সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের অন্যতম স্মারক সাতক্ষীরার ঐতিহাসিক দরবার স্তম্ভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের অন্যতম স্মারক সাতক্ষীরার ঐতিহাসিক দরবার স্তম্ভ

প্রকাশ ঘোষ বিধান

দরবার স্তম্ভ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক স্মারক। এটি ব্রিটিশ আমলের বঙ্গভঙ্গ রদ এবং ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জের দিল্লি দরবারকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হয়েছিল, যা বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র টিকে থাকা বঙ্গভঙ্গ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।

ঐতিহাসিক দরবার স্তম্ভ। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ১৯০৫ সালের ঐতিহাসিক বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের অন্যতম সাক্ষী ও স্মারক দরবার স্তম্ভ সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা সদরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশে টিকে থাকা বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের একমাত্র স্মারক মিনার হিসেবে পরিচিত।

এই স্তম্ভটি সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা সদরের তালা বাজারের প্রাণকেন্দ্রে পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে অবস্থিত। সম্পূর্ণ ইটের তৈরি এই গোল স্তম্ভটির উচ্চতা প্রায় ৪ মিটার এবং নিচের দিকের বেড় ২.৮ মিটার। প্রায় তিন দশমিক সাত মিটার উচ্চতা। স্তম্ভটি ওপরের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে উঠেছে এবং এর মাথায় একটি বড় কলস ও তার ওপর আরেকটি ছোট কলসের চিহ্ন দেখা যায়।

১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করলে এর প্রতিবাদে সারা বাংলায় ব্রিটিশ হটাও ও স্বদেশী আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়। ১৬ অক্টোবর ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন প্রশাসনিক অজুহাতে বাংলা ভাগ করেন, যার প্রতিবাদে এই অঞ্চলে প্রবল আন্দোলন গড়ে ওঠে। তৎকালীন সাতক্ষীরা মহকুমা বর্তমানে জেলা এবং তালাসহ বিভিন্ন এলাকায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ, পিকেটিং এবং স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছিল। আন্দোলনটি ছিল অহিংস এবং জাতীয়তাবাদী আবেগে পূর্ণ। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার আগ পর্যন্ত এই প্রতিবাদ অব্যাহত ছিল।

উপমহাদেশের মানুষ যখন ব্রিটিশ শাসনের প্রতিবাদ শুরু করে তখন ব্রিটিশ সরকার নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশরা বাংলাকে ভেঙ্গে দেওয়ার পায়তারা করে। যা বঙ্গভঙ্গ নামে সকলের কাছে পরিচিত। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের আদেশ জারি হয়। কিন্তু আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১৯১১ সালে এ আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ শাসকরা তীব্র আন্দোলনের মুখে নতি স্বীকার করে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। বাংলাকে ভাগ করা হবে না, এমন ঐতিহাসিক ঘোষণা প্রদানের জন্য ব্রিটিশ শাসকের প্রতিনিধি সম্রাট পঞ্চম জজ দিল্লীতে আসেন। ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লির রাজকীয় দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করার ঘোষণা দেন। এই ঐতিহাসিক জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে এবং কপোতাক্ষ নদের তীরে সেই সময়কার আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখতে রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক রাজ কুমার বসু এই স্তম্ভটি নির্মাণ করেন।

সম্রাট পঞ্চম জজের দিল্লী আগমনকে স্বাগত জানিয়ে তালার তৎকালীন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক রাজকুমার বসু তালা বাজারের কেন্দ্রস্থল খেয়াঘাট মোড়ে ঐতিহাসিক এই স্তম্ভটি নির্মাণ করেছিলেন। সেই আন্দোলনের স্মৃতি হিসেবে তালায় এই স্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছিল, যা স্থানীয়ভাবে দরবার স্তম্ভ নামে সমধিক পরিচিত।

