শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় বাড়ছে ডেঙ্গু-হামের প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে উপজেলাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় বাড়ছে ডেঙ্গু-হামের প্রকোপ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে উপজেলাবাসী

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় এখন নিঃশব্দে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গু ও হামের মতো সংক্রামক রোগ। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে উপজেলা জুড়ে এই দুই রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্যকে নতুন এক সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গত ১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর এই ৩৩ দিনের ব্যবধানে কেবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই সেবা নিয়েছেন ৮৩ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গুর বিস্তার যেমন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, তেমনি হামের উপস্থিতি নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে উপজেলাবাসীকে।

হাসপাতাল সূত্রে প্রকাশ, উল্লেখিত ৩৩ দিনে উপজেলায় হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। এর মধ্যে প্রত্যেককেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হওয়ায় তাদের মধ্য থেকে দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে রেফার্ড করতে হয়েছে চিকিৎসকদের।

অন্যদিকে, একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৬৫ জন চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ১৬ জন বহির্বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও, ৪৯ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করছেন ১৬ জন রোগী। অবস্থার অবনতি হওয়ায় এ পর্যন্ত ৫ জন ডেঙ্গু রোগীকে খুলনা বা অন্য উন্নত কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু রোধের মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাসাবাড়ির আশপাশ, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার কিংবা জমে থাকা পরিষ্কার পানি নিয়মিত অপসারণের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে দিনের বেলায় মশারি টানানো কিংবা বডি রিপেলেন্ট ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন তারা। জ্বর, তীব্র মাথা বা চোখের পেছনে ব্যথা কিংবা জয়েন্টে ব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, হামের সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায় বিধায় আক্রান্ত রোগীকে শুরুতেই আলাদা বা আইসোলেশনে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গায়ে লালচে ভাব বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, “হাম কিংবা ডেঙ্গু কোনটিই আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নয়, তবে এটি অবহেলারও অবকাশ রাখে না। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং পানি জমতে দেওয়া যাবে না। শিশুদের টিকাদান শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে নিজে থেকে ফার্মেসি থেকে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।”

কেবল সরকারি হাসপাতাল বা চিকিৎসকদের একক প্রচেষ্টায় এই স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সচেতন প্রতিটি পরিবারের সম্মিলিত উদ্যোগ। বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে এই প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ৩৩ দিনের এই ৮৩ জনের পরিসংখ্যান কোনো বিচ্ছিন্ন সংখ্যা নয়; বরং এটি আগামী দিনের বড় কোনো বিপদের পূর্বাভাস। সময়মতো সচেতনতার বর্ম গায়ে জড়াতে না পারলে পাইকগাছার জনস্বাস্থ্য এক কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা।

Ads small one

তালায় সমতা ফোরাম সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
তালায় সমতা ফোরাম সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় সামাজিক সংগঠন ‘সমতা ফোরাম সিএসও হাব’-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভূমিজ ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ১৪টি সিএসও হাবের প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমতা ফোরামের সভাপতি আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমিজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য কুমার সাহা। সুশীল প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী দে অঞ্জন কুমারের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমতা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম।

সভার প্রারম্ভে বিগত সভার কার্যবিবরণী ও রেজুলেশন পাঠ করে শোনান এমদাদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রেস ইনস্টিটিউট বিআইজিএম আয়োজিত প্রশিক্ষণ শেষ করে এসে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন সাংবাদিক সেকেন্দার আবু জাফর বাবু। তিনি সাংবাদিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য অ্যাকশনএইড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিআইজিএম কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সভায় বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক অধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সিএসও হাবগুলোর পারস্পরিক নেটওয়ার্কিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি গাজী সুলতান, তালা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি গাজী সুলতান, তালা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইসলামকাটি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও তালা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা গাজী সুলতান আহমদকে সভাপতি করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. বিশ্বাস এনামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অনুমোদিত অ্যাডহক কমিটির অনান্য সদস্যরা হলেন, সাধারণ শিক্ষক মফিদুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য মো. এনামুল হক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গাজী মোশারফ হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

গাজী সুলতান আহমদ বলেন, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকা ও বিধিমালা মেনে আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সুনাম বজায় রাখতে আমরা শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজনকে সাথে নিয়ে একসাথে কাজ করে যাব।

ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়াদ্দার, সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমানসহ প্রেসক্লাবে কর্মরত সাংবাদিকরা।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যালয়টিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী ম্যানেজিং কমিটি উপহার দেওয়াই এই অ্যাডহক কমিটির প্রধান দায়িত্ব। জনস্বার্থে ও শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনবোধে অনুমোদিত যেকোনো কমিটি পরিবর্তন করার ক্ষমতা বোর্ড কর্তৃপক্ষ নিজের কাছে সংরক্ষণ করে।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস ভবন সৌরবিদ্যুতে চলে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস ভবন সৌরবিদ্যুতে চলে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, সোলার পাওয়ার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সিরিয়াস। সচিবালয় প্রধানমন্ত্রী যে ভবনে বসেন, সে ভবনটি কিন্তু শতভাগ সোলার এনার্জিতে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দফতরগুলোতে যতটুকু পারি সোলার এনার্জি ব্যবহার করার জন্য।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিন্তু উদ্যোগ নিয়েছে। সেখানে চীন আছে, জাপান আছে; বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছে। এলএনজি আরও বাড়ানোর জন্য আমরা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করছি।

