বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সংস্কৃতি যখন উন্নয়নের নতুন ভাষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
সংস্কৃতি যখন উন্নয়নের নতুন ভাষা

মো. মামুন হাসান
বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প আজ আর শুধু অবকাঠামো নির্মাণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিংবা রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উন্নয়নের নতুন বিশ্ব বাস্তবতায় একটি দেশের প্রকৃত শক্তি নির্ধারিত হচ্ছে তার সৃজনশীলতা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং নিজস্ব পরিচয়কে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তরের সক্ষমতার মাধ্যমে। প্রশ্ন হলো, আগামী দিনের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার নতুন চালিকাশক্তি কোথায় নিহিত? বৃহৎ শিল্পাঞ্চলে, নাকি কোনো গ্রামের উঠোনে বসে শত বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা একজন কারুশিল্পীর হাতে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে তাকাতে হয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার সেই অমূল্য ভা-ারের দিকে, যা এতদিন উন্নয়নের মূলধারার আলোচনায় যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।
প্রশ্নটি যতটা কাব্যিক, বাস্তবতাও ততটাই গভীর। কারণ বিশ্ব অর্থনীতির নতুন প্রবণতা বলছে, আগামী দিনের প্রতিযোগিতা শুধু শিল্প কারখানা বা প্রযুক্তিনির্ভর হবে না; বরং সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, ঐতিহ্য এবং স্থানীয় পরিচয়ও হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি। আর সেখানেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি লুকিয়ে আছে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা গ্রামকে দেখেছি কৃষির ক্ষেত্র হিসেবে, শ্রমশক্তির উৎস হিসেবে কিংবা শহরমুখী জনসংখ্যার যোগানদাতা হিসেবে। কিন্তু খুব কম মানুষই গ্রামকে একটি অর্থনৈতিক ব্র্যান্ড হিসেবে কল্পনা করেছে। অথচ পৃথিবীর বহু দেশে একটি গ্রাম একটি পণ্যকে কেন্দ্র করেই বিশ্ববাজারে পরিচিতি লাভ করেছে। জাপানের ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট আন্দোলন, থাইল্যান্ডের ওটপ মডেল কিংবা ইতালির কারুশিল্পভিত্তিক গ্রামীণ অর্থনীতি তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
বাংলাদেশ এখন সেই পথেই হাঁটার সুযোগ পেয়েছে।‘এক গ্রাম এক পণ্য’ শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি হতে পারে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন দর্শন। এই দর্শন বলে, প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব দক্ষতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যই হবে তার উন্নয়নের মূল ভিত্তি।
ভাবুন, কোনো একটি গ্রাম যদি শুধু শীতলপাটির জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়, কোনো অঞ্চল যদি শতরঞ্জির রাজধানী হিসেবে পরিচিতি পায়, কোনো উপজেলা যদি তাঁতের নকশা কিংবা টেরাকোটার জন্য পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়, তাহলে সেখানে শুধু পণ্য বিক্রি হবে না; বিক্রি হবে একটি গল্প, একটি ইতিহাস এবং একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।
আজকের বিশ্বে অভিজ্ঞতার বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। একজন বিদেশি পর্যটক এখন শুধু একটি স্মারক কিনতে চান না; তিনি জানতে চান সেই পণ্যের পেছনের মানুষ, সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রার গল্প। ফলে একটি শীতলপাটি শুধু একটি পণ্য নয়; এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের একটি জীবন্ত দলিল।
বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল অর্থনীতির বাজার কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। চলচ্চিত্র, সংগীত, নকশা, কারুশিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট, উৎসব এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনকে ঘিরে যে অর্থনীতি গড়ে উঠেছে, তা অনেক দেশের প্রচলিত শিল্পখাতের চেয়েও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশ এখনো এই বিশাল বাজারে তার প্রকৃত অবস্থান তৈরি করতে পারেনি।
অথচ আমাদের রয়েছে হাজার বছরের সভ্যতা, নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতি, লোকসংগীত, বৈচিত্র্যময় খাদ্য ঐতিহ্য, হস্তশিল্প, উৎসব এবং অসংখ্য অপ্রকাশিত গল্প।প্রশ্ন হলো, আমরা কি এগুলোকে অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখেছি?
বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অন্যতম সীমাবদ্ধতা হলো আমরা এখনো পর্যটনকে মূলত স্থানভিত্তিকভাবে দেখি। কক্সবাজার, সুন্দরবন কিংবা পাহাড়ি অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই অধিকাংশ পরিকল্পনা আবর্তিত হয়। অথচ বিশ্বের অনেক সফল পর্যটন গন্তব্য গড়ে উঠেছে সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে।
একটি পিঠা উৎসব, একটি বাউল উৎসব, একটি নদী উৎসব কিংবা একটি লোকজ মেলা হাজারো পর্যটক আকর্ষণ করতে পারে, যদি তা পরিকল্পিতভাবে আয়োজন ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করা যায়।
ভাবুন, ডিসেম্বরকে ‘বাংলার পিঠা মাস’, ফাল্গুনকে ‘লোকসংস্কৃতির মাস’, বর্ষাকে ‘নদী ও নৌসংস্কৃতির উৎসব ঋতু’ এবং শরৎকে ‘গ্রামীণ ঐতিহ্যের ঋতু’ হিসেবে বিশ্বদরবারে পরিচিত করা হয়। তাহলে বাংলাদেশের পর্যটন ক্যালেন্ডার সারা বছরই প্রাণবন্ত থাকতে পারে। এতে শুধু পর্যটক বাড়বে না; জেগে উঠবে গ্রামীণ অর্থনীতিও।
একজন পর্যটক যখন কোনো গ্রামে যান, তখন তিনি শুধু একটি টিকিট কেনেন না। তিনি স্থানীয় পরিবহন ব্যবহার করেন, স্থানীয় খাবার খান, স্থানীয় হস্তশিল্প কেনেন, স্থানীয় গাইড নিয়োগ করেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করেন। ফলে পর্যটনের প্রতিটি টাকা বহু মানুষের হাতে পৌঁছে যায় এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করে।
একবিংশ শতাব্দীর অর্থনীতিতে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কারখানা নয়, ধারণা। সবচেয়ে মূল্যবান পণ্য কাঁচামাল নয়, সৃজনশীলতা। সবচেয়ে মূল্যবান ব্র্যান্ড বিজ্ঞাপন নয়, গল্প।সেই গল্পই বলতে পারে বাংলাদেশ।
‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ যদি সত্যিকার অর্থে একটি জাতীয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়, তাহলে বিশ্ব এক নতুন বাংলাদেশকে দেখতে পাবে। যে বাংলাদেশ শুধু পোশাক রপ্তানি করে না; যে বাংলাদেশ সংস্কৃতি রপ্তানি করে, সৃজনশীলতা রপ্তানি করে, অভিজ্ঞতা রপ্তানি করে এবং নিজস্ব পরিচয়কে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করে।
হয়তো আগামী দশকের বাংলাদেশকে আমরা আর শুধু তৈরি পোশাকের দেশ হিসেবে চিনব না। আমরা চিনব এমন একটি দেশ হিসেবে, যেখানে একটি গ্রামের শীতলপাটি, একটি বাউলের গান, একটি পিঠার স্বাদ, একটি নদীর গল্প এবং একটি মানুষের সৃজনশীলতা মিলেই গড়ে তুলেছে নতুন অর্থনীতির ভিত্তি।
বাংলাদেশের পরবর্তী অর্থনৈতিক বিপ্লব হয়তো কোনো শিল্পাঞ্চলে নয়, শুরু হবে গ্রামের উঠোনে। আর সেই বিপ্লবের নাম হতে পারে সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও পর্যটনের অর্থনীতি। লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান,ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।