শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

তহশীল অফিস: নাগরিকের আরও কাছে পৌঁছাতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
তহশীল অফিস: নাগরিকের আরও কাছে পৌঁছাতে হবে

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে এমন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম তহশীল অফিস, যেখানে মানুষ আনন্দ নিয়ে নয়, প্রয়োজনের তাগিদে যায়। জমির খাজনা পরিশোধ, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান সংক্রান্ত তথ্য, রেকর্ড সংশোধন কিংবা জমির মালিকানা সংক্রান্ত নানা কাজে সাধারণ মানুষকে এই অফিসের দ্বারস্থ হতে হয়। ভূমি মানুষের জীবনের সঙ্গে, জীবিকার সঙ্গে এবং অস্তিত্বের সঙ্গে ও তপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ভূমি-সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা মানুষের জন্য কেবল প্রশাসনিক জটিলতা নয়, এটি মানসিক উদ্বেগ ও নিরাপত্তা হীনতারও কারণ। অথচ যে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের এই উদ্বেগ দূর করার কথা, দেশের বহু স্থানে সেই তহশীল অফিসই আজ সাধারণ মানুষের কাছে কান্না, দীর্ঘশ্বাস ও হতাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

 

একজন কৃষক সকালবেলা বাড়ি থেকে বের হন খাজনা দিতে। একজন বৃদ্ধা নারী স্বামীর রেখে যাওয়া জমির কাগজপত্র ঠিক করতে আসেন। একজন দিনমজুর নিজের সামান্য ভিটেমাটির রেকর্ড হালনাগাদ করার জন্য অফিসে আসেন। তাদের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়। তারা শুধু চান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত ও সঠিক সেবা পেতে। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একটি সাধারণ কাজের জন্য দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হচ্ছে। কখনো কর্মকর্তা নেই, কখনো প্রয়োজনীয় কাগজের তালিকা স্পষ্ট নয়, কখনো আবার ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘুরছে। ফলে একটি ছোট কাজও হয়ে ওঠে বড় ভোগান্তির কারণ।

 

গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে তহশীল অফিস মানেই যেন অনিশ্চয়তার এক দীর্ঘ করিডোর। সকালে গিয়ে সন্ধ্যায় ফিরে আসতে হয়, তবুও কাজ সম্পন্ন হয় না। এতে শুধু সময়ের অপচয় হয় না, অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয়। একজন কৃষক বা দিনমজুরের জন্য একটি কর্মদিবসের মূল্য অনেক। অফিসে আসার কারণে তার সেদিনের আয় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সরকারি সেবা নিতে গিয়েই তাকে আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, তহশীল অফিসকে ঘিরে গড়ে ওঠা দালালচক্র।

 

দেশের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, কিছু মধ্যস্বত্বভোগী অফিসের আশপাশে অবস্থান করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। তারা বোঝায় যে তাদের সাহায্য ছাড়া কোনো কাজ হবে না। অনেক ক্ষেত্রে সেবাপ্রার্থীরা ভয়, অজ্ঞতা বা দীর্ঘসূত্রতার কারণে এসব দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হন। এতে একদিকে জনগণের অর্থ অপচয় হয়, অন্যদিকে সরকারি ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।

 

আরও দুঃখজনক হলো, বিভিন্ন সময়ে কিছু অসাধু তহশীলদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগও উঠে আসে। সরকারি ফি নির্ধারিত থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। খাজনা গ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ প্রদান, জমির নথিপত্র যাচাই কিংবা বিভিন্ন কাগজপত্র দ্রুত সরবরাহের ক্ষেত্রে অবৈধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ নতুন নয়। অনেকেই বলেন, সরকারি ফি দেওয়ার পরও কাজের গতি বাড়াতে আলাদা অর্থ খরচ করতে হয়। যদিও সবাই এমন নয়, তবে কিছু অসাধু ব্যক্তির কর্মকা- পুরো প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

 

