মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

বড়দলে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় দোকান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
বড়দলে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় দোকান নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারে ৩৯ বছর ধরে ভোগদখল করা একটি দোকানঘর নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হয়রানিমূলক মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। মৃত নেছার আলী গাজীর ওয়ারিশদের অর্জিত এই সম্পত্তি ঘিরে প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান ফকির অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
জামালনগর গ্রামের শফিকুল ইসলাম জানান, ১৯৮৯ সালে গোয়ালডাঙ্গা বাজারে মিতালী ক্লাবের পূর্বে অবস্থিত একটি দোকানের পজেশন ইসমাইল ও আবদুস ছাত্তারের কাছ থেকে ক্রয় করেন তাঁর বাবা নেছার আলী গাজী। ১৯৯৮ সালে তিনি এটি পাঁচ ছেলের নামে লিখে দেন। দীর্ঘকাল নিজস্ব পরিচালনায় রাখার পর ২০২২ সালে দোকানটি চুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়। ২০২৫ সালে ভাড়া তুলে নিয়ে তারা নিজেরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পাশাপাশি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমি ইজারা নিয়ে নিয়মিত রাজস্ব পরিশোধের (এলএ কেস নম্বর: ১৪৯/৬৭-৬৮) তথ্যও দেন তিনি।
শফিকুল আরও অভিযোগ করেন, খেড়ুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মিজানুর রহমান গত ২০ আগস্ট সদলবলে দোকানে এসে অহেতুক গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও বিপরীত পক্ষে মিথ্যা দাবি এনে পাল্টা মামলা করা হয়েছে।
এদিকে দোকানটির আইনি দখল ও দীর্ঘদিনের ব্যবসার সত্যতা নিশ্চিত করে লিখিত প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন গোয়ালডাঙ্গা বাজার কমিটির সভাপতি মো. মহিউদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বকুল। একই বিষয়ে প্রত্যয়ন দিয়েছেন বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন।

 

Ads small one

দ্বিতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতায় লড়বে সাতক্ষীরার ২৫ খেলোয়াড়, লক্ষ্য স্বর্ণজয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতায় লড়বে সাতক্ষীরার ২৫ খেলোয়াড়, লক্ষ্য স্বর্ণজয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২২ থেকে ২৪ অক্টোবর রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘দ্বিতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৬’। দেশের সর্ববৃহৎ এই কারাতে আসরে অংশ নিতে পুরোদমে প্রস্তুত সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদীয়মান কারাতে খেলোয়াড়রা।

 

সারাদেশ থেকে আসা প্রায় ১,৮০০ খেলোয়াড়ের উপস্থিতিতে হতে যাওয়া এই বিশাল আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করছে। তারা গতকাল সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। দলটির প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অভিজ্ঞ কোচ মো. আব্দুল মাতিন।

প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফলের লক্ষ্যে বিগত প্রায় এক মাস ধরে সাতক্ষীরার খেলোয়াড়দের নিবিড় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন কোচ মোঃ আব্দুল মাতিন। দীর্ঘদিনের এই নিরলস শ্রম ও কঠোর অনুশীলনের পর দারুণ আশাবাদী দলটি। প্রতিযোগিতা ঘিরে জেলা ক্রীড়া অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

দলীয় প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে কোচ মো. আব্দুল মাতিন জানান, “আমাদের খেলোয়াড়রা অত্যন্ত পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল। টানা এক মাসের কঠোর অনুশীলনে তারা নিজেদের সেরা ফর্মে রয়েছে। সারাদেশের প্রায় আঠারোশো সেরা খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও আমাদের প্রস্তুতি বেশ চমৎকার। আশা করছি, আমাদের প্রতিনিধি দল এবার সাতক্ষীরা জেলার জন্য একাধিক স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনবে।”

প্রতিযোগিতায় সাতক্ষীরার তরুণ কারাতেগাদের এই অংশগ্রহণ জেলা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ক্রীড়াপ্রেমীরা আশা করছেন, জাতীয় পর্যায়ের এ মঞ্চে তরুণ খেলোয়াড়রা সাফল্য অর্জন করে জেলার সুনাম আরও বৃদ্ধি করবে।

শারদীয় উৎসব উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শাড়ি বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
শারদীয় উৎসব উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শাড়ি বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শ্যামনগরের সনাতন সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেছে জামায়াতে ইসলামী। গত ২০ অক্টোবর সকাল ৯টায় পৌর সদরের দলীয় কার্যালয়ে জামায়াত নেতৃবৃন্দ শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে এসব শাড়ি হস্তান্তর করেন।

এ উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রাক্তন শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কৃষ্ণপদ ম-ল, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমেদ, জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল জলিল, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সামিউল মনিরসহ বিভিন্ন পূজাম-প কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ৩০০টি শাড়ি শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলার ৭০টি পূজাম-প কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনা সরিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনা সরিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ জনতা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় সরকারি রাস্তার পাশের ইজারার স্থাপনার একাংশ সরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। ইজারা বাতিল এবং স্থাপনা উচ্ছেদে খুলনা-৬ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা গত মঙ্গলবার সকালে রাস্তার পশ্চিম পাশের স্থাপনা সরিয়ে দিয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। ইজারা সংক্রান্ত এ বিষয় নিয়ে প্রশাসন, ইজারাদার ও এলাকাবাসী বর্তমানে ত্রিমুখী অবস্থানে রয়েছে। ফলে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে ইজারাদার ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

চিত্তরঞ্জন ঘোষের ওয়ারিশদের পক্ষে তপন ঘোষ জানান, পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা (১১১৪৮/১২) করলে তাঁদের পক্ষে রায় ও ডিক্রি হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারপক্ষ আপিল করলে উচ্চ আদালত নি¤œ আদালতের রায় ও ডিক্রি বহাল রাখেন। সম্প্রতি গোপালপুর মৌজার এসএ ৫৩ খতিয়ানের ৭২ দাগের ভিপি ১৬৭/৭৭-৭৮ লিজ কেসে ঘোষ পরিবারের জমির একাংশ একাধিক ব্যক্তির নামে পজেশন ইজারা দেয় উপজেলা ভূমি অফিস।

উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের নতুন বাজারসংলগ্ন নবনির্মিত প্রধান সড়কের দুই পাশের নালিশি এই জমি অবৈধভাবে ইজারা দেওয়া হয়েছেÑএমন অভিযোগ এনে প্রথমে মানববন্ধন এবং পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গত ১৫ অক্টোবর এলাকাবাসীর অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা-৬ আসনের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক ও খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী ইজারা বাতিলের জন্য জনসাধারণকে আশ্বাস দেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।

স্থানীয়দের দাবি, সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ ইজারা বাতিল এবং স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। অন্যদিকে ইজারাদারদের দাবি, তাঁরা সরকারি সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বৈধভাবে সরকারি রাজস্ব প্রদান সাপেক্ষে ইজারা গ্রহণ করেছেন। সে অনুযায়ী ইজারাকৃত জমি ভোগদখলের অধিকার তাঁদের রয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রত্যাশা করছেন সবাই।