সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্ব বৃষ্টিবন দিবস: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বৃষ্টিবন দিবস: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয়

সাকিবুর রহমান বাবলা
প্রতি বছর ২২ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব বৃষ্টিবন দিবস’। এই দিনটি পৃথিবীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু স্থিতিশীলতার জন্য বনভূমি কতটা অপরিহার্য জানিয়ে দেয়। যদিও আয়তনের বিচারে বাংলাদেশে আমাজনের মতো বিশাল কোনো বৃষ্টিবন নেই, তবুও আমাদের দেশের পার্বত্য চিরসবুজ বন, ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন, শালবন এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বনাঞ্চল পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিবসের তাৎপর্য বাংলাদেশের বাস্তবতায় আজ অপরিসীম।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রবণ দেশ। প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৃষ্টির পানি আমাদের নদী, খাল, বিল, হাওড়, বাওড় ও জলাভূমিকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, নদীর নাব্যতা সংকট, খাল এবং জলাধার ভরাট করার ফলে এই প্রাকৃতিক পানিসম্পদ সংরক্ষণ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বনভূমি বৃষ্টির পানি শুষে নিয়ে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনর্ভরণে সহায়তা করে। তাই বন সংরক্ষণ করা মানেই হলো বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা, যা মূলত খরা ও জলাবদ্ধতার মতো দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
আমাদের বনাঞ্চলে হাজারো উদ্ভিদ, পাখি, স্তন্যপায়ী প্রাণী, সরীসৃপ ও জলজ প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল। সুন্দরবনের বাঘ, হরিণ, কুমির কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিরল প্রজাতির বৃক্ষ ও পাখিকূল আমাদের অমূল্য জাতীয় সম্পদ। বৃক্ষকুল ও জীববৈচিত্র্যের এই ভা-ার রক্ষা করতে হলে অবৈধ বৃক্ষনিধন, বনভূমি জবরদখল এবং বন্যপ্রাণী নিধন ও পাচার রোধে প্রশাসনিক কঠোরতা জরুরি।
বিশ্ব বৃষ্টিবন দিবসের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের করণীয় সম্পর্কে আমাদের আরও কৌশলী ও উদ্যোগী হতে হবে: স্থানীয় প্রজাতির বৃক্ষরোপণকে জাতীয় সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে, যা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, গাছের পরিচর্যা ও সেগুলোর টিকে থাকা নিশ্চয়তা থাকতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের সমন্বয়ে বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি এবিষয়ে বিশেষায়িত গবেষণা ইনস্টিটিউট গড়তে হবে।
দ্রুত নগরায়ণের চাপে যেন প্রাকৃতিক সবুজ এলাকা ও জলাধার হারিয়ে না যায়, সেদিকে প্রচলিত আইন ও সম্প্রসারিত আইন অনুমোদন করে কার্যকর নজরদারি করতে হবে।
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে স্বাভাবিক খাল ও পুকুরের উপর ছেড়ে না দিয়ে য়ে প্রযুক্তি ও কমিউনিটি-ভিত্তিক জলসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে সর্বস্তরে উৎসাহিত করতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলে বনায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে হবে। এছাড়া, পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা রক্ষায় ২০১৬ সালের নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক তহবিল কাজে লাগাতে হবে এবং এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’ গঠন করতে হবে।
প্রকৃতি আমাদের কেবল অক্সিজেনই দেয় না; খাদ্য, পানি, জীবিকা এবং দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। তাই বিশ্ব বৃষ্টিবন দিবসটি আমাদের জন্য টেকসই উন্নয়ন, নিরাপদ পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ গড়ার অঙ্গীকারের দিন। বন, বৃষ্টির পানি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগই পারে একটি সবুজ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

Ads small one

তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান এবং এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১২টায় উপজেলার শিরাশুনী পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়াটার জাস্টিস ফান্ডের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণের বাস্তবায়নে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পের আওতায় শিরাশুনী জামতলা থেকে ভবানীপুর পর্যন্ত খাল সংস্কার ও খনন কাজ পরিচালিত হবে।

 

উত্তরণের পরিচালক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান সমস্যা। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষি ও পরিবেশের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাসকিয়া, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক, তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক মোশারফ হোসেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

 

বক্তারা বলেন, খাল সংস্কার ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নেও এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
খুলনায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টিপ্রিনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এপিসিইউ-ডিএএম অংগ’ প্রকল্পের আওতায় আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা আজ (সোমবার) খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন, কৃষি দেশের প্রধান চালিকা শক্তি। দেশের ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমাদের কৃষি ব্যবস্থা সেই পুরনো রয়ে গেছে। বর্তমানে বাজারমুখি বিশ^ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে গেলে আমাদের সনাতন কৃষি ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের আমদানি কমাতে হবে এবং কোয়ালিটি ফুড উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে হবে।

খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপপরিচালক মোছা: শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ ও পার্টনারের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুলাহ আল ফারুক। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনারের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো: রাশেদ খান ও খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন। কৃষি বিপণন কার্যালয় এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের কার্যক্রম বিষয়ক মতামত তুলে ধরেন।
পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষি ব্যবসায় যুবক ও নারীদের উৎসাহিত করার জন্য সারাদেশে ২০ হাজার জনকে অন-দ্যা-জব প্রশিক্ষণ প্রদান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার নারী ও আট হাজার যুবক।

 

২০ হাজারের মধ্যে ছয় হাজার পাঁচশত ৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন হাজার আটশত ১৫ জন নারী উদ্যোক্তা এবং দুই হাজার সাতশত ৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা। এই প্রকল্পটি দেশের আটটি বিভাগে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাসহ ৬৪টি জেলা ও ২০৮টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য, আড়তদাররা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের প্রায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা। সোমবার (২২ জুন) সকাল ৯টায় কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান ফাহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষাজীবন শুধু সনদ অর্জনের জন্য নয়, বরং নিজেকে একজন আদর্শ, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলারও গুরুত্বপূর্ণ সময়। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস ও সকল ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, শহর জামায়াতের আমির জাহিদুল ইসলাম বকুল, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুবায়ের রহমান এবং জেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের বিকল্প নেই। তারা নবীনদের শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই সময়ের সঠিক ব্যবহার, একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
এসময় সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, অর্থ সম্পাদক হাফেজ আনিসুর রহমান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক আবু সালেহ সাদ্দাম, তথ্য ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল রাজিব, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন আফজাল, মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রচার সম্পাদক মো. ওয়ালীউল্লাহ, এইচআরডি সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান, ক্রীড়া সম্পাদক হাফেজ এবাদুল ইসলাম, ব্যবসা শিক্ষা সম্পাদক শামীম হোসেন এবং আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মো. আতিক মুজাহিদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এছাড়া সাংগঠনিক পরিচিতি, দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।