শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

এআই যুগেও টিকে থাকবে মানুষের যে ৫ দক্ষতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
এআই যুগেও টিকে থাকবে মানুষের যে ৫ দক্ষতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির এই সময়ে অনেক কর্মীর মনেই একটা ভয় জেঁকে বসেছে, যন্ত্র কি তবে মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে? তবে কর্মক্ষেত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক না কেন, মানুষের এমন কিছু সহজাত গুণ রয়েছে যা এআই সহজে প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। সহমর্মিতা, যৌক্তিক চিন্তাভাবনা ও নৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো মানবিক দক্ষতা চর্চা করলে কর্মীরা যেকোনও পরিস্থিতিতে অপরিহার্য হয়ে উঠবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা জবস ফর দ্য ফিউচার-এর প্রধান নির্বাহী মারিয়া ফ্লিন বলেন, এআই-এর কারণে যে দক্ষতাগুলো সবচেয়ে কম ঝুঁকিতে আছে, সেগুলো মূলত খাঁটি মানবিক গুণ। যেমন- সম্পর্ক তৈরি, দ্বন্দ্ব নিরসন, অন্যকে অনুপ্রাণিত করা এবং নৈতিক বিচারবুদ্ধি।

বিশেষজ্ঞরা এগুলোকে টেকসই দক্ষতা বলছেন, যা অর্থনৈতিক বা প্রযুক্তিগত যেকোনও পরিবর্তনের মুখেও নিজের মূল্য ধরে রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত পাঁচটি ক্ষেত্রে মানুষের দক্ষতা এআই-এর চেয়ে অনেক এগিয়ে:

সহমর্মিতা: মানুষের শারীরিক ভাষা বোঝা বা কথার আড়ালের অর্থ উদ্ধার করার কাজে মানুষের বিকল্প নেই। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক মার্কো ইয়ানসিটি নিজের হাসপাতালে থাকার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, একজন নার্স রোগীর সঙ্গে যেভাবে আত্মিক যোগাযোগ তৈরি করেন, কোনও রোবট তা পারবে না।

এআই বড়জোর কাগজপত্রের মতো বিরক্তিকর কাজগুলো করে দিয়ে নার্সদের সেবা করার জন্য বাড়তি সময় এনে দিতে পারে।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা: সহকর্মী বা গ্রাহকদের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করা এআই-এর পক্ষে কঠিন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে যারা আপনার থেকে পণ্য কিনছেন, সেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক সহজে যন্ত্রে স্থানান্তর করা যায় না। এছাড়া কর্মক্ষেত্রের যেকোনও দ্বন্দ্ব মেটাতে বা কর্মীদের মানসিক অস্থিরতা দূর করতে একজন দক্ষ মানবসম্পদ ম্যানেজারের ভূমিকা অপরিসীম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখনও করতে পারেনি।

যৌক্তিক চিন্তাভাবনা: এআই তথ্য সংগ্রহ করে উত্তর দিলেও অনেক সময় ভুল তথ্য দেয়। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ইন্সট্রাক্টর আমালিয়া কাউফম্যান বলেন, এআই কখন ভুল করছে তা ধরার জন্য আপনার নিজস্ব বিষয়ে গভীর জ্ঞান ও যৌক্তিক চিন্তাভাবনা থাকতে হবে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটবটগুলো ব্যবহারকারীদের খুশি করতে মানুষের চেয়ে ৪৯ শতাংশ বেশি তাদের ভুল কাজেও তোষামোদ করে। এই তোষামোদ থেকে বাঁচতে মানুষের নিজস্ব বিচারবুদ্ধি প্রয়োজন।

বিবেক থাকা: ভালো-মন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা বা অন্তরের বিবেক কেবল মানুষেরই আছে। অনেক সময় মানুষ তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নেয়, যা এআই-এর পক্ষে অসম্ভব। অধ্যাপক ইয়ানসিটি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে মারাত্মক সামরিক শক্তি ব্যবহারের মতো জীবন-মরণের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আবেগহীন কোনও যন্ত্রের ওপর ভরসা করা যায় না। এআই বিবেকের ওপর লেখা বই পড়ে তা থাকার ভান করতে পারে, কিন্তু তার আসলে কোনও বিবেক নেই।

বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত: কোনও জটিল বা অস্পষ্ট পরিস্থিতিতে সৃজনশীল ধারণা তৈরি কিংবা কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষেরই একচেটিয়া। ম্যাককিনসে-র কর্মকর্তা হিদার স্টেফানস্কি বলেন, সবাই যদি সমস্যা সমাধানের জন্য কেবল এআই-এর উত্তর ব্যবহার করে, তবে আপনার স্বকীয়তা কোথায় থাকবে?

