বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভোমরা-বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভোমরা-বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটিতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেনাপোল-পেট্রাপোল, ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা স্থল বন্দর দিয়ে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল শুল্কভবনের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউর রহমান জানান, মঙ্গলবার বৈশাখের ছুটিতে বন্দর ও কাষ্টমস বন্ধ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার সরকারি ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে এক দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আটকা পড়েছে দু’দেশের শতাধিক পন্যবাহি ট্রাক। ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতে কোন প্রভাব পড়বে না।

দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায স্থলবন্দর বেনাপোলসহ শার্শা ও বাগআচড়া এলাকায় উৎসব আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে।

বাঙালির চিরচেনা চিরজানা এই বৈশাখে অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সকালে বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকায বৈশাখের র‌্যালি প্রদর্শিত হয়। হরেক রমক সাজে বেনার ফেস্টুন ও প্লাকার্ড নিয়ে যোদদেন র‌্যালিতে। চলে পান্তা ইলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

Ads small one

প্রসঙ্গ: উপকূলের পানির সংকটে করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
প্রসঙ্গ: উপকূলের পানির সংকটে করণীয়

সম্পাদকীয়

জলবায়ু পরিবর্তনের নানাবিধ অভিঘাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী জনপদগুলো আজ চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি। এর মধ্যে সবচেয়ে তীব্র ও মানবিক সংকটটি রূপ নিয়েছে নিরাপদ সুপেয় পানির অভাব হিসেবে। সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সুপেয় পানির বর্তমান চিত্র ও এর ভয়াবহতা যেভাবে উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভৌগোলিক কারণে এই অঞ্চলে মিষ্টি পানির উৎস এমনিতেই সীমিত, তার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লবণাক্ততার আগ্রাসন ভূগর্ভস্থ ও ভূউপরিস্থ পানির সমস্ত উৎসকে গ্রাস করছে।

উপকূলের এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে প্রকৃতির সঙ্গে। কিন্তু লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে নদী, খাল ও সাধারণ জলাশয়ের পানি পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। শুধু মানুষই নয়, গবাদিপশুও সুপেয় পানির অভাবে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও ভঙ্গুর করে তুলছে। নিরাপদ পানির জন্য স্থানীয় সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে যে তীব্র হতাশা বিরাজ করছে, তা কেবল একটি অঞ্চলের সমস্যা নয়—এটি একটি জাতীয় সংকট। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নারীদের খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যা তাঁদের শারীরিক ও সামাজিক সুরক্ষাকেও ঝুঁকিতে ফেলছে।

এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য ঐতিহ্যগত বা ক্ষণস্থায়ী কোনো সমাধান আর যথেষ্ট নয়। প্রথমত, সরকারি ও প্রাকৃতিক বড় বড় জলাধারগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করে পুনঃখনন করতে হবে, যাতে বর্ষা মৌসুমের মিষ্টি পানি দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখা যায়। দ্বিতীয়ত, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের (রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং) পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে হবে। তবে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত বহুমুখী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এই অঞ্চলের জন্য সুপেয় পানি সরবরাহের সবচেয়ে টেকসই পদ্ধতিটি খুঁজে বের করতে ব্যাপক গবেষণা চালানো।

শ্যামনগরের এই সংকট নিরসনে সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) সমন্বিত উদ্যোগ এবং অর্থায়ন অত্যন্ত জরুরি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর এই মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কালক্ষেপণের আর কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্রীয় বিশেষ উন্নয়ন মহাপরিকল্পনার আওতায় এনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শ্যামনগরসহ পুরো উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির স্থায়ী ব্যবস্থা করা হবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

 

অবহেলার অন্ধকারে সাতক্ষীরার লোকজ অমৃত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
অবহেলার অন্ধকারে সাতক্ষীরার লোকজ অমৃত