এই অনৈতিক লেনদেনের সবচেয়ে বড় শিকার দরিদ্র মানুষ। একজন কৃষক, একজন বিধবা নারী কিংবা একজন বয়স্ক মানুষ যখন নিজের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হন, তখন তা শুধু দুর্নীতি নয়; এটি তার নাগরিক অধিকারের ওপরও আঘাত। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক মানুষের মধ্যে এমন ধারণা জন্মেছে যে ‘টাকা ছাড়া সরকারি অফিসে কাজ হয় না।’ এই ধারণা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কারণ রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেলে উন্নয়নের প্রকৃত সুফলও ম্লান হয়ে যায়। তবে সমস্যার সব দায় শুধুমাত্র মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়াও ন্যায়সঙ্গত হবে না।

 

বাস্তবতা হলো, অনেক তহশীল অফিসে জনবল সংকট রয়েছে। একজন কর্মকর্তাকে বিপুলসংখ্যক মানুষের সেবা দিতে হয়। অনেক অফিসে পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই, বসার জায়গা নেই, প্রযুক্তিগত সুবিধা সীমিত। ফলে সেবার গতি ব্যাহত হয়। কিন্তু জনবল সংকট কিংবা অবকাঠামোগত দুর্বলতা কোনোভাবেই দুর্ব্যবহার, হয়রানি কিংবা অনিয়মের অজুহাত হতে পারে না। গত কয়েক বছরে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, ই-নামজারি, ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণসহ বিভিন্ন আধুনিক সেবা চালু হয়েছে।

 

এসব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু গ্রামীণ বাস্তবতায় এখনো অনেক মানুষ ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। ফলে তাদের সরাসরি অফিসে যেতে হয়। আর সেখানেই যদি তারা হয়রানির শিকার হন, তাহলে ডিজিটাল উদ্যোগের সুফল পূর্ণমাত্রায় পৌঁছায় না। ভূমি নিয়ে বিরোধ বাংলাদেশের অন্যতম বড় সামাজিক সমস্যা। পারিবারিক কলহ, দীর্ঘদিনের মামলা-মোকদ্দমা, এমনকি অনেক সহিংস ঘটনার পেছনেও জমি-সংক্রান্ত জটিলতা কাজ করে।

 

এই অবস্থায় তহশীল অফিসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সঠিক তথ্য, স্বচ্ছ নথিপত্র এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা গেলে অনেক বিরোধেরই প্রাথমিক সমাধান সম্ভব। কিন্তু যখন সেখানে অস্বচ্ছতা ও অনিয়ম দেখা দেয়, তখন সমস্যার গভীরতা আরও বাড়ে। রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু বড় বড় সেতু, মহাসড়ক কিংবা দালানকোঠা নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা সহজে ও সম্মানের সঙ্গে পায়। একজন কৃষকের কাছে রাষ্ট্রের মুখ হলো তহশীল অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ, হাসপাতাল কিংবা থানা। সেখানে যদি তিনি ভালো ব্যবহার পান, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি তার আস্থা বাড়ে।

 

আর যদি অবহেলা ও হয়রানির শিকার হন, তাহলে তার মনে ক্ষোভ জন্মায়। তাই সময় এসেছে তহশীল অফিসকে ঘিরে বিদ্যমান সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার। প্রতিটি অফিসে সেবার ধাপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি ফি দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করতে হবে। দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত মনিটরিং, আকস্মিক পরিদর্শন এবং কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে।

 

একই সঙ্গে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে হবে, যাতে জনগণ প্রকৃত সেবা পায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। একজন মানুষ যখন কোনো সমস্যার সমাধানের আশায় অফিসে আসেন, তখন তাকে সম্মান দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একটি হাসিমুখ, একটি সঠিক দিকনির্দেশনা কিংবা একটি আন্তরিক আচরণ অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে। তহশীল অফিস কোনো কান্নার আতুরঘর হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

 

এটি মানুষের সেবা, আস্থা ও ন্যায়বিচারের কেন্দ্র হওয়ার কথা। কিন্তু যখন মানুষ সেবা নিতে গিয়ে হয়রানি, দালালচক্র ও অনৈতিক লেনদেনের শিকার হয়, তখন সেই অফিস কান্নার আতুরঘরে পরিণত হয়। তাই এখনই সময় এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের। তহশীল অফিসকে জনগণের ভোগান্তির প্রতীক নয়, বরং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিণত করতে হবে।

