বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দেবহাটায় শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে চুরির মামলার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে চুরির মামলার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে

দেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চুরির মামলায় কারগারে পাঠানোসহ তিনজন এর বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আশাশুনি থানার বাশিরামপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ তরফদারের স্ত্রী জোহরা খাতুন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমরা অতিশয় দরিদ্র। আমাদের নিজস্ব কোন সম্পত্তি না থাকায় খালের ধারে খাস জমিতে অতিকষ্টে বসবাস করে আসছি। সংসার পরিচালনার জন্য আমার স্বামীসহ তার অন্য ভাইয়েরা দেশের বিভিন্ন স্থানের ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। সংসার চালাতে আমিসহ আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়িও শ্রমিকের কাজ করে।

 

সম্প্রতি আমার স্বামী ঋণ করে একটি পুরাতন মোটর সাইকেল ক্রয় করেছেন। গত ১০ জুন ২৬ তারিখে ওই পুরাতন মোটরসাইকেল নিয়ে স্বামী পুটিমারী বাজারে গিয়েছিল। বাজার থেকে ফেরার পথে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা দেবহাটার রঘুনাথপুর (টিকেট) গ্রামের মৃত আমানত মিস্ত্রির পুত্র কহিনুর আলমসহ কয়েকজন আমার স্বামী আব্দুস সামাদের গতিরোধ করে। তার উপর অতর্কিত হামলা করে তাদের কাছে থাকা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে।

 

খবর পেয়ে আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়ী আয়েশা খাতুন এগিয়ে গেলে তার কোমরে লাথি মেতে গুরুতর আহত করে। এছাড়া সাথে থাকা মোটরসাইকেলটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। পরে ওই মোটরসাইকেল এবং স্বামীর কাছে থাকা নগদ ৭ হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এরপর দেবহাটা থানার এসআই বেলায়েত হোসেনকে ডেকে নিয়ে আমার স্বামী আব্দুস সামাদকে তুলে দেয়।

 

পরে ওই দারগাকে ম্যানেজ করে আমার স্বামীসহ তার তিন ভাই আরিফুল ইসলাম, খায়রুল এবং প্রতিবেশী এবাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কহিনুর আলম একটি ভ্যান চুরির মামলা দায়ের করে। সে সময় দারগা বেলায়েত হোসেন আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমার স্বামীকে ইয়াবা বড়িসহ চালান দেওয়ার হুমকিও প্রদর্শন করে। উপায়ন্তর হয়ে ধার দেনা করে নগদ ১৪ হাজার টাকা প্রদান করি দারগা বেলায়েত হোসেনের কাছে। এরপরও বাকী টাকা বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করে আসছে এস আই বেলায়েত।

 

এছাড়া আমাদের উচ্ছেদ করে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও প্রদর্শন করে যাচ্ছে তারা। তিনি আরো বলেন, আমরা দরিদ্র পরিবারের হলেও কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করি। সংসার পরিচালনা করতে স্বামীর পাশাপাশি নিজেও কাজ করি এমন কি আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়ীও শ্রমিকের কাজ করে। আমার স্বামী, তার ভাইয়েরা এবং প্রতিবেশী ইবাদুলের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে কখনো চুরি বা কোন ধরনের কোন অভিযোগ নেই। সকলেই শ্রমজীবী। অথচ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে শায়েস্তা করতেই পুলিশের ওই অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোজসাজস করে এই মিথ্যা ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই মামলায় আমার স্বামী বর্তমানে কারাগারে আছেন।

 

এছাড়া ওই মিথ্যা মামলায় আসামী হওয়ায় আমার দুই দেবরও পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এছাড়া প্রতিবেশী ইবাদুলও পলাতক। ফলে আমাদের বাড়ি একেবারে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। তিনি ওই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি, এস আই বেলায়েত এবং মিথ্যা মামলার বাদী কহিনুর আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব ফুটবলের রঙে মাতালেন বাংলাদেশের মডেলরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের আবহে রঙিন এক সন্ধ্যার সাক্ষী হলো রাজধানী। দেশের শীর্ষস্থানীয় মডেলদের অংশগ্রহণে বর্ণিল জার্সির সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’র বিশেষ ফ্যাশন শো। ফুটবলপ্রেম আর ফ্যাশনের মেলবন্ধনে আয়োজিত এই পর্ব যেন বিশ্বকাপ উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি পরে র‌্যাম্পে হাঁটেন জনপ্রিয় মডেলরা। সাইয়েদ রুমার কোরিওগ্রাফিতে প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় ফুটে ওঠে বিশ্ব ফুটবলের রঙিন সংস্কৃতি। আলোকসজ্জা, সংগীত আর দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন পরিণত হয় এক ফুটবল উৎসবে।

মডেলিংয়ে ছিলেন, সাদিয়া শাবনাজ ইমি, রাখি, আলিশা, দিলরুবা দোয়েল, অ্যাঞ্জেল ডি কস্টা, আসিফ আহমেদ প্রমুখ।

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে আয়োজিত ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’য় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া, গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো, ফুটবলার মোরসালিনসহ দেশের ফুটবলের বিভিন্ন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে তারা বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব দেখার স্বপ্নের কথা জানান।

 

হাউজ ও অ্যাথলিট স্পোর্টস গিয়ারের যৌথ উদ্যোগে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী ১৩টি ‘ফ্যান জোন’ তৈরির ঘোষণাও দেওয়া হয়। বিশ্বকাপ চলাকালে এসব ফ্যান জোনে বড় পর্দায় খেলা দেখার পাশাপাশি থাকবে ফুড স্টল, গেমিং জোন, জার্সি ফেস্ট ও নানা আয়োজন।

 

সব মিলিয়ে ‘ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা’ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়, যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফুটবলের রঙে রাঙানো এই বর্ণিল ফ্যাশন শো।

পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) প্রতিরোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন ২০২৬ তারিখে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের প্রতিপক্ষ ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়, ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় ১.৫ থেকে ২ কিলোমিটার ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ১২ থেকে ১৫ জন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এসব ব্যক্তিকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তের সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে পুশইন বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। টহলরত সদস্যরা বাঁশি, শক্তিশালী লাইট ও মেগাফোন ব্যবহার করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছেন। এছাড়া নদী সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হাই স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা যায়।

এদিকে, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স (ছজঋ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

এবিষয়ে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজিব বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন অপচেষ্টা ১৭ বিজিবি কর্তৃক কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুনে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

 

 

 

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট এর ফুলের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট এর ফুলের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে প্রশাসকের অফিস কক্ষে গিয়ে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান, সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নির্বাহী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, ফরিদা আক্তার বিউটি, মোঃ শফিকুল আলম বাবু, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার হাসিবুল ইসলাম সোহান, যুব প্রধান মোঃ ইকবাল কাদির ও সাবেক যুব প্রধান ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমানুষের নেতা সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান হওয়ায় সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে এবং সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য ও কর্মকর্তা এবং যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।