মানুষ তার জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়, যা এআই-এর বিশাল ডেটাবেজ দিয়ে হুবহু তৈরি করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অনন্য মানবিক গুণগুলোই ভবিষ্যৎ সমাজকে টিকিয়ে রাখবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে মানুষকে মূল্যবান করে তুলবে।

সূত্র: এপি

Ads small one

জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: দেশে গত জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। জুনে দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ছিল ১৮টি। জুলাইয়ে এই সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৩৬টি। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মাসিক মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

সংস্থাটি বলছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার দ্বিগুণ বৃদ্ধি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। পাশাপাশি জুলাই মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় মামলা ও গ্রেপ্তারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনলাইন মতপ্রকাশের ওপর চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

আজ শুক্রবার এমএসএফ সভাপতি সুলতানা কামালের সই করা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মব সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৩১ জন। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৩২। এ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৭ জন। সংস্থাটি বলছে, রাজনৈতিক ও আইনগত পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে। সরকার পতন-পরবর্তী মামলায় জুলাই মাসে নতুন করে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যদিও গ্রেপ্তারের সংখ্যা কমে ১২৬-এ দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও (৩০৩ থেকে ৯৫), নিহতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। যা সংঘর্ষের ভয়াবহতা অব্যাহত থাকার প্রমাণ।

এমএসএফ বলছে, জুলাই মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের এবং কারাগারে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে গোলাগুলিসংক্রান্ত ঘটনায় নিহত না থাকলেও আহতের সংখ্যা এক মাসের ব্যবধানে ২ জন থেকে বেড়ে ২১ জনে পৌঁছেছে। যা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা নির্দেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা ও পরিচয় শনাক্ত হওয়া লাশ উদ্ধার বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। জুলাই মাসে মোট ৮৯টি লাশ উদ্ধার হয়েছে (অজ্ঞাত ৫৬, পরিচয় শনাক্ত ৩৩। যা আগের মাসের তুলনায় বেশি। অধিকাংশ লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া ও মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। পুশ-ইন, আটক এবং বিচ্ছিন্ন হত্যার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাও বিচ্ছিন্নভাবে ঘটেছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুনে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ছিল ২ হাজার ৮৯৭ জন। জুলাইয়ে এই সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ১৯৬ জনে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি আইন প্রয়োগের তৎপরতা বাড়ার ইঙ্গিত দিলেও এর স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে বলে মনে করে এমএসএফ।

এমএসএফের জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের মোট ৩২০টি ঘটনা পেয়েছিল তারা। জুলাই মাসে পেয়েছে ৩০৬টি। সার্বিক ঘটনা প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমলেও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলছে সংস্থাটি। তাদের পর্যবেক্ষণ হলো, মোট অপরাধ কমলেও নির্যাতনের ধরন এখন আরও বেশি নৃশংস ও জটিল রূপ নিয়েছে। এমএসএফের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, জুলাই মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯০টি। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৬৮টি। অর্থাৎ এক মাসে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। জুনে যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির ঘটনা ছিল ২১টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ২২টি। অন্যদিকে জুনে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল ১৭টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ টিতে। এক মাসে আত্মহত্যা বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এমএসএফ মনে করে, ধর্ষণের মতো ঘটনা বৃদ্ধি নারী ও শিশুদের চরম নিরাপত্তাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। আর আত্মহত্যার উচ্চ হার সামাজিক নিপীড়ন ও বিচারহীনতার মানসিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১টি নবজাতক উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮টি ছিল মৃত, আর ৩টি জীবিত। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত এসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কার্যকর কোনো তদন্ত করে না। ফলে অপরাধীরা আইনের আওতার বাইরেই থেকে যায়। মৃত নবজাতকের ক্ষেত্রে পুলিশ সাধারণত অপমৃত্যুর মামলা করে। আর জীবিত নবজাতকদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এমএসএফের মতে, বেআইনি সালিস ও নবজাতক পরিত্যাগের ঘটনাগুলো সমাজে দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে আরও দৃঢ় করছে।

 

আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ‘ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার’-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে পাঠাগার প্রাঙ্গণে প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে সভায় আশাশুনির গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষাবিদেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঠাগারটি পরিচালনার জন্য ১০১ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে প্রফেসর আব্দুস সবুরকে সভাপতি এবং এবিএম আলমগীর পিন্টুকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সামাজিক পাঠঅভ্যাস বৃদ্ধি, সাহিত্যচর্চা ও বইভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করাই এই পাঠাগারের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।

সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করেছেন। ৩১ জুলাই সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপির একাধিক টহল দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত পেরিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল পার্টস আটক করা হয়। এসব চোরাচালানি মালামাল অবৈধভাবে দেশে আসায় দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সীমান্ত এলাকায় এই চোরাচালানবিরোধী নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।