জুবায়রা ফেরদৌসী জানান,প্রতিদিন অনেক মানুষকে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে সহায়তা দিয়ে থাকি।এদের মধ্যে নারীই বেশি।এখানে দেওয়ানি, ফৌজদারী, পারিবারিক মামলা সহ বিভিন্ন ধরনের মামলার ফ্রি সেবা দেওয়া হয়।এছাড়াও এখানে আদালত থেকে প্রাপ্ত মামলার ব্যপারেও সহায়তা দেওয়া হয়।

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।