রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

বিশ্ববাজারে আবারো নিম্নমুখী স্বর্ণের বাজার। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের ফের হামলার কথা জানানোর প্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারীদের মূল্যবান এই ধাতুটির ওপর আস্থা কমেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোমবার (৪ মে) দুপুর নাগাদ (বাংলাদেশ সময়) স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫৭২ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ফিউচার মার্কেটেও প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে স্বর্ণের দর। এই বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ৪ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৭০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

খবর রয়টার্সের।

টিডি সিকিউরিটিজের গ্লোবাল হেড অব কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি বার্ট মেলেক বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বাজারকে আশ্বস্ত করতে পারেনি। বরং এতে আবারও মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বেড়েছে এবং সুদের হার নিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত মিলেছে।

চার সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলে সংঘাত আরও তীব্র হয়। এর মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালিতে একাধিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি তেল বন্দরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

এ অবস্থায় মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছে এবং ব্রেন্ট তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার তুলনায় ডলারে নির্ধারিত স্বর্ণের দাম বেশি হয়ে যায়, ফলে এর চাহিদা কমে।

অন্যদিকে, জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে করে ধারণা জোরালো হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দীর্ঘ সময় সুদের হার উঁচু রাখবে।

চলতি বছর মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ কোনো নীতি শিথিল করবে না; এমন ধারণা দিচ্ছে এমন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নতুন করে যোগ হয়েছে বার্কলেস। গত সপ্তাহে উচ্চ জ্বালানি মূল্যের প্রভাবে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে, যা ১৯৯২ সালের পর সবচেয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির সুযোগ, এডিপি কর্মসংস্থান প্রতিবেদন এবং এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে, যা বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বর্ণ সাধারণত মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। তবে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এটি আকর্ষণ হারায়, কারণ এতে সরাসরি কোনো মুনাফা পাওয়া যায় না।

বার্ট মেলেক মনে করেন, স্বর্ণের জন্য চার হাজার ২০০ ডলারের আশপাশে একটি শক্তিশালী সাপোর্ট রয়েছে। তবে অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনার কারণে স্বল্পমেয়াদে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের অবস্থান থেকে সরে যেতে পারেন।

অন্যান্য ধাতুর বাজারেও দরপতন দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২ দশমিক ৯৫ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৫৫ দশমিক ৯৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৮১ দশমিক ০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশের বাজারেও কমতে পারে স্বর্ণ ও রুপার দাম।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে দাম কমলে এর প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও। তাই যে কোনো সময় দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে।

সবশেষ সমন্বয় করা দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

এছাড়া বর্তমানে দেশে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম পড়বে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম পড়বে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

Ads small one

আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসার টাকা ও গয়না নিয়ে উধাও স্ত্রী, দিশেহারা স্বামী

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি গ্রামে স্বামীর গচ্ছিত টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে এক গৃহবধূর পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খরিয়াটি হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম মাওলানা আব্দুস সবুর সরদার এই ঘটনায় খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন ও নিজের স্ত্রী রেশমা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, খুলনা সোনাডাঙ্গার আতিকুর রহমান খোকন পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে আব্দুস সবুরের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আব্দুস সবুর বাড়িতে না থাকার সুযোগে রেশমা খাতুন দুই সন্তানকে ফেলে খোকনের সঙ্গে পালিয়ে যান। যাওয়ার সময় তিনি মাদ্রাসার সঞ্চয় তহবিলের নগদ ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা এবং ৩ ভরি ২ আনা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছেন বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী আব্দুস সবুর জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগৃহীত মাদ্রাসার টাকা ব্যাংক ছুটি থাকায় তিনি বাড়িতে রেখেছিলেন। স্ত্রী ও অর্থসম্পদ হারিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব। মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা ছেড়ে চলে গেছে। এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানকে নিয়ে তিনি এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

