শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পটগানে সচেতনতা: সাতক্ষীরায় বর্জ্য ও স্যানিটেশন নিয়ে ব্যতিক্রমী প্রচার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
পটগানে সচেতনতা: সাতক্ষীরায় বর্জ্য ও স্যানিটেশন নিয়ে ব্যতিক্রমী প্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লোকসংস্কৃতির চিরচেনা অনুষঙ্গ পটগান ও পটচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কুলিয়া মন্দির প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আনন্দ’-এর উদ্যোগে এবং জার্মানিভিত্তিক বিএমজেড ও ওয়েল্থহাঙ্গারহিলফে-এর অর্থায়নে এই সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আনন্দ-এর প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা রুমন বড়ুয়া। তিনি বলেন, প্রচলিত প্রচারণার চেয়ে সাংস্কৃতিক মাধ্যমের আবেদন অনেক বেশি। ছবি আর গানের মাধ্যমে অতি সহজে সাধারণ মানুষের কাছে এই জরুরি বার্তাগুলো পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

Ads small one

শাকিরার জাদুতে মাতল অ্যাজটেকা: ঐতিহ্যের ক্যানভাসে বিশ্বকাপের বর্ণিল সাংস্কৃতিক মহোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
শাকিরার জাদুতে মাতল অ্যাজটেকা: ঐতিহ্যের ক্যানভাসে বিশ্বকাপের বর্ণিল সাংস্কৃতিক মহোৎসব

মেক্সিকো সিটির আকাশ তখন উৎসবের আলোয় রঙিন। ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। ফুটবল বিশ্বের চোখ তখন মেক্সিকোতে। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দা উঠল ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। তবে প্রথম বাঁশি বাজার আগের ৯০ মিনিট ফুটবলপ্রেমীরা ডুবে রইলেন এক অনন্য সাংস্কৃতিক মহোৎসবে, যেখানে ল্যাটিন ঐতিহ্য, আদিবাসী সংস্কৃতি এবং আধুনিক পপ মিউজিকের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন দেখল বিশ্ব।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম তিনটি ভিন্ন দেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে, যার প্রথমটি সম্পন্ন হলো মেক্সিকোতে। আর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেবল একটি কনসার্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকার সংস্কৃতির এক বিশাল প্রদর্শনী হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

 

আদিবাসী ঐতিহ্যের নান্দনিকতা ও ‘পাপেল পিকাডো’র জাদু
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই গ্যালারি ও মাঠজুড়ে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প ‘পাপেল পিকাডো’ (কাগজ কেটে তৈরি বিশেষ নকশা)-এর আদলে তৈরি চোখধাঁধানো ভিজ্যুয়াল ফুটিয়ে তোলা হয়। মেক্সিকোর নিজস্ব সাংস্কৃতিক শেকড়কে সম্মান জানাতে মঞ্চে হাজির হন দেশটির আদিবাসী পারফর্মাররা। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে তাদের লোকনৃত্য এবং সমসাময়িক ফোকলোর অ্যাক্টের নান্দনিক কোরিওগ্রাফি পুরো স্টেডিয়ামকে এক মায়াবী আবহে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বর্ণিল পোশাক আর প্রযুক্তিনির্ভর থ্রিডি মঞ্চসজ্জা উদ্বোধনী আয়োজনের নান্দনিকতাকে নিয়ে যায় এক ভিন্ন উচ্চতায়।

 

মঞ্চ মাতালেন শাকিরা-বার্না বয়: প্রথমবার লাইভে ‘দাই দাই’
বিশ্বকাপের মঞ্চ আর কলম্বিয়ান পপ কুইন শাকিরা—এই দুটি নাম যেন একে অপরের পরিপূরক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণই ছিল এই পপ তারকার উপস্থিতি। মঞ্চে তার নাম ঘোষণা হতেই গ্যালারিতে রীতিকতো করতালির ঝড় ওঠে। নাইজেরিয়ান সুপারস্টার বার্না বয়ের সাথে মঞ্চে এসে শাকিরা পরিবেশন করেন ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যান্থেম বা থিম সং ‘দাই দাই’ । এই প্রথম গানটি কোনো লাইভ মঞ্চে পরিবেশন করলেন এই দুই গ্লোবাল আইকন। আফ্রোবিট আর ল্যাটিন পপের এই অনবদ্য ফিউশন দর্শকদের নাচতে বাধ্য করে।

 

ল্যাটিন ও মেক্সিকান তারকাদের মেলা
শুধু শাকিরা বা বার্না বয়-ই নন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে রঙিন করতে মেক্সিকোর ঘরের তারকা এবং বিশ্বখ্যাত ল্যাটিন শিল্পীদের এক বিশাল লাইনআপ জড়ো করেছিল ফিফা। কলম্বিয়ান তারকা জে বালভিন মঞ্চে ঝড় তোলেন তার জনপ্রিয় ট্র্যাকগুলো দিয়ে। বিশেষ করে তরুণদের ক্রেজ রায়ান কাস্ত্রো মঞ্চে এসে জে বালভিনের সাথে এক যুগল পরিবেশনায় মেতে ওঠেন।

