শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

তালায় মৎস্য ঘেরে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
তালায় মৎস্য ঘেরে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় মৎস্য ঘেরের বাসা ভাঙচুর, লুটপাট, হত্যার হুমকি ও চরম নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে তালা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে তালা প্রেস ক্লাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের তালা সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য নজরুল ইসলাম মোড়ল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের কোলাজবিলে অবস্থিত তার মৎস্য ঘেরে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এ সময় ঘেরের বাসা ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। তার ছেলে শামিম মোড়লকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা করা হলে সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। দুর্বৃত্তরা ঘরের বাক্স ভেঙে মাছ বিক্রির ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন।

নজরুল ইসলাম মোড়ল আরও বলেন, তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নিজস্ব ও লিজ নেওয়া জমিতে মাছ চাষ করে আসছেন। তার অভিযোগ, ডুমুরিয়া উপজেলার আরশনগর গ্রামের মকবুল সরদারের ছেলে মোফাজ্জেল সরদার অবৈধভাবে সরকারি জায়গায় বসবাস করে এবং নিয়মিত তার ঘেরসহ আশপাশের ঘের থেকে মাছ চুরি করে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন রাতে তিনি বাড়িতে থাকলেও তার ছেলে শামিম ঘেরে অবস্থান করছিল। ভোর রাতে মোফাজ্জেল সরদার, তার ছেলে দেলোয়ার, মিজানুরসহ ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘেরের বাসায় গিয়ে দরজা খুলতে বলে। দরজা খোলার পর নজরুলকে না পেয়ে তারা শামিমকে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরে শামিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পার্শ্ববর্তী ঘের মালিক আব্দুর রহমান ও আসমত খাঁ জানান, শামিমের চিৎকারে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, মোফাজ্জেল সরদার ও তার সহযোগীরা দা ও ছুরি হাতে এলাকা ত্যাগ করছে এবং নজরুল ইসলামকে যেখানে পাবে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিচ্ছে।

এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম মোড়ল ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

 

 

Ads small one

মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাত শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সংবর্ধিতরা হলেন—জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্বাস উদ্দীন, ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কনিকা দত্ত, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম. আলাউদ্দীন, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রঞ্জিতা মন্ডল, প্রধান হিসাব সহকারী মো. আব্দুল আজিজ এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হাসেম আলী ও আব্দুল মোতালেব।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে ফুলের তোড়া, সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহারসামগ্রী তুলে দেন।
ইসলামী শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহিববুল্লাহর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ বাবুল আকতার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।