 

যেদিন একজন কৃষক, একজন বিধবা নারী কিংবা একজন সাধারণ নাগরিক কোনো ভয়, অনিশ্চয়তা বা অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই তহশীল অফিস থেকে সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট মনে বাড়ি ফিরতে পারবেন, সেদিনই বলা যাবেÑতহশীল অফিস আর কান্নার আতুরঘর নয়; এটি সত্যিকার অর্থে জনগণের সেবার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। তখনই ভূমি প্রশাসনের প্রতি মানুষের হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ফিরে আসবে, আর রাষ্ট্রও তার নাগরিকের আরও কাছে পৌঁছে যাবে।

লেখক: সাংবাদিক

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাণসায়র খাল রক্ষায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন

সংবাদদাতা: পরিবেশ সংরক্ষণ, ঐতিহ্যবাহী জলাশয় রক্ষা এবং নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণসায়র খালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এবং সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

সাইনবোর্ডগুলোতে খাল, জলাশয় ও উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ও প্লাস্টিক না ফেলা, পরিবেশ দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্ন নগর গঠন এবং পরিবেশবান্ধব নাগরিক আচরণ গড়ে তোলার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা ও নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রাণসায়র খাল সাতক্ষীরা শহরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত সম্পদ এবং এই শহরের ফুসফুস। এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে জনসচেতনতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কেবল একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সাতক্ষীরা শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

সাইনবোর্ড স্থাপন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর মাহাফুজুর রহমান মুকুল, পরিবেশকর্মী অনিমেষ পাল এবং রুহিতোষ কুমার দাশ, প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল ও প্রচার সম্পাদক মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন প্রমুখ।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার সাধারণ জনগণের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয় খাল, নদী, নালা বা কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের পচনশীল বা অপচনশীল বর্জ্য ফেলবেন না। একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল-ইউজ) প্লাস্টিকের ব্যবহার বর্জন করুন। পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তুলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

 

 

 

 

লিডার্স এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
লিডার্স এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

শনিবার বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন লিডার্সের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলাম
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লিডার্সের নির্বাহী পরিচালক ও সম্পাদক মোহন কুমার মন্ডল।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত লিডার্সএর সাধারণ পরিষদের সদস্য রনজিৎ কুমার বর্মন, বিধু¯্রবা মন্ডল, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আমিনা বিলকিস, লিপিকা রায়, জি এম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা লিডার্স এর জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা, প্রান্তিক মানুষদের উন্নয়নে লিডার্সের অবদান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, কৃষি উন্নয়ন, বনায়ন ও বন সংরক্ষণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে লিডার্সের কার্যকরী ভূমিকা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এছাড়া বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন অনুমোদন, ২০২৫-২০২৬ ও ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের অডিটর নিয়োগ, ২০২৬-২০২৭ সালের বাজেট অনুমোদন ও অন্যান্য অনেক বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

সাংবাদিক আবু সাঈদ এর পক্ষ থেকে ফুটবল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক আবু সাঈদ এর পক্ষ থেকে ফুটবল বিতরণ

সংবাদদাতা: সাংবাদিক আবু সাঈদ এর পক্ষ থেকে ফুটবল খেলোয়াদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়েছে। মাদক না বলি, জীবনকে ভালোবাসি এবং খেলাধূলাকে হ্যা বলি এই প্রতিবাদ্যকে সামনেই রেখে এই আয়োজন বরা হয়।

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উত্তর দেবনগরে শনিবার বিকালে ক্রীড়ামোদীদের মাঝে এই ফুটবল বিতরণ করেন, সাংবাদিক আবু সাঈদ। ফুটবল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন মসজিদের ইমাম হাফেজ আবু হাসান, আরশাদ আলী, জনি প্রমূখ।