পুরোপুরি ইটের তৈরি গোল স্তম্ভটির মাথার ওপর একটি বড় কলস ও তার ওপর আরেকটি ছোট কলসের চিহ্ন দেখা যায়। সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে স্তম্ভটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিলো। পরবর্তীতে বিভিন্ন মহলের দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে নথিভুক্ত করে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে দরবার স্তম্ভরূপে। প্রায় তিন দশমিক সাত মিটার উচ্চতার দরবার স্তম্ভটি তালা উপজেলা সদরের খেয়াঘাট মোড়ে অবস্থিত। দরবার স্মৃতিস্তম্ভ, সম্রাট পঞ্চম জর্জ। স্থাপিত- ১২ই ডিসেম্বর, ১৯১১ ইংরেজিতে লেখা। দরবার স্তম্ভটি দেখতে ভিড় জমায় দেশি-বিদেশী পর্যটকসহ অনেকে। তালা উপজেলার এই দরবার স্তম্ভটি দেশের প্রতœতাত্ত্বিক নির্দশনগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি।

দরবার স্তম্ভ সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের একটি নীরব সাক্ষী হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এটি প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে টিকে থাকলেও স্থানীয়দের মতে এটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও অযতেœ রয়েছে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

 

 

Ads small one

চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মন্ডলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ আগস্ট) সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার বলেন, বাদীপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সিরাজুল ইসলাম, আইনজীবী শেখ আবদুল খালেক ও নির্মল জোয়াদ্দার আদালতে শুনানি করেন। তারা আদালতে বলেন, আসামিরা সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তারা জামিনে বাইরে থাকলে সরকারি কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে উচ্চ আদালত থেকে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তারা সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে, আদালত চত্বরে নজরুল ইসলামের ছবি নিতে গেলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ফেলে দেন তার ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম।

গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে। মামলায় তার ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মন্ডলসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন। অভিযোগ করা হয়, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে চাঁদা দাবি এবং কাজ বন্ধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে হাজী নজরুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেন।

এরপর ২৩ মে দুপুরে হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। তাকে বাধা দিতে গেলে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসকেও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের একটি অ্যাপল স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়।

মামলার বাদীর দাবি, পুরো ঘটনা প্রকল্প এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। হামলায় আহত জাহিদ হাসান ও ফেরদৌসকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হামলার অভিযোগের সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্ষার আগে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা না গেলে উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে প্রকল্পটি নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ও এড. আবু বক্কর।

 

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম রেজাউল ইসলাম (৪৮)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার সেহারা গ্রামের মৃত সামত আলীর ছেলে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে থানায় কর্মরত এসআই সোহাগ মিয়া ও এসআই সাহিদুর রহমান মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ রাত ১০টার দিকে দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের নওয়াপাড়া ঢালাই রাস্তার মোড় থেকে ওয়াপদার দিকে যাওয়ার পথে জনৈক আব্দুল মান্নানের বাড়ির সামনে ইটের সলিং রাস্তার ওপর অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশ রেজাউল ইসলাম (৪৮) কে আটক করে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ১০ আগস্ট সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার সিরাজপুর গ্রামের মৃত নূর আহম্মদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুল মোমিন সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলেন- তার নিলাম খরিদা ভূমি ছোট ভাই আব্দুল মালেক ও তার সহযোগী বড় ভগ্নিপতি মোঃ আমজাদ হোসেন ও সেজো ভাইয়ের স্ত্রী শাকিলা বেগম এর বক্তব্য দিয়ে আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আমার বৃদ্ধা মাকে ভুল বুঝিয়া এক মিথ্যা বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কিছু না শুনে- না জেনে তার ও তার স্ত্রীর সম্মান হেয় করায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।

একই দিন দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিলিপ কুমার রায়। তিনি শ্যামনগর উপজেলা মিঠাচন্ডিপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র রায়ের ছেলে। দিলিপ কুমার তার লিখিত বক্তব্যে দাবী করেন, হরিনগর এলাকার দিলিপ মল্লিকের কন্যা চম্পা রানী তার স্ত্রী ছিলেন।

 

উক্ত চম্পা রানীর বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ করে বলেন, জনৈক আব্দুল মান্নানকে দিয়ে তার ভিটা বাড়ি লিখে নেওয়ার জন্য হুমকি ও মারপিট করেন। এই ঘনটায় তিনি শ্যামনগর থানায় ১৫৮২ নং জিডি করেন।

 

এই ঘটনায় চম্পা রানী নিজেকে আহত দেখিয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদলতে মামলা করেন। দিলীপ দাবী করেন বর্তমান তিনি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। এব্যাপারে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।