মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

বজ্রপাতের ভয়াল থাবা: জীবন বাঁচাতে করণীয় কী?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতের ভয়াল থাবা: জীবন বাঁচাতে করণীয় কী?

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ
‎বাংলাদেশে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে বজ্রপাত। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাতে প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। বিশেষ করে মাঠে কর্মরত কৃষক, জেলে, দিনমজুর ও খোলা আকাশের নিচে কাজ করা সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সচেতনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধর্মীয় শিক্ষার অনুসরণ করলে এ দুর্যোগে প্রাণহানি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
‎কোরআনে বজ্রপাত: ‎পবিত্র আল-কোরআনে বজ্রপাতকে মহান আল্লাহ তাআলার অসীম ক্ষমতা ও মহিমার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা আর-রাদের ১৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‎“মেঘের গর্জন তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি বজ্রপাত প্রেরণ করেন, অতঃপর যাকে ইচ্ছা তা দ্বারা আঘাত করেন।”
‎এ আয়াত মানুষের জন্য সতর্কবার্তা ও শিক্ষা বহন করে। প্রকৃতির শক্তির সামনে মানুষের অসহায়ত্ব এবং মহান আল্লাহর ক্ষমতার প্রতি বিনয়ী হওয়ার আহ্বান এতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। একই সঙ্গে সূরা আর-রূমের ৪১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‎”মানুষের কৃতকর্মের কারণেই স্থলে ও জলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। ‎পরিবেশবিদদের মতে, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন, পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কোরআনের এ সতর্কবাণীর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
‎বজ্রপাতের সময় ইসলামের শিক্ষা: ‎হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, বজ্রধ্বনি শুনলে রাসুলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর স্মরণ করতেন এবং দোয়া পাঠ করতেন, ‎”সুবহানাল্লাযি ইউসাব্বিহুর রা’দু বিহামদিহি ওয়াল মালাইকাতু মিন খীফাতিহি”। ইসলামে যেকোনো বিপদ-আপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনার পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, উঁচু স্থান ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিহার করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়া ইসলামের শিক্ষারই অংশ।
‎বিজ্ঞান যা বলছে: ‎আবহাওয়া ও দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রপাত একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। এটি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে যথাযথ সতর্কতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
‎বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী: ‎বজ্রপাতের পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা নিয়মিত অনুসরণ করতে হবে। বজ্রঝড়ের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় ও উঁচু স্থানে অবস্থান করা যাবে না। নিরাপদ পাকা ভবন বা আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। ‎পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করতে হবে।
‎রাষ্ট্রের করণীয়: ‎বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রপাত মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় আধুনিক পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ থাকার নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সচেতনতাই হতে পারে প্রাণরক্ষার প্রধান হাতিয়ার
‎বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও অসচেতনতা ও অবহেলার কারণে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। কোরআনের শিক্ষা মানুষকে সতর্কতা, দায়িত্ববোধ ও মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের বার্তা দেয়।

Ads small one

খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খুলনায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ (মঙ্গলবার) দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় ৭৫টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের পাশে আছেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন। তারই নিদের্শনায় দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন সরকারি সহায়তা পায় এবং তাদের পাশে থাকতে বিভাগীয় প্রশাসনকে নিদের্শনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবং দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিানে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন দাশ গুপ্ত, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল করিম সহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বেলেঘাট পশ্চিমপাড়ায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। তথ্যবিবরণী

দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
দলীয় এমপির ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে যা বললো জামায়াত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবর পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, অতি সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নিজের বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ভিডিও বক্তব্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আরও খোঁজখবর ও প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
তালা বাজার বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন, সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: তালা বাজারকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং কথিত আন্ডারগ্রাউন্ড মাফিয়া চক্রের তৎপরতার অভিযোগ তুলে তালা বাজার বণিক সমিতির উদ্যোগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তালা ডাকবাংলো হলরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তালা বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত ২০ জুন শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সাগর তার সিডিআই মোটরসাইকেলটি মেরামতের জন্য মেলা বাজার পাম্পসংলগ্ন ফাহিমের গ্যারেজে জমা দেন। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আনার আশ্বাস দেওয়ার পর ফাহিম দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ফাহিম নিজেই মোটরসাইকেলটি চুরি করে ভাঙারি ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদের কাছে কেজি দরে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বণিক সমিতি একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও ফাহিম উপস্থিত হননি বলে দাবি করা হয়।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ জুলাই বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আলমগীর হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন ফাহিমের গ্যারেজে গিয়ে অভিযোগকারী সাগরের উপস্থিতিতে তার বক্তব্য গ্রহণ করেন। এ সময় ফাহিমের বাবা, খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল জলিল উপস্থিত থেকে বিষয়টির সিদ্ধান্ত বণিক সমিতির ওপর ছেড়ে দেন বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগ করা হয়, একপর্যায়ে সভাপতি ও কার্যনির্বাহী সদস্য সাময়িকভাবে ঘটনাস্থল থেকে সরে গেলে কয়েকজন বহিরাগত যুবক সেখানে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন অস্ত্র প্রদর্শন করে নিজেকে “খুলনার গ্রেনেড বাবু” পরিচয় দিয়ে কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় ফাহিম একটি ভারী সাইলেন্সার রেঞ্চ দিয়ে আঘাত করতে গেলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা মামুন হাওলাদার নামে একজন আহত হন।

এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ফেলে অন্য মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা গুলি করে হত্যার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, পুলিশি তদন্ত ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় ফাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে “গ্রেনেড বাবু” পরিচয়দানকারী ব্যক্তি খুলনা অঞ্চলের কথিত মাফিয়া “গ্রেনেড বাবু”র সহযোগী “কালা তুহিন” বলে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন বক্তারা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৪০টিরও বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি বলেও অভিযোগ করা হয়। এছাড়া, তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে খলিলনগর ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল জলিলের আশ্রয়ে থেকে মাদক ও চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বণিক সমিতির পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো: ফাহিমকে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং কালা তুহিন ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তালা বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বণিক সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তালা বাজার ও আশপাশের এলাকায় বাইরের বিভিন্ন সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব কর্মকান্ড রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তালা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক স, ম ইয়াছিন উল্লাহ,বণিক সমিতির নেতা ফারুক হোসেন, মেহেদী হাসান, আলমগীর হোসেন, হারুনসহ সমিতির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।