সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/উপকূলের কান্না ও পাউবো’র ‘জোড়াতালি’র অবসান হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/উপকূলের কান্না ও পাউবো’র ‘জোড়াতালি’র অবসান হোক

বর্ষা মৌসুমের আগমন মানেই সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার মানুষের বুকে কাঁপন ধরা। বছরের পর বছর ধরে জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ, নদীভাঙন আর জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা এ অঞ্চলের মানুষের ললাটলিখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২১জুন দৈনিক পত্রদূতে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, শ্যামনগর ও আশাশুনির অন্তত ৪০টি পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ভেঙে বা ফাটল ধরে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এর মধ্যে আশাশুনির তেঁতুলিয়া সেতুর পাড়, কুড়িকাউনিয়া, হরিষখালী, কাকবাসিয়া কিংবা শ্যামনগরের পদ্মপুকুর, গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনীর মতো বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ এখন লোনা পানিতে প্লাবিত হওয়ার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ভাঙন যখন মানুষের দোরগোড়ায় এসে ঠেকেছে, তখন পাউবো’র ধীরগতির ও আংশিক সংস্কারকাজ উপকূলবাসীকে কোনোভাবেই আশ্বস্ত করতে পারছে না।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য এই নদীই যেন দুঃখ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কপোতাক্ষ, মরিচ্চাপসহ বিভিন্ন নদ-নদীর ভাঙনে বছরের পর বছর ধরে ভিটেমাটি হারাচ্ছেন হাজারো মানুষ। আশাশুনির কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মতো অনেকেই একবার বসতভিটে হারিয়ে যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন, ভাঙতে ভাঙতে নদী এখন সেখানেও হানা দিয়েছে। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যমতে, দুটি বিভাগের আওতায় প্রায় ২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ৪০টি স্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ এর মধ্যে মাত্র ১০ কিলোমিটারের মতো জায়গায় সংস্কারকাজ চলছে এবং বাকি অংশের জন্য এখনো বরাদ্দের অপেক্ষা করা হচ্ছে। বর্ষার পূর্ণ মৌসুম শুরু হওয়ার পর এই বরাদ্দ আর সংস্কারের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কতটুকু কাজে আসবে, তা সহজেই অনুমেয়।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগÑপাউবো প্রতিবছর যে সংস্কারকাজ করে, তা অধিকাংশ সময়ই ‘দায়সারা’ ও ‘জোড়াতালি’র শামিল। ফলে বর্ষা বা সামান্য জলোচ্ছ্বাস এলেই সেই বাঁধ খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রতিবছর যেনতেনভাবে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে বাঁধ মেরামতের নামে সরকারি অর্থের অপচয় না করে, একবারে স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হোক। আধুনিক প্রকৌশল বিদ্যা ব্যবহার করে ব্লক বা শক্তিশালী সিসি জিওব্যাগ দিয়ে যদি স্থায়ী বাঁধ দেওয়া না হয়, তবে এই ক্ষণস্থায়ী জোড়াতালি কোনো দীর্ঘমেয়াদি সুফল আনবে না।
জলবায়ু পরিবর্তনের এই ক্রান্তিকালে উপকূলের মানুষকে এভাবে প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর ঝুঁকিতে রাখা অমানবিক। আমরা মনে করি, সরকারের নীতি নির্ধারকদের অবিলম্বে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের এই বেড়িবাঁধ সংকটকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও বরাদ্দের অজুহাত সরিয়ে রেখে জরুরি ভিত্তিতে এই ৪০টি পয়েন্টসহ সমগ্র উপকূলের ২০ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কারে শতভাগ সক্ষমতা নিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে পাউবো’র কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। উপকূলের মানুষ কেবল একটু নিরাপদে ঘুমানোর অধিকার চায়; সেই ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আর কতকাল সময় লাগবে, এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

Ads small one

শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে জেলেখালী খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে জেলেখালী খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় মুন্সীগঞ্জ জেলেখালীতে প্রায় ২৫ একর জমির মধ্যে গ্রামবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে বেসরকারি উদ্যোগে খাল খনন করা হয়েছে। খাল খনন শেষ না হতেই খাল পূর্বের দখলকারীরা পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় গ্রামবাসী।

এলাকার কৃষকরা বলেন, মাটির নিচে লবনাক্ত হলেও এই এলাকায় আমন মৌসুমী ফসল উৎপাদন হয়। একটি ফসলের উপর নির্ভর করে এই অঞ্চলের কৃষক কষ্ট করে টিকে আছে। বছরের অন্যান্য সময় শহরের ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে যেতে হয়। এলাকায় মিষ্টি পানির সংকট থাকার কারণে কৃষকরা এখানে শুধুমাত্র আমন ধান চাষ করে। জেলেখালির খালে বোরো মৌসুমী খালের ২ থেকে ৩ ফিট পানির থাকে, সেই পানির উপর ভরসা করে দুইটি ফসল করার চেষ্টা করলেও অধিকাংশ সময়ে পানি সংকট দেখা যায়। ফলে বোরো ফসল শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

