শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসককে বরণ, বিদায়ী প্রশাসককে সংবর্ধনা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. মুর্শিদ আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রশাসক মো. আবু বিল্লাল হোসেনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রশাসক মো. আবু বিল্লাল হোসেন নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সমবায় কর্মকর্তা মো. মুর্শিদ আলমকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায়ী প্রশাসকের কর্মকালীন অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক আবুল হোসেন, কামরুজ্জামান, গোলাম মোস্তফা ও আল মামুন। আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবুল বাশার, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি কামরুজ্জামান রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, ঝাউডাঙ্গা বাজার কমিটির সেক্রেটারি আবু মুসা, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

 

বক্তারা বিদায়ী প্রশাসক মো. আবু বিল্লাল হোসেনের দায়িত্ব পালনকালীন বিভিন্ন কর্মকা-ের প্রশংসা করেন এবং নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. মুর্শিদ আলমের সফল দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁরা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবার মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শেখ তানজীর আহমেদ।

 

 

 

Ads small one

কেউ চলে গেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
কেউ চলে গেলে

আহমেদ সাব্বির
কেউ চলে গেলে
কেউ মনে রাখে না
যারা মনে রাখে
তারা মনে রাখে।

প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়
অশীতিপর বসন্তের মতো।

শীত চলে যায়
পড়ে থাকে ঝরা পালক
ভ্রমণক্লান্ত পরিযায়ী ওম
পাহাড়ের নিঃসঙ্গতায়
স্মৃতি হয়ে ছড়িয়ে থাকে
জীবনতৃষ্ণাসম
অদৃশ্য অন্তর্জাল।

কেউ চলে গেলে
কেউ মনে রাখে না।

 

ধিক্ এই ভ- সমাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
ধিক্ এই ভ- সমাজ

বিপুল চন্দ্র রায়
হে বিধাতা!
একি ঘোর তিমিরে নিমজ্জিত আজ ধরা?
সর্বত্র ভেজাল আজি, বিষাক্ততায় বিশ্ব ভরা।
হায় রে মানুষ! চেনা বড় দায় স্বার্থের নেশায়,
নৈতিকতা বিসর্জিয়া ওড়ে অহমিকার ফানুস।

মগজে কুটিল ফন্দি তাদের মনে ঘোরে অবিরাম,
লুপ্ত আজ অকৃত্রিম মায়া, স্নেহের মেলেনি দাম।
অন্নে বিষ, রক্তে ভেজাল, কলুষিত প্রাণের ছায়া,
অর্থের লোভে বিবেক বিকায় জীর্ণ এ কোন মায়া!

আচ্ছন্ন নিখিল ভুবন আজ মর্ত্যভীতিতে,
কপটতাই কি স্থান পেল তবে শ্রেষ্ঠ নীতিতে?
সত্যের টুঁটি চেপে ধরে আজ ভ- অমানুষ,
স্বার্থের টানে চেনা দায় কে প্রকৃত মানুষ!

ধিক্ এই ভ- সমাজ! ধিক্ এই দানবীয় উল্লাস!
যূপকাষ্ঠে বলী আজ মানবতার শেষ নিশ্বাস।
হে বিধাতা, এই দুর্ভেদ্য পাপে হানো বজ্রাঘাত,
ছিঁড়ে যাক নরপশুদের ওই লোলুপ-রক্তিম হাত।

দয়া নয় প্রভু, আজ নেমে আসুক মহা দ-,
চূর্ণ হোক মিথ্যে মুখোশধারী ওই ভ-!
দিকে দিকে বেজে উঠুক সাম্যের শুভ শঙ্খধ্বনি,
কলুষতামুক্ত হোক আবার আমাদের এই ধরণী।

 

বেলা অবেলার শেষে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
বেলা অবেলার শেষে

মোঃ রহমত আলী
গল্প শেষ, তবু স্বল্প রয়ে গেছে,
সমাধির উপরে অযথাই ফুল,
জীবদ্দশায় মূল্যহীন যা,
মৃত্যুর পরে তুল্য কি তা,
বেলা অবেলায় হারিয়ে যেতে বাধ্য
সময়ের সাথে জীবনের মূল্য।

কাহিনী যখন শুরু হয়েছিল,
তখন তো স্মৃতিশক্তি হীন,
আর এখন শেষ বেলাতেও
স্মৃতির স্মরণে বুদ্ধি লোপপ্রাপ্ত।
জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে
যে সময়ের স্রোত বয়ে গেছে
তা ধরা না ধরার আফসোস হায়।

বেলা অবেলা শেষে, বিদায় বেলা!
সাথী যা আমল তা কি কাজের?
হিসাব শুরু শেষের পর, শুরু থেকে।