শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভোমরা-বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভোমরা-বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটিতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেনাপোল-পেট্রাপোল, ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা স্থল বন্দর দিয়ে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল শুল্কভবনের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউর রহমান জানান, মঙ্গলবার বৈশাখের ছুটিতে বন্দর ও কাষ্টমস বন্ধ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার সরকারি ছুটি থাকায় দুই দেশের মধ্যে এক দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আটকা পড়েছে দু’দেশের শতাধিক পন্যবাহি ট্রাক। ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতে কোন প্রভাব পড়বে না।

দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায স্থলবন্দর বেনাপোলসহ শার্শা ও বাগআচড়া এলাকায় উৎসব আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে।

বাঙালির চিরচেনা চিরজানা এই বৈশাখে অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সকালে বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকায বৈশাখের র‌্যালি প্রদর্শিত হয়। হরেক রমক সাজে বেনার ফেস্টুন ও প্লাকার্ড নিয়ে যোদদেন র‌্যালিতে। চলে পান্তা ইলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে এখন: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে এখন: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

 

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে প্রয়োজনীয় জ্বালানির পূর্ণ মজুত রয়েছে। একইসঙ্গে জুন মাসের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী এরপর বলেন, জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে। বিশেষ করে ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা জাতীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম। পাশাপাশি পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

 

এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরীও জানান, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত আগামী দুই মাসের জন্য যথেষ্ট।

 

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রাণালিতে চলমান অবরোধের প্রভাব দেখা যাচ্ছে দেশে; জ্বালানি তেল মজুতে মেতে উঠেছে অসাধু চক্র। ফলে, অস্থিরতা তৈরি হয়েছে ক্রেতাসাধারণের মনেও। ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছে মানুষ, বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের জন্য দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ সারি। ধারণা করা হচ্ছে, আতঙ্কের কারণে বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে।

 

বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে

ভর্তুকির ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে ফের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আবাসিকসহ সব ধরনের গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে পাইকারি (বাল্ক) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাবও প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগির এসব প্রস্তাব বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারভেদে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে লাইফলাইন বা প্রান্তিক গ্রাহক—যারা মাসে ০ থেকে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন—তাদের জন্য কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি।

পাশাপাশি পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তিনটি বিকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ভর্তুকি ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য সমন্বয়ের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটি বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দামের পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে মন্ত্রিসভার জন্য সুপারিশ দেবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৮ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে পাইকারি মূল্য ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়।

বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজ স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দুই বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম না বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এলএনজি, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় এবং ভর্তুকির পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

এ পরিস্থিতিতে সরকার একদিকে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণ করেছে, অন্যদিকে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও এলএনজি আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখতে কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে বেসলোড বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন না ঘটে। তবে এসব পদক্ষেপের কারণে উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়, বর্তমানে বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা, যা উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কম। ফলে উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা ভর্তুকির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সম্ভাব্য ঘাটতি প্রায় ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকলে এই চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাইকারি দামের তিন বিকল্প
বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ৭ টাকা ৫৪ পয়সা করা হলে ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা কমতে পারে। এক টাকা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৪ পয়সা করা হলে সাশ্রয় হবে প্রায় ১০ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। আর ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করলে ভর্তুকি কমবে প্রায় ১২ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

খুচরা দামের প্রস্তাব
পাইকারির পাশাপাশি খুচরা পর্যায়েও মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নিম্নআয়ের গ্রাহকদের সুরক্ষায় লাইফলাইন পর্যায়ে (০-৭৫ ইউনিট) কোনো মূল্য বৃদ্ধি রাখা হয়নি। অন্য আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারে সর্বনিম্ন ৭০ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও আইএমএফের সুপারিশ
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। শ্রীলঙ্কায় আবাসিক খাতে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, শিল্প খাতে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি পেট্রল, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরে জ্বালানির মূল্য সরাসরি ট্যারিফে সমন্বিত হওয়ায় বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৫ সালে বিদ্যুৎ খাত পর্যালোচনায় একটি কারিগরি মিশন পাঠায়, যা বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে টানা দুই সপ্তাহ আলোচনা করে। তাদের সুপারিশে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতা বাড়ানো এবং ভর্তুকি কমাতে তিন বছরমেয়াদি একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত রেখে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। এর আগে গত শনিবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি দীর্ঘদিন ম্যালেরিয়াসহ অন্যান্য জটিলতায় ভুগছিলেন।

মাহবুবুর রহমান ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন কাস্টম হাউস, কাস্টম এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।