আদালতে সিআর ১৫৯/২৬ (আশাশুনি) নং মামলা দায়ের করার পর আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী ০৮ নং আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের যে চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তাকে কেবল ‘অব্যবস্থাপনা’ বললে ভুল হবে; এটি জনস্বাস্থ্যের প্রতি চরম অবহেলার এক নিষ্ঠুর দলিল। পাঁচ শয্যার একটি ওয়ার্ডে যখন প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ জন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হয়, তখন স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলাও নিরর্থক হয়ে পড়ে। সেখানে চিকিৎসা নয়, বরং এক মানবেতর পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের।
একটি জেলা শহরের প্রধান সরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের এমন জরাজীর্ণ দশা মেনে নেওয়া কঠিন। ধারণক্ষমতার চেয়ে আট-নয় গুণ বেশি রোগী যেখানে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেখানে সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখাই অসম্ভব। তার ওপর শিশুদের সঙ্গে বয়স্কদের একই স্থানে রাখা হচ্ছে, যা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ‘ক্রস ইনফেকশন’ বা সংক্রমণের ঝুঁকিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ হতে এসে নতুন কোনো রোগ বাধিয়ে বাড়ি ফেরার এই শঙ্কা রোগীদের জন্য চরম উদ্বেগের।
হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা আরও ভয়াবহ। চারদিকে ময়লার স্তূপ আর উৎকট দুর্গন্ধের মধ্যে সুস্থ মানুষের পক্ষেই টিকে থাকা দায়, সেখানে রোগাক্রান্ত মানুষ কীভাবে আরোগ্য লাভ করবে? পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হাসপাতালের মৌলিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। জনবল সংকট বা স্থানাভাবের দোহাই দিয়ে এই নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশকে জায়েজ করার কোনো সুযোগ নেই।
সাতক্ষীরা একটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এখানে মাঝে মাঝেই পানিবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দেয়। এটি জানা সত্ত্বেও কেন আগেভাগে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি, সেই দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না।
আমরা সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের এই মানবিক সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিন। কেবল শয্যা বাড়ানোই সমাধান নয়, একই সঙ্গে ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নত করা এবং শিশু ও বয়স্কদের জন্য পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি। ডায়রিয়ার প্রকোপ আরও বাড়ার আগেই যদি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হয়, তবে পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। নাগরিকের ন্যূনতম সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাÑকর্তৃপক্ষ আশা করি এই সত্যটি ভুলে যাবে না।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট: জেলা ক্রিকেটে ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন শ্যামনগর

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্নামেন্ট’-এ ক্রিকেটে দাপট দেখিয়েছে শ্যামনগর উপজেলা। রোববার (১০ মে) জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বালক ও বালিকাÑউভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা।
ক্রিকেটের বালক বিভাগের চূড়ান্ত লড়াইয়ে শ্যামনগর বালক দল সাতক্ষীরা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে। অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দলকে হারিয়ে শিরোপা জেতে শ্যামনগরের মেয়েরা। শুধু ক্রিকেট নয়, এর আগে ফুটবল মাঠেও সফল ছিল শ্যামনগরের মেয়েরা। ফুটবলের ফাইনালে তারা কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
টুর্নামেন্টের অন্যান্য ইভেন্টেও শ্যামনগরের জয়জয়কার দেখা গেছে। দলটির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো হলোÑ ব্যাডমিন্টনে বালিকা বিভাগ একক ও দ্বৈতÑউভয় ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন। তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতাতেও শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা। ক্যারাতে ইভেন্টে শ্যামনগর রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছে।

 

রোববার বিকেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকসহ বিভিন্ন উপজেলার শরীরচর্চা শিক্ষক ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
শ্যামনগর উপজেলার এই অভাবনীয় সাফল্যে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাব, ফুটবল রেফারী সমিতি ও ফুটবল একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়েছে।
ইউএনও শামসুজ্জাহান কনক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “শ্যামনগরের ছেলে-মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”