মেক্সিকোর নিজস্ব সঙ্গীত ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে মঞ্চে আসেন গ্র্যামি জয়ী কিংবদন্তি পপ-রক ব্যান্ড ‘মানাঁ’। এছাড়া বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান, লিলা ডাউনস এবং লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলসের মতো জনপ্রিয় মেক্সিকান ও ল্যাটিন শিল্পীদের একের পর এক পরিবেশনা অনুষ্ঠানটিকে একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ দেয়।

আবেগঘন জাতীয় সঙ্গীত ও সালমা হায়েকের উপস্থিতি
সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্তটি তৈরি হয় যখন মেক্সিকোর অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ স্বদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অন্যদিকে উদ্বোধনী ম্যাচের অপর দল দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে শোনান দক্ষিণ আফ্রিকান তরুণ সেনসেশন টাইলা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এই বিশাল আয়োজনে বিশেষ অতিথি ও ফিফা বিশ্বকাপের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মেক্সিকান-আমেরিকান একাডেমি অ্যাওয়ার্ড মনোনীত বিখ্যাত অভিনেত্রী ও পরিচালক সালমা হায়েক পিনল্ট। তিনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবল ভক্তকে মেক্সিকোর মাটিতে স্বাগত জানান এবং ফুটবলের একতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।

বিশ্বরেকর্ড ও তিন দেশের ত্রয়ী আয়োজন
মেক্সিকোর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইতিহাস গড়ে ফেলল অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম। বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের (১৯৭০, ১৯৮৬ এবং ২০২৬) উদ্বোধনী ম্যাচ বা অনুষ্ঠান আয়োজনের অনন্য কীর্তি গড়ল পেলে-ম্যারাডোনার স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক মাঠ।

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই আয়োজনকে ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ শো’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। মেক্সিকোর এই বর্ণিল সাংস্কৃতিক যজ্ঞের পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী রেশ ছড়াবে কানাডার টরন্টো এবং যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। যেখানে মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং কেটি পেরির মতো তারকারা নিজ নিজ দেশের সংস্কৃতির ডালি নিয়ে হাজির হবেন। তবে প্রথম রাতটি যে শাকিরা, বার্না বয় এবং মেক্সিকোর চোখধাঁধানো লোকজ সংস্কৃতির ছোঁয়ায় ফুটবল ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে রইল, তা বলাই বাহুল্য।

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

অনলাইন ডেস্ক: দুর্বৃত্তের গুলিতে রফিক গাজী নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর লবণচরা থানাধীন মাথাভাঙ্গা কাজী পাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যবসায়ী ওই এলাকার রতন গাজীর ছেলে।

 

রফিক গাজীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মোশারেফ হোসেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত রফিক দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে একটি দোকানে বসা ছিল। এ সময়ে হেলমেট পরিহিত অবস্থায় এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে তাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। এর মধ্যে একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায়। বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা আরও জানায়, সন্ত্রাস দমনে খুলনায় চলেছে যৌথ অভিযান। তার মধ্যে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র বহন করে দিনে দুপুরে বাড়ির সামনে গুলি করে নির্বিচারে মানুষকে হত্যা করছে। এটা কি অভিযান না অন্য কিছু!

 

লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। ঘটনাস্থলের আশপাশের সব দোকান বন্ধ। হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে চাইছে না। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শ্যামনগরে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিপির আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও সেরা শিক্ষক,শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জি এম নজরুল ইসলাম।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপাধ্যক্ষ নাজিম উদ্দীন, জেলা বিএনপির সদস্য মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ, জেলা বিএনপির সদস্য জি এম সোলায়মান কবীর।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিনা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নূর মোহাম্মদ তেজারত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার, অধ্যক্ষ আজিয়ার রহমান, প্রধান শিক্ষক হারুনর রশিদ, প্রভাষক রাফজান জানি, শিক্ষক রনজিৎ কুমার বর্মন সহ শিক্ষক, শিক্ষর্থী, সাংবাদিক, অভিভাবক ও অন্যান্য পেশাজীবিরা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতায় উপজেলার নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জোবেদা সোহরাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নুরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন, কলবাড়ী নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভূরুলিয়া সিরাজপুর স্কুল এন্ড কলেজ, আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল এন্ড কলেজ, শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজ, শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়, জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষ্মী কাদেরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসাসহ মোট ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনকৃত প্রজেক্ট উপস্থাপন করেন।

 

প্রতিযোগিতায় প্রথম নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২য় ভূরুলিয়া সিরাজপুর স্কুল এন্ড কলেজ ও তৃতীয় বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন প্রতিষ্ঠান পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উপস্থাপনকৃত প্রজেক্টের মধ্যে ছিল বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বায়ু দূষণ বিশুদ্ধ করণ, লবন পানি শোধন করে মিষ্টি পানি তৈরী, স্মাট কৃষি প্রযুক্তিসহ অন্যান্য প্রজেক্ট।

মেলায় অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকব্রন্দ বলেন এধরনের মেলা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান মনস্ক করে গড়ে তুলতে সাহায্যে করবে।