গ্রামের মধ্যে জেলেখালি খালটি প্রবাহিত হয়েছে, যার ২.২ কিঃমিঃ উন্মুক্ত আছে। সেই অংশটি খনন করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা। বর্ষা মৌসুমী কৃষি ফসলের মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য খালটি উন্মুক্ত রাখারও প্রয়োজন। কিন্তু খালটি ভরাট থাকার কারণে প্রতিবছর জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার ফলে পানি নিষ্কাশন না হলে ফসল ও বীজতলায় বিগত কয়েক বছর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমী খালে পানি থাকে না, বেশিরভাগ জায়গা পতিত থাকে। এমতাবস্থায় খালটি উন্মুক্ত রাখার দাবিতে জেলেখালি গ্রামবাসী গণস্বাক্ষর করে উপজেলা প্রশাসনের নিকট পেশ করেন।

জনগণের দাবির পক্ষে প্রশাসন ও বেসরকারি সংগঠন খালটি খননের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার দাগ নম্বর ২৩৯, ২৮১। জনগনের দাবি, আইনগত মতামতের ভিত্তিতে ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে, সুইডেন দূতাবাস, ঢাকা এর অর্থায়নে, সিএনআরএস-বিফরআরএল প্রকল্পের উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। খালটি খনন উদ্বোধন করেন সাংসদ গাজী নজরুল ইসলাম।

খালটি খনন করার পর পূর্বের দখলকারী ইসাক আলী পাড়ের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা স্থানীয় মানুষের হুমকি দিয়ে খালের একটি অংশে কিছু রুই জাতীয় মাছের পোনা ছেড়ে দেন। সাথে সাথে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে। খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বিষয়টি স্থানীয় সুধীমহল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছে তুলে ধরেন। এলাকাবাসীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য সংসদ সদস্য বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এছাড়া শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসক, সহকারী কমিশনার ভূমিসহ বিভিন্ন মহলে খালটি মুক্ত রাখার আবেদন করেন।

এ বিষয়ে খাল দখলকারী ইসহাক আলী পাড়ের নিকট কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ খালের মাছ বিক্রির আয় থেকে কিছু অর্থ দলীয় ও একটি প্রতিষ্ঠানের নামে যায়। তাছাড়া আমি ব্যক্তিগত কোন কাজে এই অর্থ ব্যবহার করি না, আমার সৃষ্টিকর্তা অনেক কিছু দিয়েছেন। খালমুক্ত থাকলে সবার জন্য ভালো কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ায় আটকানো রয়েছে। খালমুক্ত থাকলে আমিও সাধুবাদ জানাই। আইনের প্রক্রিয়ায় খালটি মুক্ত হলে আমি ১৫ দিন অথবা এক মাসের মধ্যে সব মাছ ধরে নিতে পারব। এই এলাকার হিন্দু মুসলিম আমার ভাই আত্মীয়। সবাই এই খালের সাথে যুক্ত উল্লেখ করে তাদের ক্ষয়ক্ষতি না করে সমন্বয় করে নেওয়ার কথা বলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, কোটের নিষেধাজ্ঞা আছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসীর সাথে যাতে সম্পর্কের অবনতি যাতে না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবো বলে তিনি জানান।

খালপাড়ের বাসিন্দা ধনঞ্জয় গায়েন বলেন, এই খালটি আমাদের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। খালটি খনন হওয়ায় এলাকার পানি নিষ্কাশনসহ কৃষকরা বোরো ধান চাষ করতে পারবেন। এই খালটি খনন করার জন্য খালের দু’পাড়ে কৃষকদের কাছে গণস্বাক্ষর করে নিয়েছে যাতে খালটি উন্মুক্ত থাকে এবং খালের পাড়ে আমাদের জমিতে মাটি রাখতে পারে। খালপাশে কৃষি জমিতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জায়গাতে মাটি ফেলা হয়েছে যেটা আমাদের কৃষকের স্বার্থ ও খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য আমরা খননের জন্য একমত হয়েছি ।

কৃষাণী ফুলমতি মিস্ত্রি বলেন, এই খালটি ইজরা বা দখল থাকলে এই খালের একফোঁটা পানি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না স্থানীয় কৃষকরা। আমরা শত শত কৃষক কৃষাণী এখন মাছ ধরছি কিন্তু মাছ ধরার সুযোগ তো দূরে থাক, একফোঁটা পানি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না।

