সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ট্রাম্পের ‘মহাপুরুষ’ তত্ত্বের নেপথ্য কাহিনি?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের ‘মহাপুরুষ’ তত্ত্বের নেপথ্য কাহিনি?

 

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে নিজের ক্ষমতার ‘কোনও সীমা’ তিনি খুঁজে পাননি বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার দ্য অ্যাক্সিওস শো-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই ঘোষণা দেন। শুধু তা-ই নয়, আগামী সপ্তাহে প্রকাশ পেতে যাওয়া একটি বইয়ে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ট্রাম্প নিজেকে ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ হিসেবে মনে করছেন এবং এই ধারণা তিনি বেশ উপভোগও করছেন।

ট্রাম্প এখন আর কেবল মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের ক্ষমতার সীমানা পরীক্ষা করছেন না, বরং তিনি নিজের ক্ষমতাকে বিশ্ব ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে দেখছেন। তিনি নিজেকে আলেকজান্ডার, চেঙ্গিস খান বা নেপোলিয়নের মতো বিশ্বজয়ী ও একনায়কদের কাতারে নিয়ে দাঁড় করিয়েছেন, যারা একসময় পুরো বিশ্বকে নিজেদের ইচ্ছামতো পরিচালনা করেছিলেন।

অ্যাক্সিওসের মার্ক ক্যাপুটোকে দেওয়া ৪৫ মিনিটের এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, অন্য সবার আত্মসমর্পণই তার ক্ষমতার মাপকাঠি। তিনি দাবি করেন, জি-৭ নেতারা তার এই রসিকতা বিশ্বাস করেছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন ‘আমিই বস’। পাশাপাশি ইসরায়েলও তাকে ‘প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করে’ এবং ‘আমি যা বলব, তারা তা-ই করবে’।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যান এবং জোনাথন সোয়ানের লেখা ‘রেজিম চেঞ্জ’ বইটি আগামী মঙ্গলবার বাজারে আসছে। এই বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে এমন একটি নথি দেখিয়েছেন যেখানে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, তিনি আতিল্লা দ্য হুন, চেঙ্গিস খান, নেপোলিয়ন, স্টালিন, মাও সেতুং এবং হিটলারের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর।

লেখকেরা জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিজেই সেই নথি থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের নাম পড়ে শোনান এবং ব্যাখ্যা করেন কীভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ক্ষমতার কাছে এই ঐতিহাসিক চরিত্ররা ‘নস্যি’ ছিলেন। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, সিজার কিংবা উইলিয়াম দ্য কনকারার সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘ওদের তো কোনও উড়োজাহাজ ছিল না, তাই না? চাইলেই তো সব জায়গায় ভ্রমণ করা যেত না।’ লেখকদের মতে, নেপোলিয়নের নাম নেওয়ার সময় ট্রাম্পের মুখে এক ধরনের পরম তৃপ্তি প্রকাশ পাচ্ছিলো।

হ্যাবারম্যান ও সোয়ান লিখেছেন, এই ঘটনার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক ছিল যে, মাও সেতুং, হিটলার এবং স্ট্যালিনের মতো স্বৈরাচারীদের তালিকায় নিজের নাম দেখে ট্রাম্পের স্পষ্ট আনন্দ প্রকাশ এবং অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে নিজেকে এমন মানুষদের কাতারে মেনে নেওয়া, যারা ভয় ও বিজয়ের মাধ্যমে পৃথিবীকে পুনর্গঠন করেছিলেন।

ফ্রান্সে একটি ‘প্রভাবশালী’ জি-৭ সম্মেলন শেষ করে ফেরার কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই আকাশচুম্বী ক্ষমতা তত্ত্বের আভাস বারবার পাওয়া গেছে। ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তার সবচেয়ে পছন্দের বিশ্বনেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি শি জিনপিংয়ের কাজের প্রতি একাগ্রতা এবং মোদিকে একজন ‘অত্যন্ত শক্ত মনের মানুষ’ হিসেবে প্রশংসা করেন।

সবচেয়ে দুর্বল নেতাদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানালেও ট্রাম্প জি-৭-এ ভ্লাদিমির পুতিনের অনুপস্থিতি নিয়ে আক্ষেপ করেন। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়াকে এই জোট (তৎকালীন জি-৮) থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভার্সাই প্রাসাদে তাকে যে রাজকীয় নৈশভোজের সম্মান দিয়েছিলেন, সেই আভিজাত্যকে নিজের ‘দুর্বলতা’ বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের ভাষায়, মিত্ররা কেবল তখনই প্রাসঙ্গিক যখন তারা বুঝতে পারে যে আসল ক্ষমতার অধিকারী কে। ইসরায়েল প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি না থাকলে আজ ইসরায়েলের কোনও অস্তিত্ব থাকত না’। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ‘ভালো, তবে আমাদের তাকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে’।

ডলারের দাপটে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো কমলো স্বর্ণের দামডলারের দাপটে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো কমলো স্বর্ণের দাম
ইরান চুক্তি নিয়ে ক্ষুব্ধ নিজের দলের রিপাবলিকান কট্টরপন্থিদেরও একহাত নিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আগে আমি যাদের সম্মান করতাম, এখন আর তাদের করি না। ওরা সব কট্টরপন্থি।’ চুক্তিটি কেন তার আগের দাবি অনুযায়ী পুরোপুরি কঠোর হলো না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প নিজের তৈরি করা বাস্তবতাকেই সামনে এনে দাবি করেন, এই চুক্তির ফলাফল আসলে ইরানের ‘শর্তহীন আত্মসমর্পণ’ এবং সেখানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’।

