রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষা পদকে শ্যামনগরে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক বাবু লাল ও শ্রেষ্ঠ স্কুল খ্যাগড়াদানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষা পদকে শ্যামনগরে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক বাবু লাল ও শ্রেষ্ঠ স্কুল খ্যাগড়াদানা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: চলতি বছরে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার তালিকায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (পুরুষ) ১৪ নং চিংড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু লাল মিস্ত্রী ও শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯১ খ্যাগড়াদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, ২০২৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষা পদকের তালিকায় অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (পুরুষ) ১৩ নং হায়বাতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আমিনুর রহমান, শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক(মহিলা) ৯১ খ্যাগড়াদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাছরিন আক্তার।

 

শ্রেষ্ঠ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহীন হোসেন, শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (পুরুষ) ৯১ খ্যাগড়াদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ সুমন আহমেদ, শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) ১৭৫ নং দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিনা খাতুন ও শ্রেষ্ঠ কর্মচারী মোঃ খায়রুল আলম।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার এনামুল হক বলেন সরকারি নিয়মানুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রাপ্তদের নির্ধারিত কমিটি কর্তৃক যাচাই বাছাই করে নির্বাচন করা হয়েছে এবং পদক প্রাপ্ত সকলকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়েছে।

 

Ads small one

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জোরালো সহযোগিতার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক রাডারে সর্বদা সক্রিয় থাকে এবং অন্য কোনও বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংঘাত বা সংকটের আড়ালে চাপা পড়ে না যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা ও কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে দ্রুত মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কোঅপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপনসিবিলিটিজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশাসনিক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব রাজনীতির নেতৃস্থানীয় দেশ এবং জাতিসংঘের প্রত্যক্ষ সহায়তায় এ সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধান করা সম্ভব। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাসহ (ইউএনএইচসিআর) সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই— আশ্রিত প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন (ইউএনএইচসিআর’র হিসাবে ১ দশমিক ২ মিলিয়ন) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে (এফডিএমএন) যেন আমরা পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারি। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা ও নেতৃস্থানীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।

সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৯ বছর ধরে বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয়, খাদ্য, জমি, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মৌলিক নিরাপত্তা দিয়ে আসছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় নাগরিক উভয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পের চারপাশে সীমান্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও সুনিয়ন্ত্রিত যাতায়াত ব্যবস্থার মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার প্রতি স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বে এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সফলভাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করেছিল। অতীতের সেই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও শতভাগ সফল প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর্মুলেশন কমিটি অন রোহিঙ্গা অ্যাফেয়ার্স’ গঠিত হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপর একটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি সক্রিয় রয়েছে।

তিনি বলেন, বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সরকার একটি সর্বাত্মক ‘হোল-অব-গভর্নমেন্ট’ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা ছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রদত্ত মানবিক সহায়তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সমাধানের তাগিদকে কমিয়ে দিতে পারে। তাই জরুরি ত্রাণ সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের দ্রুত একটি ‘ট্রানজিশনাল স্ট্র্যাটেজি’ বা রূপান্তরকালীন কৌশলে যেতে হবে, যার মূল লক্ষ্য হবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও ফিরে যাওয়ার উপযোগী উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, টেকসই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, জাতীয় ঐক্য ও শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামোর সমন্বয়ে বাংলাদেশ দ্রুতই রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে সক্ষম হবে।

আইজিসিএফ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আদনান রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে গোলটেবিল আলোচনাটি শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানান, গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি আইভো ফ্রেইসেন, বিআইআইএসএস’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শরণার্থী সেলের প্রধান ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, আইইউবি-র অধ্যাপক ড. কাজী মাহমুদুল রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা সাকিব এবং ইউল্যাবের সহকারী অধ্যাপক অবন্তী হারুন, অ্যাকশন-এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির এবং দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রাহীদ এজাজ প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ঠাকুরগাঁও শহরই জন্ম, বেড়ে ওঠা, বিএনপির তৃণমূল কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় মহাসচিব, পৌরসভা চেয়ারম্যান থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সব ইতিহাস। এই শহরই তাকে শেকড় থেকে শিখরে তুলেছে। জীবন, রাজনীতি ও পৃথিবী সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান অর্জনের সাক্ষী এই শহর। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সেই ঠাকুরগাঁও শহরে প্রথম সফরে এলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও মোহাম্মাদ আলী স্টেডিয়াম রাষ্ট্রপতি হেলিকপ্টারে হেলিপ্যাডে উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও তিনি দুপুর ১টার দিকে পৌঁছান। এরপর ঠাকুরগাঁও জেলা সার্কিট হাউজে উপস্থিতি এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ করে সেনুয়া কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।

পথে রাষ্ট্রপতি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষকে হাত তুলে সংবর্ধনার জবাব দেন।

বিকেলে ঐতিহাসিক বড় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতির বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা। সেখানে জেলার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনকে ঘিরে পুরো জেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। তাকে বরণ করে নিতে শহরজুড়ে চলছে সাজসজ্জা ও নানা প্রস্তুতি। নাগরিক সংবর্ধনাসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি।

তাকে বরণ করে নিতে শহরের প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বিভিন্ন প্রবেশপথ সাজানো হয়েছে বর্ণিল ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ ও আলোকসজ্জায়।

একসময় যে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের আপনজন ছিলেন, সেই ঘরের ছেলেকেই এখন রাষ্ট্রপ্রধানের আসনে দেখে গর্বিত জেলার মানুষ।

এদিকে, রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সড়ক ও অনুষ্ঠানস্থলে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। রাষ্ট্রপতির চলাচলের পুরো রুটে মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সদস্য।

সোমবার রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দূষণমুক্ত নদী এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নিজেদের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী এবং একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।