বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

তিন দশকেও নগর হলো না পূর্বাচল, বন্দি মধ্যবিত্তের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
তিন দশকেও নগর হলো না পূর্বাচল, বন্দি মধ্যবিত্তের স্বপ্ন

রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ কমিয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় আগে পরিকল্পিত নগর গড়ার স্বপ্নে শুরু হয়েছিল পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প। জীবনের সব সঞ্চয় বিনিয়োগ করে হাজার হাজার মানুষ প্লট নিলেও আজও সেখানে গড়ে ওঠেনি প্রত্যাশিত নগরজীবন। যে জায়গায় এতোদিন বসবাসের কথা ছিলো সেখানে নির্মাণ হয়েছে মাত্র কিছু বাড়ি। বাকি জায়গায় এখনো চলছে চাষাবাদ। রাতের অন্ধকারে সড়কবাতির অভাবে পুরো এলাকা নির্জন হয়ে যায়।
সম্প্রতি প্রশাসনিক সীমানা বদলে পূর্বাচলকে ঢাকা জেলা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনকে অনেকেই নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছেন। তবে বাস্তবতা বলছে, শুধু কাগজে সীমানা বদলালেই তিন দশকের জমে থাকা সমস্যা কেটে যাবে না।

১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া রাজউকের এই প্রকল্প ছিলো রাজধানীর ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমিয়ে একটি পরিকল্পিত, স্বয়ংসম্পূর্ণ উপনগরী গড়ে তোলা। ৬ হাজার ১৫০ একর জমিতে ৩০টি সেক্টরে প্রায় ২৬ হাজার আবাসিক প্লট ও লক্ষাধিক অ্যাপার্টমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু নির্ধারিত সময় ২০১৩ সাল পেরিয়ে গেলেও আজও প্রকল্প পূর্ণতা পায়নি এই প্রকল্প। ভূমি উন্নয়ন ও কিছু সড়ক নির্মাণে অগ্রগতি হলেও নাগরিক সুবিধার অভাব আজও প্রকট। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্যাস সংযোগ, নিয়মিত বাজার ও পর্যাপ্ত যানবাহন নেই বললেই চলে। ফলে প্লট হস্তান্তরের সংখ্যা ২১ হাজারের ঘর ছুঁলেও নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে মাত্র তিন শতাধিক প্লটে।

জহিরুল ইসলাম ২০০৯ সালে প্লট বরাদ্দ পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাজউক যেসব সুবিধার কথা বলেছিল- স্কুল-কলেজ, সড়কবাতি, নিরাপত্তা- সেগুলোর অভাবে বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছেন। প্ল্যান পাশের সময় তিন বছরের মেয়াদ দেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সুবিধা ছাড়াই নির্মাণ শুরু করেছেন। শাহজাহান মিয়ার অবস্থাও একই রকম। ২০১৪ সালে বরাদ্দ পেয়েও তিনি এখনো জায়গা ফাঁকা রেখেছেন। পানি-বিদ্যুৎ কিছুটা থাকলেও সড়কবাতি ও নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি বানানোর সাহস পাচ্ছেন না। মালিকরা জানান, এখানে গ্যাস নেই, বাজার নেই, নিয়মিত যানবাহন নেই। সীমানা প্রাচীর না থাকায় অনেক প্লটে স্থানীয়রা চাষাবাদ করছেন। তিন জেলার সীমানা বিরোধ ও রাজউকের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ফাইল আটকে থাকায় হয়রানির শিকার হতে হয় প্রায় প্রতিদিন।

এই অচলাবস্থা কাটাতে সম্প্রতি বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এসেছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে পূর্বাচলকে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের অংশ থেকে ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ডিএমপি ও ঢাকা ওয়াসার আওতায় আনা হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে রাজউকের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শিগগিরই প্রশাসনিক ভবন ও জোনাল অফিস স্থাপন করা হবে। কাজ শুরু হলে প্লট মালিকরা নিজ উদ্যোগে নির্মাণে এগিয়ে আসবেন এবং প্রয়োজনে সময়সীমা নির্ধারণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

