বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পুরোনো ফোনের গতি বাড়াতে করণীয় সহজ ৩ কাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
পুরোনো ফোনের গতি বাড়াতে করণীয় সহজ ৩ কাজ

 

নতুন ফোন হাতে নেওয়ার পর প্রথম কয়েক মাস কেমন রকেটের মতো চলে, তাই না? কিন্তু দিন যত যায়, ফোন যেন ততই বুড়িয়ে যেতে থাকে। একটা সময় এতটাই স্লো হয়ে যায় যে মনে হয়, এবার বুঝি ফোনটা পাল্টানোর সময় চলেই এল।
অবশ্যই, একটা সময় ফোন পাল্টাতেই হয়। বিশেষ করে যখন আপনার ফোনে আর নতুন সফটওয়্যার আপডেট আসে না বা সিকিউরিটি নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়। তবে আপনি চাইলে বর্তমান ফোনটির আয়ু আরো বেশ কিছুদিন বাড়িয়ে নিতে পারেন।

নতুন ফোন কেনার পেছনে একগাদা টাকা খরচ করার আগে, নিচের এই সহজ উপায়গুলো আপনার পুরোনো ফোনে একবার প্রয়োগ করে দেখুন। হয়তো গতির পার্থক্য দেখে চমকে যাবেন। যেমন-

(১) অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের জঞ্জাল কমান
আপনার ফোনে যখন অনেক বেশি অ্যাপ জমে যায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই এর প্রভাব পড়ে ফোনের গতির ওপর। তাই যেসব অ্যাপ আপনি খুব একটা ব্যবহার করেন না, সেগুলো সরিয়ে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

একবার সময় নিয়ে আপনার ফোনে থাকা অ্যাপগুলো দেখুন। খুঁজে বের করুন, কোন অ্যাপগুলো শুধু শুধু আপনার ফোনে ইনস্টল করা আছে। মনে রাখবেন, দরকার হলে এগুলো আপনি পরে আবার ইনস্টল করে নিতে পারবেন, অথবা ব্রাউজার দিয়ে এগুলোর ওয়েব ভার্সনও ব্যবহার করতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে কোনো অ্যাপ আনইনস্টল করতে হলে হোমস্ক্রিন বা অ্যাপ ড্রয়ারে সেই অ্যাপের ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরুন। এরপর পপ-আপ মেনু থেকে ‘Uninstall’ লেখাটিতে ট্যাপ করুন। কিছু ফোনে অ্যাপটি চেপে ধরে ওপরের দিকে আনইনস্টল বাটনে টেনে নিয়ে যেতে হয়। আর আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপ লাইব্রেরিতে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ওপর চেপে ধরলে ‘Delete App’ অপশন পাবেন, সেটি ক্লিক করে অ্যাপ ডিলিট বা আনইনস্টল করতে পারবেন।

এ ছাড়া অনেক অ্যাপ আছে, যেগুলো আমরা ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এতে ফোনের গতি কমে যায়। আপনি চাইলে এগুলোও বন্ধ করে রাখতে পারেন। এটি বন্ধ করতে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের Settings থেকে Apps > See all apps-এ দেখুন। এরপর নির্দিষ্ট একটি অ্যাপ বেছে নিয়ে ‘App battery usage’-এ ট্যাপ করুন। সেখানে ‘Allow background usage’ নামে একটি অপশন পাবেন, সেটি বন্ধ (off) করে দিন।

আর আইফোনে Settings-এ গিয়ে General > Background App Refresh-এ ট্যাপ করুন। এখানে ফোনে থাকা সব অ্যাপের তালিকা দেখতে পাবেন। যেসব অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চলার দরকার নেই, সেগুলোর পাশের সুইচটি বন্ধ করে দিন।

