বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্জ্য: পরিবেশ ও মানবতার জন্য এক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
বর্জ্য: পরিবেশ ও মানবতার জন্য এক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ

 

বাহলুল আলম
বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেবল একটি পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক সমস্যা নয়; এটি একটি গভীর পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পরিণত হয়েছে। দ্রুত নগরায়ন, শিল্পায়ন, অতিরিক্ত ভোগবাদ এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। এসব বর্জ্য যদি যথাযথভাবে সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পুনঃব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা করা না হয়, তবে তা পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য এবং অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে বর্জ্য সমস্যা দিন দিন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য, হাসপাতাল বর্জ্য, ই-বর্জ্য এবং শিল্প বর্জ্য বর্তমানে বড় ধরনের পরিবেশগত হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। শহর ও গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলার কারণে নদী-খাল ভরাট হচ্ছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট হচ্ছে এবং জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বর্জ্য বলতে এমন সব অপ্রয়োজনীয় বা ব্যবহারের অযোগ্য পদার্থকে বোঝায়, যা মানুষ দৈনন্দিন জীবন, কৃষি, চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা কিংবা শিল্পকারখানার কার্যক্রম থেকে ফেলে দেয়। এই বর্জ্য যখন সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয় না, তখন তা পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করে, রোগব্যাধি ছড়ায়, জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দেয়।
বর্জ্যের বিভিন্ন ধরন রয়েছে। জৈব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে খাদ্যের উচ্ছিষ্ট, শাকসবজির খোসা, গাছের পাতা ও কৃষিজ বর্জ্য, যা প্রাকৃতিকভাবে পচে যায় এবং কম্পোস্ট সার তৈরিতে ব্যবহার করা সম্ভব। অন্যদিকে প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, কারণ এটি সহজে নষ্ট হয় না এবং দীর্ঘদিন মাটি, নদী ও সমুদ্রে থেকে যায়। প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন ব্যাগ, চিপসের প্যাকেট ও প্লাস্টিক কাপ এর সাধারণ উদাহরণ। এছাড়া কাগজজাত বর্জ্য, ধাতু ও কাঁচের বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এগুলোও দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিপজ্জনক বর্জ্যের মধ্যে ব্যাটারি, হাসপাতালের বর্জ্য, রাসায়নিক পদার্থ, ই-বর্জ্য ও কীটনাশক অন্তর্ভুক্ত, যা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষণ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলার ফলে বাতাস, পানি ও মাটি দূষিত হচ্ছে। নদী ও খালে বর্জ্য জমে জলপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং কৃষিজমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। একইসঙ্গে অপরিষ্কার বর্জ্য থেকে রোগজীবাণুর জন্ম হচ্ছে, যার ফলে ডায়রিয়া, ডেঙ্গু, চর্মরোগ, হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের মতো রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বর্জ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ল্যান্ডফিলে জমা জৈব বর্জ্য থেকে মিথেন গ্যাস নির্গত হয়, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস। এছাড়া প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বর্জ্য জলজ ও স্থলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অনেক প্রাণী প্লাস্টিক খেয়ে মারা যায় এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ধ্বংসের মুখে পড়ে।
এই সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী ৫জ নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে- জবভঁংব, জবফঁপব, জবঁংব, জবপুপষব এবং জড়ঃ/ঈড়সঢ়ড়ংঃ। অপ্রয়োজনীয় ও একবার ব্যবহারযোগ্য পণ্য প্রত্যাখ্যান করা, প্রয়োজন অনুযায়ী কম ব্যবহার করা, একই পণ্য পুনঃব্যবহার করা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য আলাদা করে রিসাইক্লিং করা এবং জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি করা। এই নীতিগুলো টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি।
ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা ডাস্টবিন ব্যবহার, প্লাস্টিক কম ব্যবহার, বর্জ্য আলাদা করা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারি। পরিবার পর্যায়ে কম্পোস্ট তৈরি ও পুনঃব্যবহারযোগ্য পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করতে হবে এবং বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করতে হবে। অন্যদিকে সরকারের দায়িত্ব হলো কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতি বাস্তবায়ন, কঠোর পরিবেশ আইন প্রয়োগ এবং রিসাইক্লিং শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সাথেও সরাসরি সম্পর্কিত। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়তা করে (এসডিজি-৩), পানি দূষণ কমিয়ে বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করে এসডিজি-৬, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর গঠনে ভূমিকা রাখে এসডিজি-১১, দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিত করে এসডিজি-১২, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমায় এসডিজি-১৩ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করে (এসডিজি-১৪-১৫)।
বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা রয়েছে। ১৯৯৫ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভিত্তি স্থাপন করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ শিল্প ও প্রকল্পভিত্তিক পরিবেশগত মানদ- নির্ধারণ করেছে। এছাড়া কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধকরণ এবং মেডিকেল ও ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সবশেষে বলা যায়, বর্জ্য শুধু ময়লা নয়; এটি একটি গভীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন জনসচেতনতা, আধুনিক প্রযুক্তি, কার্যকর আইন বাস্তবায়ন এবং সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ। আমাদের প্রত্যেকের ছোট ছোট উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে। আমাদের পৃথিবী কোনো আবর্জনার ভাগাড় নয়Ñএটাই আমাদের একমাত্র বাসস্থান। আসুন, আমরা একে রক্ষা করি।

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।