শামা ওবায়েদ বলেন, ডাইভার্সিফিকেশন ইকোনমিক ডিপ্লোমেসিতে এই যুদ্ধটা আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, আমরা যদি একটা সোর্সের ওপর বেশি ডিপেন্ডেন্ট থাকি, সেটা এনার্জি বলেন বা অন্য কোনও প্রোডাক্ট বলেন—অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ পড়ে। আমরা এনার্জির জন্য ডাইভার্সিফিকেশনের চেষ্টা করছি। আফ্রিকান কান্ট্রিগুলার দিকে দেখছি, আমি ব্যক্তিগতভাবে আফ্রিকান কন্টিনেন্ট নিয়ে অনেক কাজ করছি। আফ্রিকাতে এনার্জি সোর্স পাওয়া যায় কি না সেটা চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন। যেখানে বিএনপির ফরেন পলিসি- বাংলাদেশ ফার্স্ট বা সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য মাথায় রেখে বাংলাদেশকে তুলে ধরার বিশাল সুযোগ। সেখানে আমাদের জাতীয় স্বার্থ গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের যেসব সম্ভাবনা আছে, সেগুলো গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি কীভাবে হতে পারে সেটা গুরুত্ব পাবে। সবকিছু মিলিয়েই এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সবদিক দিয়ে এই সেশনটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে আমাদের জন্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ভালোটা বহির্বিশ্বে প্রচার করতে চাই না। আমরা আসলেই ভালো কিছু করতে চাই। যাতে আপনারা বলতে পারে যে, ভালো কিছু হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রধান ম্যানিফেস্টো হলো অর্থনৈতিক কূটনীতি। সেই জায়গাটা থেকে বিচার করলে, শুরু থেকে একটা ভঙ্গুর অর্থনীতি যেটাকে আমরা অলরেডি ইনহেরিট করেছি। একটা ভাঙাচোরা অবস্থা থেকে তুলে এনে একটা সঠিক প্রসেসে যেতে সময় লাগে।

তিনি বলেন, শুরুর দিন থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চেষ্টা করছেন। উনি চেষ্টা করছেন, ব্যাংকিং সেক্টরটাকে ট্রান্সপারেন্ট করতে। তিনি চাচ্ছেন এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে যেন বিদেশিরা ইনভেস্ট করে। শুধু বিদেশিরা না, বাংলাদেশি যারা বিদেশে থাকেন, তারাও যেন দেশে ফেরত এসে ইনভেস্ট করেন। বাস্তবতা হলো আমি চাইলেই কেউ বিনিয়োগ করতে চলে আসবে না, পরিবেশটা আমাদের তৈরি করতে হবে।

অবৈধ অভিবাসন দেশের ইমেজ নষ্ট করে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আমরা অত্যন্ত সম্মান করি। এই গাল্ফ যুদ্ধে আমাদের ১২ জন ভাই প্রাণ হারিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, আমাদের ভাইয়েরা সৌদি আরব, কাতার, আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এসব দেশে বেশি, ইতালিসহ ইউরোপেও আছে। কিন্তু এই যে অবৈধভাবে যাওয়ার প্রবণতা এটা একটা সমস্যা। আমাদের দেশি ভাইয়েরা ভূমধ্যসাগর হয়ে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে লিবিয়া থেকে ইতালি বা স্পেনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের মাঝ সাগরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। তারা মৃত্যুবরণ করছেন। এই জায়গাটাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে খুব জোরভাবে কাজ করছে। তো আমাদের দেশের মানুষ যখন এভাবে অবৈধভাবে অন্য দেশে যায়, এই ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের একটা বিশাল প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এই জায়গাটাযতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়েছেন। আমরা স্কিলড লেবার পাঠাতে চাই।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কয়েক মাসে এয়ারপোর্টের অবস্থা চেঞ্জ হবে না, কিন্তু আমরা শুরু করেছি। এয়ারপোর্টের সিচুয়েশন এবং ভিসা পলিসিতে হাত দিয়েছি। যারা বিজনেস ভিসা, টুরিস্ট ভিসা বা ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আসে, তাদের ভিসা সহজীকরণে পলিসিগত কিছু পরিবর্তন এনেছি। এটা ক্যাবিনেটে অলরেডি পাস হয়েছে। সেটা সামনে পার্লামেন্টে হয়তো উঠবে। এ সবকিছু কিন্তু প্রধানমন্ত্রী করছেন বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি করার জন্য। আমরা ফ্রি মার্কেট ইকোনমির কথা বলি, আমাদের তো আগে সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে করে বিদেশিরা এখানে আসতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।