শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

অনলাইন ডেস্ক: ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন নিহতের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) দেওয়া তথ্যকে ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার (২৯ মে) এমন একটি খবর প্রকাশ করে জানিয়েছে, লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের আইনজীবী স্টিভেন পাউলস কেসির মাধ্যমে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ভলকার তুর্ককে শেখ হাসিনা একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশের একটি প্রভাবশালী জাতীয় দৈনিকের অনলাইন ভার্সনে এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে।

 

গত ২৮ মে পাঠানো ওই চিঠিতে পাউলস দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টে ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর। চিঠিতে বলা হয়, ‘এমনকি খোদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গত ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫-এ প্রকাশিত অফিসিয়াল গেজেটেও নিহতের সংখ্যা ৮৩৪ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের দাবিকৃত সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিজস্ব হিসেবে এই সংখ্যা ছিল ৬৫০ জন।’

 

জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট নিয়ে আওয়ামী লীগ শুরু থেকেই এসব দাবি করে আসছে। এনডিটিভির খবরে স্টিভেন পাউলস কেসি নামে যে আইনজীবীর কথা বলা হয়েছে এবং যে চিঠির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে তা স্থানীয় সাংবাদিকরা যাচাই করতে পারেনি। তবে এনডিটিভি লিখেছে, তারা চিঠিটি সংগ্রহের পর যাচাই করেছে।

অন্যদিকে এই ধরনের চিঠি জাতিসংঘ কতটা আমলে নিতে পারে বা তাদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে, সে বিষয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।

 

পাউলস কেসি এবং তার চেম্বার বাংলাদেশের ২০২৪ পরবর্তী সহিংসতা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের অভিযোগ নিয়ে আইসিসি ও জাতিসংঘে আগেও আবেদন করেছেন। সেই আবেদন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থানকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হয়। তার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে দেশে সমালোচনাও হয়েছিলো।

 

শেখ হাসিনার আইনি দলের অভিযোগ, ‘এই অতিরঞ্জিত নিহতের সংখ্যাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, এই সংখ্যাকে বড় করে দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে একজন ‘গণহত্যাকারী’ হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা তার সরকার উৎখাতের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অজুহাত ছিল।’

 

পাউলস তার চিঠিতে জাতিসংঘের এই তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ‘এই তদন্তটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমন্ত্রণে পরিচালিত হয়েছিল।’

 

চিঠিতে ড. ইউনূসের পূর্বের একটি মন্তব্যকে উদ্ধৃত করা হয় যেখানে তিনি আন্দোলনটিকে একটি ‘সুপরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল অপারেশন’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। আইনজীবীর মতে, এমন একটি সরকারের অধীনে পরিচালিত তদন্ত নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়, যাদের বিরুদ্ধে খোদ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

 

২০২৪ সালের আগস্টে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের একটি অভ্যন্তরীণ ট্রাইব্যুনাল তাকে এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। শেখ হাসিনার আইনজীবীরা শুরু থেকেই এই বিচার প্রক্রিয়াকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে আসছেন।

 

চিঠির শেষ অংশে পাউলস জাতিসংঘকে এই ‘ভুল তথ্য’ সংশোধন করে একটি প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে জাতিসংঘ কোনো ‘মিথ্যা বয়ান’ প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত না হয়। এখন পর্যন্ত ওএইচসিএইচআর এই চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি।

Ads small one

ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

পত্রদূত ডেস্ক: উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কর্মরত নাগরিক প্লাটফর্ম ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’-এর নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও জেলা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গঠিত ওই কমিটিতে আমিনুর রসুল সভাপতি ও সাকিলা পারভিন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। রাজধানীর হুমায়ুন রোডে ‘লিডার্স’ কার্যালয়ে আমিনুর রসুলের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় ১৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। এরমধ্যে ৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

 

নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি ও সহ-সভাপতি ছাড়াও আছেন সাধারণ সম্পাদক মোহন কুমার ম-ল (সাচিবিক দায়িত্বে), গণমাধ্যম ও যোগাযোগ সম্পাদক রায়হান ফেরদৌস, যুব প্রতিনিধি শ্রুতি রানী দে এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী ও খাদিজা খানম।

এছাড়া উপদেষ্টা কমিটিতে আছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র এবং উন্নয়নকর্মী সৈয়দা শামীমা সুলতানা।

নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আমিনুর রসুল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এরমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

 

আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নতুন কমিটি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অ্যাডভোকেসির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং টেকসই জলবায়ু নীতি বাস্তবায়নে জোরালো ভূমিকা রাখবে।

 

তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে জলবায়ু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তালা প্রেসক্লাবের নিন্দা

তালা প্রতিনিধি: খুলনায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তালা প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে এই ন্যক্কারজনক হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এক যৌথ বিবৃতিতে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়ার্দ্দার ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ সংগঠনের নির্বাহী ও সাধারণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকেরা সমাজ ও রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এই হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর একটি সরাসরি আঘাত।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগরীর শান্তিধাম জাতিসংঘ পার্কসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলিবর্ষণ করে। এতে সেখানে অবস্থান করা কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।

কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নির্মাণকল্পে এডহক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নির্মাণকল্পে এডহক কমিটি গঠন

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মোড় কুলিয়া কাঁচা বাজারের উচ্ছেদকৃত মসজিদটি পুনরায় অন্যত্র নিদিষ্ট স্থানে নির্মাণ কল্পে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাগরিবের নামাজের পর কুলিয়া কাঁচা বাজার সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ মোড় চত্বরে মসজিদ নির্মাণ কল্পে এক জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কুলিয়া কাঁচা বাজারে ও ইউনিয়ন পরিষদে আসা বহু মুসল্লি উক্ত মসজিদে নামাজ পড়ত। মসজিদটি ভেঙে দেওয়ার কারণে মুসল্লীদের নামাজ পড়তে দুভোর্গে পড়তে যাচ্ছে। সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে পাকা না হলেও এখনি একটি টিন সেটের মসজিদ নির্মাণ করার দরকার। মসজিদ নির্মাণের লক্ষ্যে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুঠিত হয়।

সভায় বক্তব্যে রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সবুজ, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর কবির বাবু, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন বাবলু, জামায়াত নেতা মাছুম খান চৌধুরী ও বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ডাঃ অহিদুজ্জামান, বিএনপি নেতা গোলাম রসুল খোকন, মোসফিকুর রহমান, রুহুল আমিন, রফিকুল ইসলাম ও জামায়াতের ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইয়াকুব আলী প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে মসজিদ নির্মাণ কল্পে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আমিনুর রহমানকে আহবায়ক ও অন্যান্য সদস্যরা যথাক্রমে মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সবুজ, মাসুম খান চৌধুরী, মাওলানা রুহুল আমিন, দেলোয়ার হোসেন বাবলু, সাংবাদিক রুহুল আমিন, আব্দুস সামাদ গাজী, সিরাজুল ইসলাম মোড়ল,এ্যাডঃ আল আমিন, রওশন সরদার, আবুল কাশেম ও মাওলানা ইয়াকুব আলী।