(২) স্টোরেজ বা মেমোরি ফাঁকা করুন
ফোনে যত বেশি জায়গা বা ফ্রি স্টোরেজ থাকবে, আপনার ফোনটি তত বেশি স্বস্তিতে থাকবে। স্বস্তি মানেই দ্রুতগতি। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেললে কিছু জায়গা তো ফাঁকা হবেই, তবে চাইলে আপনি আরো গভীরে যেতে পারেন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘Files by Google’ নামের একটি বিল্ট-ইন অ্যাপ থাকে। এটি খুব সহজেই আপনার স্টোরেজ ফাঁকা করতে সাহায্য করবে। অ্যাপটি খুলে ওপরের বাঁ দিকের থ্রি ডটে ক্লিক করুন। এবার ‘Clean’ ট্যাবে ট্যাপ করুন। সেখানে ডুপ্লিকেট ফাইল, স্ক্রিনশট এবং ফোনে থাকা সবচেয়ে বড় সাইজের ফাইলগুলো ডিলিট করার বেশ কিছু চমৎকার পরামর্শ দেখতে পাবেন।

অন্যদিকে, আইফোন ব্যবহারকারীরা Settings থেকে General > iPhone Storage-এ গেলে দেখতে পাবেন ঠিক কোন কোন জায়গায় স্টোরেজ বেশি খরচ হয়েছে। এখানেই স্টোরেজ ফাঁকা করার কিছু দারুণ পরামর্শও দেওয়া থাকে। যেমন, ক্লাউডে অফলোড করে রাখা যায় এমন বড় বড় অ্যাপ ও ফাইলের তালিকা সেখানে পাবেন।

আপনি যদি স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোন ব্যবহার করেন, তবে আপনার জন্য আরো একটি বিশেষ উপায় আছে। Settings থেকে Device care > Memory > RAM Plus-এ যান। এই ফিচারটি মূলত আপনার ফোনের কিছুটা স্টোরেজকে অস্থায়ী র‍্যাম বা মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে। আপনি যদি এটি বন্ধ করে দেন, তবে সেই স্টোরেজটুকু আবার ফাঁকা হিসেবে পাবেন।

(৩) ফুল ফ্যাক্টরি রিসেট
ওপরের কোনো কিছুতেই যদি কাজ না হয়, তবে এটি হলো সবচেয়ে চরম পদক্ষেপ। এই কাজটি আপনার ফোনটিকে ঠিক সেই অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে, যখন আপনি প্রথমবার বাক্স থেকে এটি বের করেছিলেন। ফুল রিসেট করতে খুব বেশি সময় লাগে না। সত্যি বলতে, কয়েক বছর আগের তুলনায় এই প্রক্রিয়াটি এখন অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে।

রিসেট দিলে আপনার ফোনের সবকিছু মুছে যাবে। ফলে এক নিমেষেই আপনার ফোনে জমে থাকা সমস্ত অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ দূর হয়ে যাবে এবং ফোন যতটা সম্ভব লোকাল স্টোরেজ ফিরে পাবে। আপনার ফোনটি একেবারে শূন্য থেকে নতুন করে যাত্রা শুরু করবে। গতির দিক থেকেও আপনি স্পষ্ট পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

তবে সাবধান! এই কাজে নামার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো ব্যাকআপ। রিসেট করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন, আপনার ফোনের সব দরকারি ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ফাইল গুগল ড্রাইভ, আইক্লাউড বা অন্য কোথাও নিরাপদে ব্যাকআপ হিসেবে সেভ করা আছে কি না। একবার নয়, দরকার হলে দুবার চেক করে তারপর রিসেটের দিকে এগোবেন।

অ্যান্ড্রয়েডে রিসেটের ক্ষেত্রে Settings থেকে System > Reset options > Erase all data (factory reset)-এ যান এবং ‘Erase all data’ ক্লিক করুন। আর আইফোনের ক্ষেত্রে Settings থেকে General > Transfer or Reset iPhone > Erase All Content and Settings-এ গিয়ে ‘Continue’ চাপুন। ব্যস, কাজ হয়ে যাবে!

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।