 

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, পূর্বাচলকে দ্রুত বাসযোগ্য করতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শুধু অবকাঠামো নয়, প্লট মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় চালিয়ে তাদের সমস্যা শোনা হচ্ছে। ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। নতুন করে প্রায় ৮ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এতে সড়ক সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ, মার্কেট, খেলার মাঠ ও অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং পুলিশের বড় অবকাঠামো গড়ার পরিকল্পনাও চলছে। চারটি থানা, ছয়টি তদন্ত কেন্দ্র ও হাজার হাজার পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ নীতির বিপরীতে আমরা হাঁটছি। পূর্বাচলকে ঢাকার সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা আরও বড় করা হচ্ছে। এতে ঢাকামুখিতা কমবে না বরং বাড়বে। যদি আলাদা সিটি করপোরেশন বা নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে রাখা হতো তাহলে ভিন্ন কেন্দ্র গড়ে উঠত। কাগজে সীমানা বদলালেও মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও সেবা সমন্বয় না হলে মূল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে পারে।

ঢাকার আবাসন সংকট সমাধানে যে প্রকল্পকে আদর্শ ভাবা হয়েছিল, তা এখন নিজেই সংকটের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ কমানোর যে বড় লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল তা পূরণ করতে হলে এখনই সমন্বিত ও স্বচ্ছ উদ্যোগ দরকার। অন্যথায় এই বিশাল এলাকা আধুনিক নগরীর বদলে মধ্যবিত্তের স্বপ্ন আরও কয়েক বছর বন্দি থাকবে।

Ads small one

অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

মীর মোস্তফা আলী: প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চিংড়ি ঘেরের আইল ও পতিত জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে অসময়ের বা বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ। সবজির পাশাপাশি এখন ক্ষেতজুড়ে শোভা পাচ্ছে বাংলালিংক ও আকর্ষণীয় হলুদ জাতের তরমুজ। চলতি মৌসুমে জেলার ১০৮ হেক্টর জমিতে এই তরমুজের সফল আবাদ হয়েছে।
উপকূলীয় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলাতেই এখন ঝুলছে মিষ্টি ও রসালো এই ফল। বিশেষ করে তালা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় বাংলালিংক ও হলুদ তরমুজের ফলন বেশি হয়েছে।
তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২৮ জন কৃষক বেসরকারি সংস্থা ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ ও পিকেএসএফের সহযোগিতায় ২১ বিঘা জমিতে প্রথম এই হলুদ তরমুজের আবাদ শুরু করেন। মাত্র ৬৫ দিনে ফলন আসায় অল্প খরচে অধিক মুনাফা পাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার কৃষক ইকবাল, শিপন ও হান্নান জানান, জমি প্রস্তুত, সার, মালচিং পেপার, মাচা ও জাল বাবদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও এই ফল বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। অল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় একই জমিতে বছরে দুইবার তরমুজ চাষ করা সম্ভব।
উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেনের মতে, সাতক্ষীরার মাটি অসময়ের তরমুজ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। চাকরির পেছনে না ঘুরে শিক্ষিত তরুণরা কৃষি উদ্যোগে যুক্ত হলে নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বড় অবদান রাখতে পারবেন।

বইয়ের বিকল্প কেবল বই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বইয়ের বিকল্প কেবল বই

 