আখলাকুর রহমান

বিকেলের ম্লান রোদটুকু যখন বাঁশবাগানের মাথার ওপর এসে থমকে দাঁড়ায়, তখন গ্রামীণ নিস্তব্ধতার বুক চিরে এক তীব্র উদাসীনতার সুর কানে বাজে। রূপসী বাংলার এই নিভৃত কোণে, যেখানে সুন্দরবনের নোনা বাতাস আর পলিমাটির সুবাস মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে, সেই সাতক্ষীরার মেঠোপথের ধারে কতশত অবহেলিত ইতিহাস লুকিয়ে আছে, তার খবর শহরতলির মানুষ কোনোদিন জানতেও পারে না। একসময় আমাদের শৈশবের দিনগুলো জড়িয়ে থাকত গ্রামের ঝোপঝাড়ে, সাপের উপদ্রব উপেক্ষা করে নিবিড় কোনো বাঁশবনের কোণে। সেখানে অযতেœ, অবহেলায় কত বিচিত্র ফলের মেলা বসত। টক-মিষ্টি স্বাদের টুকটুকে লাল বৈঁচি ফল, হলদেটে ডেউয়া, ডালপালার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সুমিষ্ট কাউফল কিংবা উঠোনের কোণের সেই জীর্ণ আতা গাছটি—এরা তো কেবল ফল ছিল না, ছিল বাংলার শ্বাশত রূপের একেকটি চিরচেনা অবয়ব।

আজকের নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ইট-পাথরের খাঁচায় বসে ল্যাপটপের পর্দায় কত কী দেখে, কিন্তু বৈঁচি ফলের সেই অম্ল-মধুর স্বাদ কিংবা কাউফলের গন্ধ তাদের চেনা জগতের অনেক বাইরে রয়ে গেল। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই দেশীয় ফলগুলো ছিল গ্রামীণ মানুষের পুষ্টির এক অফুরন্ত এবং সহজলভ্য উৎস। অথচ বড় বেদনার সাথে লক্ষ্য করতে হয়, প্রকৃতির এই অমূল্য দানগুলোকে পরম যতেœ বাঁচিয়ে রাখার, কিংবা এদের বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করার কোনো সুনির্দিষ্ট সরকারি বা বেসরকারি প্রয়াস আজ চোখে পড়ে না। যেন এক অলিখিত নিয়মে আমরা আমাদের শেকড়কে ভুলে যাওয়ার উৎসবে মেতে উঠেছি।

শুধু কি বুনো ফল? এই জনপদের মানুষের হাতের ছোঁয়ায় কত কী যে অমৃত হয়ে উঠত, তা ভাবলে অবাক হতে হয়। বর্ষার জলে ভেসে আসা সাতক্ষীরার খাল-বিলের আদি খৈলশা কিংবা পারশে মাছের সেই সোঁদা গন্ধযুক্ত শুঁটকি, সুন্দরবনের গহীন অরণ্য থেকে মৌয়ালদের বুকভাঙা পরিশ্রমে সংগৃহীত খাঁটি পদ্মমধু, কিংবা গোয়াল ঘরের গরুর দুধ জ্বাল দিয়ে পরম যতেœ তৈরি করা খাঁটি গাওয়া ঘি—এসবের স্বাদে ও গুণে যে অনাবিল তৃপ্তি ছিল, তা আজকের নামী-দামী সুপারশপের চকচকে মোড়কের খাবারে মেলা ভার। কিন্তু বড় দুঃখ হয় যখন দেখি, সঠিক বিপণন ও আধুনিক ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে এই অসাধারণ পণ্যগুলো দেশের মূল ধারার বাজারে নিজেদের যোগ্য আসনটি আজও ফিরে পেল না। প্রচারের আলো থেকে বহুদূরে, গ্রামীণ হাটের ধুলোবালি আর অবহেলার অন্ধকারে এরা যেন নিজেদের অস্তিত্বের শেষ স্পন্দনটুকু টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ঐতিহ্য হারিয়ে গেলে একটা দেশের প্রাণস্পন্দনও স্তিমিত হয়ে আসে। আমাদের মাটির এই সোঁদা গন্ধ, আমাদের এই নিজস্ব ফল আর লোকজ সম্পদগুলোকে যদি আমরা হারিয়ে যেতে দিই, তবে ভবিষ্যৎ এক চরম রিক্ততার মুখোমুখি দাঁড়াবে। এখনো সময় আছে, গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং আমাদের এই সুপ্ত গৌরবকে বাঁচিয়ে রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সাতক্ষীরার এই নিজস্ব সম্পদগুলোর গায়ে আধুনিকতার রঙ চড়িয়ে যদি দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবেই হয়তো প্রকৃতির এই পরম উপহারের সঠিক মূল্যায়ন হবে। মেঠোপথের ধারের ওই নামহীন কাউফল গাছটি কিংবা অবহেলিত শুঁটকির ডালি যেন ফিসফিসিয়ে আমাদের বিবেককে ডেকে বলছে, তোমরা আধুনিক হও, কিন্তু নিজেদের হারিয়ে ফেলে নয়।

