শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

দেবহাটা ঈদগাহ বাজারে ‘ভারসাম্যহীন’ অজ্ঞাত মহিলার মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটা ঈদগাহ বাজারে ‘ভারসাম্যহীন’ অজ্ঞাত মহিলার মৃত্যু

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ঈদগাহ বাজার এলাকায় এক অজ্ঞাত ‘ভারসাম্যহীন’ (মানসিকভাবে অসুস্থ) মহিলার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার (৫ মে) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে ঈদগাহ বাজারসহ আশপাশ এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে অবস্থান করতেন। তাকে প্রায়ই বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে দেখা যেত। ভোরে স্থানীয়রা তাকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

Ads small one

পিআইবির মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই প্রশিক্ষণ: সময়ের এক জরুরি পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
পিআইবির মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই প্রশিক্ষণ: সময়ের এক জরুরি পদক্ষেপ

আজহারুল ইসলাম সাদী

প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উৎকর্ষের এই যুগে সংবাদমাধ্যমের কাজের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও গুজবের ভিড়ে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা এখন সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। এমন এক প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী চলমান ‘মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

প্রযুক্তির এই সময়ে শুধু প্রথাগত সাংবাদিকতার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকা কঠিন। সময়ের দাবি মেনে পিআইবির এই আয়োজনে মূলত আধুনিক সাংবাদিকতার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গÑমাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেকিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

আজকের দিনে ‘মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা’ হলো সংবাদ পরিবেশনের এমন এক সমন্বিত রূপ, যেখানে লেখার পাশাপাশি ছবি, ইনফোগ্রাফিক্স, অডিও ও ভিডিওর মতো একাধিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে সংবাদকে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা হয়। একজন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকের কাজ শুধু মাঠ থেকে তথ্য আনা নয়, বরং অডিও-ভিডিও এডিটিং ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করা।
একইভাবে, যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই বা ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ এখন সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাঁচা তথ্য সংগ্রহ করার পর তা অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর কি না, তা যাচাই-বাছাই এবং বিশ্লেষণ শেষে জনবান্ধব সংবাদ হিসেবে রূপান্তর করার সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়াই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা।

অন্যদিকে, সংবাদকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর প্রবেশ ঘটছে দ্রুত গতিতে। তথ্য অনুসন্ধান, বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ, কনটেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা থেকে শুরু করে ছবির সত্যতা যাচাই—সবখানেই এখন এআই টুলের ব্যবহার বাড়ছে। তবে এআই যেমন কাজকে সহজ করেছে, তেমনি এর অপব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি ‘ডিপফেক’ বা ভুয়া তথ্যের বিস্তার বিশ্বজুড়ে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে। ফলে সাংবাদিকতায় এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিক মানদ- ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার বিষয়টিও এই প্রশিক্ষণে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২৩ থেকে ২৫ জুন সাতক্ষীরা জেলায় তিন দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলার ৭০ জন সাংবাদিক অংশ নেন। এই আয়োজনে সাংবাদিকদের আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন কৌশলের ওপর বাস্তবমুখী ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

কর্মশালাটিতে প্রশিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চ্যানেল ২৪-এর অনুষ্ঠান পরিচালক ও উপস্থাপক (আরটিভি ও একুশে টেলিভিশনের সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার) মো. জুলহাস কবীর, পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, ‘হুম বাংলাদেশ’-এর ফ্যাক্ট চেকার ও এআই বিশেষজ্ঞ আলী আকবর (তাওসিফ আকবর) এবং দৈনিক ইত্তেফাকের রাজনৈতিক ও নির্বাচনবিষয়ক সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান।

তিন দিনের এই সফল প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
ডিজিটাল মাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখতে পিআইবির এই সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগতভাবে আরও সমৃদ্ধ ও সচেতন করে তুলবেÑএটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট

ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপেই নবজাতকের জন্ম

চারদিকে ধ্বংসস্তূপ, স্বজন হারানোর আহাজারি আর উদ্ধারকর্মীদের মরিয়া ছুটে চলা। এমন ভয়াবহ এক দুর্যোগের মধ্যেই জন্ম নিয়েছে এক নবজাতক। শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় শোকের আবহে এই শিশুর জন্ম যেন এক টুকরো আশার আলো।
এদিকে জোড়া ভূমিকম্পের কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও থামেনি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিত মানুষের সন্ধানে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন দেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মীরা। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে নিহতের সংখ্যা। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনেরও বেশি, আর এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট ও রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকার ধ্বংসস্তূপের পাশে আশ্রয় নেওয়া এক অন্তঃসত্ত্বা নারী একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