সীমাহীন ক্ষমতার দাবি করলেও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে একটি শক্তি এখনও তাকে নিয়ন্ত্রণ করে, তা হলো ‘অর্থনীতি’। তিনি যুক্তি দেন, কট্টরপন্থিদের সন্তুষ্ট করতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করলে তা বিশ্বব্যাপী ‘মহামন্দা’ ডেকে আনতে পারত। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে যাওয়া এবং শেয়ারবাজারের রেকর্ড উত্থানই প্রমাণ করে যে ইরান চুক্তিকে সমর্থন দিয়ে তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার একটিই প্রাথমিক ইচ্ছা… আমি কখনোই প্রয়াত এবং মহান হারবার্ট হুভার হতে চাই না।’ উল্লেখ্য, হুভার ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম প্রেসিডেন্ট, যার নাম বিশ্বব্যাপী মহামন্দার সঙ্গে চিরকাল জড়িয়ে আছে।

গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এই ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সম্পর্কিত নথিটি পোস্ট করেন এবং এর লেখককে একজন ইতিহাসবিদ বলে দাবি করেন।

তবে সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যান এবং জোনাথন সোয়ান তাদের বইয়ে আসল সত্য ফাঁস করে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, ওই নথির লেখক আসলে কোনও ইতিহাসবিদ নন, বরং বিখ্যাত গলফার গ্যারি প্লেয়ারের গলফ ব্যাগ বহনকারী এবং ব্যক্তিগত বিশ্বস্ত বন্ধু!

সেই গলফ সহকারীর তৈরি করা নথির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল: বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নিজের ক্ষমতা ব্যবহারের যে সাহস ট্রাম্প দেখিয়েছেন, তা তাকে ‘এই গ্রহে এযাবৎকালের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত করেছে’।

Ads small one

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা সোমবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে প্রথমেই আমাদের নিজেদের আওতাধীন সকল দপ্তর ধূমপানমুক্ত করতে হবে। প্রতিটি দপ্তরের প্রবেশমুখে দৃশ্যমান স্থানে নো স্মোকিং পোস্টার স্থাপন করতে হবে। যা আমরা সময়ে সময়ে মনিটরিং করবো। তিনি বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহকে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এবং জনসমাগম হয় এমন স্থানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মসূচি গ্রহণের নিদের্শনা দেন।

তিনি আরও বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী প্রচারে মসজিদের ইমামগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমনার একশত মিটারের মধ্যে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় দন্ডনীয় আপরাধ উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির কথা বলেন এবং প্রতি তিন মাস অন্তর ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে বড় উদ্দেশ্য হাসিলে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

সভায় অতিথিরা ই-সিগারেট আমদানি বন্ধ করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধূমপান বিরোধী প্রচার চলমান রাখা, নিউমার্কেট, বিএল কলেজসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসকে ধূমপানমুক্ত রাখা এবং ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বিরোধী মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো: মনজুর আলম, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো: কামরুল ইসলাম, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ তামাক বিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

 

পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পড়ে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল। উপজেলার কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পা ধোয়ার সময় নদে পড়ে গিয়ে শ্রমিক দিপংকর মন্ডল (৩৫) নিখোঁজ হন। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। সোমবার দুপুর দুই টায় রাড়ুলীর ভরভোরিয়া স্লুইস গেট সংলগ্ন নদে ভাসমান অবস্থায় লাশ পায়।

জানা গেছে, দিপংকর মন্ডল উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়ার দুলাল মন্ডলের ছেলে। সে মালামাল উঠানো নামানোর শ্রমিকের কাজ করে। রোববার সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে কাজ শেষে ফিরে তিনি কপোতাক্ষ নদের স্টিমার ঘাটে পা ধোয়ার সময় অসাবধানতাবশত নদে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে তিনি গ্রোতের পানিতে তলিয়ে গেলে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

দীপঙ্করের তলিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কপোতাক্ষ নদের পাড়ে আছড়ে পড়ছে স্বজনদের কান্না আর আহাজারি।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌপুলিশ ও স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে নদের উত্তাল ঢেউ এবং তীব্র স্্েরাত থাকার কারণে রাতে তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। সোমবার দুপুর দুই টায় রাড়ুলীর ভরভোরিয়া স্লুইস গেট সংলগ্ন নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে ডুবুরি দল।
এঘটনায় পাইকগাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

 

 

জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাখরা কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারে ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা বরাদ্দের পর এবার ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ এলাকায় যেয়ে বরাদ্দের বিষয়টি জানান, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুর রউফ। তিনি জানান, প্রথমে বরাদ্দকৃত ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকায় ব্রিজটি সম্পূর্ণরূপে সংস্কার সম্ভব নয়। এজন্য সাতক্ষীরার উন্নয়নে বরাদ্দকৃত ২০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজের অর্থ থেকে এই ব্রিজ সংস্কারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছি তো কি হয়েছে। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবো। আপনাদের দাবি ছিল নষ্ট হয়ে যাওয়া শাখরা-কোমরপুর ব্রিজটি সংস্কার করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাতক্ষীরার উন্নয়নে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই শাখরা কোমরপুর ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল আলম মিলন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি বজলুর রহমান, সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টু প্রমূখ। এছাড়াও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।