বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ঘর বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ঘর বিক্রির অভিযোগ

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের পুটিমারী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৯০টি ঘরের মধ্যে ৩০টি বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বরাদ্দপ্রাপ্তরা সেখানে না থাকায় অধিকাংশ ঘর অরক্ষিত ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জায়গাজমি থাকা সচ্ছল ব্যক্তিদের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকৃত ভূমিহীন ও অসহায় অনেকে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রকল্পের বেশ কয়েকটি ঘর তালাবদ্ধ ও পরিত্যক্ত। অনেক ঘরের চাল-বেড়া নেই, বাথরুমগুলোও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের সম্পাদক খোকন গাজী জানান, প্রকল্পের ৩০টি ঘর বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ৩০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়েছে।

 

সিরাজুল ইসলাম নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা তিনটি ঘর কিনে ডেকোরেটরের ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি নিজের বরাদ্দ করা ঘরে থাকেন এবং অন্য ঘরগুলো ভাড়া নিয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, ভবোতোষ মন্ডল, পরিমেল মন্ডলসহ অনেকের নিজস্ব পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তারা আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দ পেয়েছেন। পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী জানান, ঘর বিক্রির বিষয়টি তারা শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে সময়ের প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসীউজ্জামান চৌধুরী জানান, সরকারি আশ্রায়ণের ঘর বিক্রি বা হস্তান্তরের সুযোগ নেই। তদন্তে প্রমান মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা ভুয়া বরাদ্দ বাতিল করে প্রকৃত অসহায়দের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানকে দেখতে যান জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় তার বাসভবনে নেতৃবৃন্দ তার শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন, তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং আশু আরোগ্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, ধুলিহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল।

এছাড়াও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের কাছে অসুস্থ নেতার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

বাগআঁচড়া (শার্শা) সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় মানবাধিকার কর্মী আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আবারও প্রতারণার মাধ্যমে তিনলক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি সু’বিচার পেতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ যশোরের শার্শা উপজেলার ৮নং বাগআঁচড়ার আ.ফ.ম. নিছার আলীর ছেলে ও বাগআঁচড়া সাতমাইল গ্রামের বাসিন্দা। আসাদের নামে যশোর ও ঝিনাইদহ আদালতে তিনটি মামলা চলোমান ও শার্শা থানায় দুটি চাঁদাবাজি এবং একটি খুন জখমের অভিযোগসহ ছয়টি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

নতুন মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আসাননগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চার লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদেশে (মালয়েশিয়ায়) বৈধ ভিসায় মোটা টাকা বেতনের চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখালে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর বিদেশে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর তার বাড়িতে বসে “আসাদুজ্জামান আসাদকে” প্রথম ধাপে বিদেশে যাওয়ার জন্য গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নগত তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

 

আসাদ সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ঐ তিন লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। মামলার কপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মালয়েশিয়া যাওয়ার ফ্লাইটের দিন ০১ এপ্রিল ২৬ তারিখে বাকী এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আসাদকে দিতে হবে। আর যদি ইংরেজি ০১ এপ্রিল তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত আসাদ ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইংরেজি ০১ মে তারিখের মধ্যে তিন লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবেন। কিন্তু উক্ত তারিখের মধ্যে ভুক্তভোগীকে মালয়েশিয়া পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় আসাদকে দেওয়া তিনলক্ষ টাকা ফেরত চাইলে, তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।

 

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন সুবিচার প্রার্থনা করে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও শৈলকুপা আমলী আদালত, ঝিনাইদহে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (২) দঃ বিঃ আইন।

কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বসতবাড়ির দ্বিতীয় তলায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে ফেলে। পরবর্তীতে তারা আলমারি ভেঙে মেয়ের বিয়ের জন্য রাখা প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

সূত্রে জানাগেছে, চুরি শেষে দুর্বৃত্তরা পাশের একটি আমবাগানে বসে খালি গহনার প্যাকেটগুলো ফেলে রেখে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে মাস্টার আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাতক্ষীরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলায় প্রায়ই একইভাবে চেতনানাশক স্প্রে করে চুরির ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এখন পর্যন্তর মূল চক্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ আলামত সংগ্রহ করেছে এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত কৌশল ও ফেলে যাওয়া প্যাকেটগুলো পর্যালোচনা করছে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্তর গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অপরাধী চক্রটিকে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।