জেলেখালির গ্রামের ইউপি সদস্য দেবাশিষ গায়েন বলেন, উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এর উদ্যোগে এই খালটি খনন করা হয়েছে। এ খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। এই খাল দখলদারদের হাতে চলে গেলে এলাকার কৃষকগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।

 

আলিয়ার এক প্রশংসায় রীতিমতো তারকা বনে গেলেন, কে এই যুবক?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
আলিয়ার এক প্রশংসায় রীতিমতো তারকা বনে গেলেন, কে এই যুবক?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৭ হাজার অনুসারী নিয়ে দিন কাটছিল সুক্রুত দেওর। পরিচিতি বলতে বন্ধু-স্বজন আর অল্প কিছু দর্শক। কিন্তু ভাগ্য বোধহয় অপেক্ষা করছিল একটি মঞ্চের জন্য, আর সেই মঞ্চের নাম ইন্ডিয়াজ গট ল্যাটেন্ট।

শোতে এসে এমন এক পারফরম্যান্স দিলেন সুক্রুত, যা দেখে মুগ্ধ শুধু দর্শকই নন, বলিউড তারকা আলিয়া ভাটও। আর আলিয়ার প্রশংসা যেন কাজ করল জাদুর মতো। এরপর যা ঘটল, তা অনেক নতুন শিল্পীর কাছেই স্বপ্নের মতো।

কয়েক দিনের ব্যবধানে সুক্রুতের অনুসারীর সংখ্যা ৭ হাজার থেকে লাফিয়ে পৌঁছে যায় ১ লাখ ৩৬ হাজারে। অর্থাৎ যে সংখ্যাটা একসময় কল্পনার মতো ছিল, সেটাই এখন বাস্তব।

শোটির নির্মাতা ও সঞ্চালক সমায় রায়নাও সুক্রুতকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তার মতে, এই তরুণের মধ্যে রয়েছে আলাদা এক আকর্ষণ, যা দর্শকদের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

নেটদুনিয়াতেও এখন সুক্রুতকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। কেউ বলছেন তিনি অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক, কেউ আবার দাবি করছেন— এই মৌসুমের সবচেয়ে স্মরণীয় আবিষ্কার হতে পারেন তিনি।

বিনোদন জগতে প্রায়ই বলা হয়, একটি সুযোগ মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। সুক্রুত দেওর গল্পটি আপাতত সেই কথারই নতুন সংস্করণ। কয়েক দিন আগেও যিনি ছিলেন হাজারের ঘরে, তিনি এখন লাখো মানুষের নিউজফিডে। আর সবকিছুর শুরু একটি পারফরম্যান্স, কয়েকটি প্রশংসাসূচক বাক্য এবং দর্শকদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা থেকে।

৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেলো মিসর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেলো মিসর

১৯৩৪ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেছিল মিসর। চলতি বিশ্বকাপসহ অংশ নিয়েছে মোট ৪ আসরে। কিন্তু আগের তিনটি আসরেই ছিল হতাশা। জয় ছিল না একটিও। এবার মোহাম্মদ সালাহের মিসর নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে। তাতে গ্রুপ ‘জি’-এর শীর্ষে উঠে গেছে ফারাওরা।

এই জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠলেও এখনই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়নি মিসরের। আগামী শুক্রবার সিয়াটলে ইরানের বিপক্ষে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে অন্তত ড্র করলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হবে।

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া মিসর এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে দুটি গোল করেছিলেন সালাহ। এবার ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। তৃতীয়টিতে রাখেন অবদান।

জয় পেলেও ম্যাচের ১৫ মিনিটে মিসরকে বিপদে ফেলে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কর্নার থেকে টিম পেইনের নিখুঁত ক্রসে হেডে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ফিন সারম্যান।

শেষ পর্যন্ত মিসর খেলায় ফেরে বিরতির পর। আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে ৫৮ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো। এরপর ৬৭ মিনিটে জিকোর ব্যাকহিল পাস থেকে গোল করে মিসরকে এগিয়ে দেন সালাহ। জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কোচ হোসাম হাসানের রেকর্ড স্পর্শ করতে এখন সালাহর প্রয়োজন আর মাত্র একটি গোল। ৮২ মিনিটে ত্রেজেগের ডাইভিং হেডারে ম্যাচের শেষ গোলটি আসে। গোল বানিয়ে দিয়েছেন সালাহ।

উল্লেখ্য, গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল মিসর। আর ২০১০ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে তারা তিনটি ম্যাচই ড্র করেছিল। ইরানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুইবার এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা।