রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রবীণরা সমাজের বোঝা নয়,সম্পদ ; সাতক্ষীরার ডিসি কাউসার আজিজ 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
প্রবীণরা সমাজের বোঝা নয়,সম্পদ ; সাতক্ষীরার ডিসি কাউসার আজিজ 
নিজস্ব প্রতিনিধি: “সচেতনতার উর্দ্ধে,প্রবীণ নির্যাতন প্রতিরোধকে কার্যকর করা” এই প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম গ্যালারীর নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির  আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মিস্ কাউসার আজিজ।
ডিসি কাউসার আজিজ প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, প্রবীণরা পরিবারের বোঝা নয়, তারা আমাদের মা-বাবা।তাদেরকে সম্মান করতে হবে, নির্যাতন নয়। তারা আমাদের সম্পদ। পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমেই সেটাই সম্ভব। প্রবীণদের পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ভাবে তাদেরকে সম্পৃক্ততা করতে হবে শ্রদ্ধা ভরে।তাহলে প্রবীণরা রাষ্ট্রের সম্পদে পরিনত হবে।উন্নত বিশ্বে প্রবীণদেরকে রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহন করায়।নবীব-প্রবীণদের সমন্বয়ে রাষ্ট্রকে পরিচালিত করতে হবে।তাহলে বাংলাদেশ আদর্শ রাষ্ট্রে পরিনত হবে। প্রবীণদের বৃদ্ধাশ্রমে নয়, পরিবারেরই থাকবে সকলের মাঝে।অসুস্থতায় তাদেরকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে হবে স্বাভাবিক ভাবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে ও সাহিত্যিক শহীদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম, সাবেক অধ্যক্ষ মো.আব্দুল হামিদ, সহকারী কমিশনার মো.শাহেদ হোসেন।
আলোচনা সভার শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেন প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবেদুর রহমান।
এছাড়া বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবসের বক্তারা তাদের বক্তব্যে আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু ৭৩.৫ বছর (২০২৫) যা ২০৫০ সালের মধ্যে ৭৭ বছরে পৌছাবে বলে মনে হচ্ছে। ২০২৫ এর দশকের শেষের দিকে বিশ্বব্যাপী মোট মৃত্যুর ৫০% এর বেশি ৬ বছর বয়সীদের মধ্যে ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। যাহা ১৯৯৫ সালে ছিল ১৭%। জনসংখ্যা একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক রূপান্তরে পরিণত হতে চলেছে, যার প্রভাব সমাজের সকল ক্ষেত্রের উপর পড়বে, যার মধ্যে রয়েছে শ্রম ও আর্থিক বাজার, আবাসন, পরিবহন ও সামাজিক সুরক্ষার মতো পণ্য ও পরিসেবার চাহিদা। সেই সাথে পারিবারিক কাঠামো এবং আন্তঃপ্রজন্মীয় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপজনিত বয়স্ক মৃত্যু হার পূর্বাপেক্ষা ১০৬% বৃদ্ধি পেয়েছে, বণ্যার কারণে বার্ষিক আয় ৩% কমেছে এবং তাপজনিত কারণে ৬% আয় হারিয়েছে।
২০১৯ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৬০ বছর বা তার বেশী বয়সী ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে এক বিলিয়ন থেকে ১.৪ বিলিয়নে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা তরুণদের ছাড়িয়ে যাবে। এই বৃদ্ধি উন্নয়নশীল বিশ্বে সবচেয়ে বেশি এবং দ্রুততম হবে। এটি স্বীকার করতে মানবাধিকার ক্ষেত্র সহ প্রবীণ ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে এমন নির্দিষ্ট প্রতিবন্ধকতাগুলোর প্রতি আরো মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
প্রবীণ নির্যাতন এমন একটি সমস্যা যা উন্নয়নশীল এবং উন্নত উভয় দেশেই বিদ্যমান। কিন্তু বিশ্বব্যাপী এটি সাধারণত কম রিপোর্ট করা হয়। এর ব্যাপকতার হার বা আনুমানিক হিসাব শুধুমাত্র কয়েক উন্নত দেশেই পাওয়া যায়, যা ১% থেকে ১০% পর্যন্ত। যদিও প্রবীণ নির্যাতনের মাত্রা অজানা, এ নৈতিক তাৎপর্য সুস্পষ্ট। এ কারণে এরজন্য একটি বিশ্বব্যাপী বহুমুখী প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন,যা প্রবীণ ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।
প্রবীণ নির্যাতনকে সংজ্ঞায়িত, সনাক্ত এবং মোকাবেলা করার পদ্ধতিগুলোকে এক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করতে হবে এবং সংস্কৃতি নির্দিষ্ট ঝুকির কারণগুলোর সাথে বিবেচনা করতে হবে।উদাহরণ স্বরূপ কিছু ঐতিহ্যবাহী সামাজে বয়স্ক বিধবাদের জোর পূর্বক বিয়ে দেয়া হয়, আবার অন্য সমাজে নিংসঙ্গ বয়স্ক নারীদের ডাইনীবিদ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। স্বাস্থ্য ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা উভয়ক্ষেত্রেই যদি এই সমস্যার শনাক্ত ও মোকাবেলা করার জন্য সুসজ্জিত না থাকে, তবে প্রবীণ নির্যাতন ক্রমাগতভাবে অসনাক্ত ও উপেক্ষিত হতে থাকবে।
প্রবীণ নির্যাতন এখনও ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত ও অপ্রকাশিত রয়ে গেছে। এটি শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক নির্যাতনের পাশাপাশি অবহেলা সহ বিভিন্ন রূপ নিতে পারে। এটি প্রায়শঃই এমন পরিস্থিতি ঘটে যেখানে প্রবীণ ব্যক্তিরা দৃশ্যমানতা, সমর্থন বা পরিসেবা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।এ সমস্যা মোকাবেলার জন্য শুধু সচেতনতা বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। এরজন্য এমন শক্তিশালী ব্যবস্থা প্রয়োজন যাহা প্রতিরোধ করতে পারে এবং ঘটলে কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারে, একই সাথে বয়স্ক ব্যক্তিদের মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং অধিকারকে সম্মান করবে বলে বক্তারা মনে করেন।
এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কলেজ ও স্কুল প্রতিনিধিদের মধ্যে সাবেক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান শামসুজ্জামান বাবু।জেলা প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক কাজী আবু হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম আব্দুর রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জালা উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আশরাফ উদ্দীন আহমেদ, শঙ্কর কুমার রায়, মো. আবুল কালাম প্রমূখ।

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।