 

 

আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস: বিশ্ববাণিজ্যের অদৃশ্য নায়করা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস: বিশ্ববাণিজ্যের অদৃশ্য নায়করা

সাকিবুর রহমান বাবলা

বিশ্ব অর্থনীতির সচল গতির পেছনে যে অদৃশ্য শক্তি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে, তার অন্যতম হলো নাবিক। খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক পণ্য—বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ পণ্য পরিবহনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সমুদ্রপথের এই সাহসী মানুষগুলো। প্রতি বছর ২৫ জুন পালিত ‘আন্তর্জাতিক নাবিক দিবস’-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ব অর্থনীতির এই অকুতোভয় কর্মযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তাঁদের পেশাগত অবদান ও ঝুঁকিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা।

২০১০ সালে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (IMO) উদ্যোগে প্রবর্তিত এই দিবসটি বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্যথ “Carrying world trade. Carrying the risks.” নাবিকদের জীবন ও বিশ্ববাণিজ্যের মধ্যকার গভীর সম্পর্ককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে তুলে ধরে। আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগেও সমুদ্রপথের পেশা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কর্মক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। পরিবার থেকে দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকা, বৈরী আবহাওয়া, জলদস্যুতার হুমকি, সশস্ত্র সংঘাত এবং মানসিক একাকীত্বের সঙ্গে লড়াই করেই তাঁরা নিরবচ্ছিন্নভাবে বিশ্ববাণিজ্যের চাকা সচল রাখছেন।

হরমুজ প্রণালীর মতো ভূ-রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর অঞ্চলের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কিংবা বৈশ্বিক মহামারির সংকটময় সময়েও, যখন পৃথিবীর অনেক কিছু স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন নাবিকরাই সরবরাহব্যবস্থা সচল রেখে বিশ্ব অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বাংলাদেশের জন্যও এই দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম। বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি সামুদ্রিক সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে নৌখাতের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বিশ্ববাজারে দক্ষ নাবিকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা এবং নাবিকদের অধিকার ও কল্যাণ সুরক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ এ খাতে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

নাবিকদের অবদান কেবল পণ্য পরিবহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; তাঁরা বিশ্বশান্তি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়েরও অন্যতম বাহক। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ও অর্থনীতিকে এক অদৃশ্য বন্ধনে যুক্ত করে রাখেন। অথচ তাঁদের জীবনের ঝুঁকি, স্বাস্থ্যসেবা এবং মানসিক সুস্থতার বিষয়গুলো অনেক সময়ই আলোচনার আড়ালে থেকে যায়। তাই আন্তর্জাতিক নাবিক দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিতÑ নাবিকদের জন্য একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।

খোলা আকাশের নিচে, উত্তাল সমুদ্রের বুকে তাঁদের এই অবিরাম যাত্রাই বিশ্ববাণিজ্যের প্রাণস্পন্দন। নাবিকদের নিষ্ঠা, সাহস ও ত্যাগের কারণেই বিশ্ব অর্থনীতির চাকা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলেছে। আন্তর্জাতিক নাবিক দিবসে তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।