‎তারিক ইসলাম
‎সভ্যতার সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মানবজাতির জ্ঞানচর্চা, মননশীলতা এবং উৎকর্ষ সাধনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বাহন হলো বই। প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল মাধ্যমের অভূতপূর্ব বিপ্লবের যুগে আজ চারদিকে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দানা বাঁধছে—ডিজিটাল স্ক্রিন, ই-বুক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সময়েও কি বইয়ের আবেদন অপরিবর্তিত থাকবে? নাকি এর কোনো বিকল্প চলে এসেছে? গভীর ও সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করলে একটি সত্যই সামনে ভেসে ওঠে—তা হলো, বইয়ের বিকল্প কেবল আরেকটি বই-ই হতে পারে, অন্য কিছু নয়।
‎আজকের দিনে তথ্য প্রাপ্তির পথ অত্যন্ত সহজলভ্য। ইন্টারনেটের এক ক্লিকেই হাজারো তথ্য, নিবন্ধ ও সারসংক্ষেপ চোখের সামনে চলে আসে। কিন্তু তথ্য আর জ্ঞান এক জিনিস নয়। তথ্য আমাদের সাময়িক কৌতূহল মেটায় বা কাজের সুবিধা করে দেয়, আর জ্ঞান আমাদের ভেতরটাকে সমৃদ্ধ করে, চিন্তাশক্তিকে শাণিত করে এবং জীবনদর্শনের ভিত্তি গড়ে দেয়। এই পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানলাভের একমাত্র এবং প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া। একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের পাতায় পাতার সঙ্গে যখন একজন পাঠকের চোখ ও মনের সংযোগ ঘটে, তখন সেখানে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা শুরু হয়, যা কোনো টুকরো তথ্য বা ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষণস্থায়ী স্ক্রোলিংয়ে পাওয়া অসম্ভব।
‎বই পড়ার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গভীর ও ইন্দ্রিয়গ্রাহী। কাগজের ঘ্রাণ, পাতা উল্টানোর শব্দ এবং একটি আস্ত কাহিনীর ভেতরে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি কেবল একটি বস্তুগত বইই দিতে পারে। এর বিপরীতে, ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ার সময় মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেশি থাকে। নোটিফিকেশন, পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা ইন্টারনেটের নানা প্রলোভন পাঠকের মনোযোগকে বারবার ছিন্ন করে। ফলে লেখকের মূল ভাবনার গভীরে পৌঁছানো বা তার সাথে মানসিক ঐক্য স্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বই আমাদের এক ধরনের একাগ্রতা শেখায়, যা আজকের দ্রুতগতির বিক্ষিপ্ত যুগে বড় বেশি দুর্লভ।
‎অনেকে মনে করেন, ই-বুক বা অডিওবুক বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নিঃসন্দেহে এগুলো প্রযুক্তির চমৎকার উপহার এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু এগুলোকে বইয়ের পরিপূরক বলা চলে, বিকল্প নয়। অডিওবুক শোনার সময় আমাদের কল্পনাশক্তির ওপর শ্রোতা হিসেবে একধরনের সীমাবদ্বতা তৈরি হয়, কারণ কথক বা কণ্ঠশিল্পীর উচ্চারণের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। অথচ নিজে বই পড়ার সময় পাঠক নিজেই তার কল্পনার রঙে চরিত্র ও দৃশ্যপটকে জীবন্ত করে তোলেন। বই পড়ার এই সৃজনশীল প্রক্রিয়াটি একান্তই পাঠকের নিজস্ব।
‎সবশেষে বলা যায়, সমাজ পরিবর্তনশীল, প্রযুক্তির রূপ বদলায়, বিনোদনের মাধ্যমও নতুন থেকে নতুনতর হয়; কিন্তু মানুষের মননশীলতার খোরাক জোগাতে বইয়ের আসন চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। একটি ভালো বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু, সুসময়ের আনন্দ এবং দুর্দিনের সান্ত¡না। তাই যত আধুনিকতাই আসুক না কেন, মানুষের বিবেক, বুদ্ধি ও আবেগের সঠিক বিকাশ ঘটাতে বইয়ের স্থান কেউ দখল করতে পারবে না। বইয়ের বিকল্প কেবল বই-ই। লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষে কলারোয়ায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়ার মরহুম ডাক্তার আনিসুর রহমান ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু নসরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. দ্বীন আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ গোলাম মোস্তফা। উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইউনুস আলী, শাহীনুর রহমান ও আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।