উদ্ধারকর্মীরা জানান, চারদিকে যখন ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছিল, ঠিক সেই সময় নবজাতকের প্রথম কান্না উপস্থিত সবার চোখে জল এনে দেয়। অনেকেই শিশুটিকে দুর্যোগের মধ্যেও জীবনের জয়ের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই নবজাতকটিকে ‘আশার প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। উদ্ধারকর্মীরাও বলেছেন, এমন একটি মুহূর্ত তাদের ক্লান্তি কিছুটা হলেও ভুলিয়ে দিয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় কয়েকদিন আগে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৩৬০ জনের বেশি এবং এখনও ১৭২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করতে ইতোমধ্যে এক হাজার ৬০০ জনের বেশি-বিদেশি উদ্ধারকর্মী ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭টি উদ্ধারকারী ফ্লাইট দেশটিতে অবতরণ করেছে এবং আরও কয়েকটি ফ্লাইট পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাস ও উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। বহু বহুতল ভবন, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজারো পরিবার রাতারাতি হারিয়েছে তাদের স্বজন, ঘর-বাড়ি এবং জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ।

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে এলেও তারা আশা ছাড়ছেন না। ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি ইট-পাথর সরিয়ে জীবনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায় কিনা, সেই চেষ্টা চলছে অবিরাম।

একদিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে আসছে নিথর দেহ, অন্যদিকে একই ধ্বংসস্তূপের পাশে জন্ম নেওয়া একটি নবজাতক মনে করিয়ে দিচ্ছে—সব হারিয়েও জীবন থেমে থাকে না। ভেনেজুয়েলা এখন শোক, বেদনা ও আশার এক কঠিন অধ্যায় অতিক্রম করছে।

পাটের সোনালি সুদিন ও সম্ভবনার নতুন দিগন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
পাটের সোনালি সুদিন ও সম্ভবনার নতুন দিগন্ত

এম শফিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবেশবান্ধব হিসেবে পাটের চাহিদা পুনরায় সৃষ্টি হওয়ার বাংলাদেশের সোনালি আঁশে দেখা দিয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। আন্তর্জাতিক বাজারে বর্ধিত চাহিদার পাশাপাশি বাংলাদেশের তরুণ বিঙ্গানিগন কর্তৃক পাটের ও ছাত্রকের জীবন রহস্য উন্মোচনের ঘটনা দেশে নতুন করে পাট উৎপাদনে বিপ্লবের সূচনা করতে পারে। আর এ উৎপাদন ব্যবস্থার বিপ্লব পাট শিল্পের উৎকর্ষের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাখতে পারে অনন্য অবদান। বর্তমানে দেশে ও বিদেশে বর্ধিত চাহিদার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যেই বেড়েছে বাংলাদেশের পাট রপ্তানি ও রপ্তানি আয়।

 

বাংলাদেশের সুপিরিয়র পাট সহজলভ্য হওয়ায় বিশ্ববাজারে উচ্চ মূল্য সংযোজন মূল্য প্রতিযোগিতায় ও পাটপণ্য ভালো অবস্থায় রয়েছে। তাই পাট ও পাট পন্যের এ সম্ভাবনার নতুন দিগন্তকে পুঁজি করে দেশের পাটখাতকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের শ্রেষ্ঠ উপায় বিবেচনায় সরকারিভাবে এক খাতের উন্নয়নে নেওয়া দরকার নানা পদক্ষেপ। বিজ্ঞানীদের দ্বারা পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার কেবল সম্ভবনার আর একটি দ্বারই খুলে দেয়নি, তা বাংলাদেশীদের অসাধ্য সাধনের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে।

 

পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং বাংলাদেশ বিশ্বে পাট ও পাটজাত পণ্য সামগ্রী রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ। তথাপি এদেশের পাটের উৎপাদন ব্যবস্থা ও পাট শিল্প আজও নানার সমস্যায় জর্জরিত। এই শিল্পের রুগ্নতা একটি পুরাতন ব্যাধি। পাট খেতে বিদ্যমান প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে পাটকলের পর্যাপ্ত মূলধন সমস্যা, প্লাস্টিক পণ্যের অবাধ ব্যবহার, ভালোমানের পাট বীজের অভাব, পাট শিল্পে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক এর অভাব, পাট ও পাঠ পর্ণের নি¤œমূল্য, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও এর ফলে বিপর্যয়, পাট খাতে প্রযুক্তিগত সুবিধা না থাকা ইত্যাদি।

 

পাট শিল্প সমূহের দুর্বলতার ও সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি পাট উৎপাদন ব্যবস্থাও অনেক সমস্যার সম্কুল অবস্থায় রয়েছে। অতিরিক্ত খরা, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে সেচের সমস্যা, ধান ও অন্যান্য ফসল অধিক উৎপাদনের চাপ, সার ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধি, পাটের মূল্য হ্রাস, কৃষকের নায্য মূল্য না পাওয়া, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব একসময়ের সোনালী আঁশ পাটকে আজ কৃষকের গলার ফাঁসে পরিণত করেছে।

 

এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তন্ত জাতীয় দ্রব্যের যোগান যেমনি বেড়েছে তেমনি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক জটিলতা, উন্নত যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাব প্রভৃতি কারণে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে। এসবের প্রতিকূল প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ব্যবস্থার উপর এবং সর্বোপরি এদেশের অর্থনীতির উপর। এসব সমস্যার সাথে যুক্ত হয়েছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের অদক্ষতা, পরিচালনাগত অদূরদর্শিতা, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, দুর্নীতি ইত্যাদি। মোটকথা বাংলাদেশের পাট শিল্প আজ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক সব দিক থেকে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।