সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

বেহাল সড়কই এখন সাতক্ষীরা শহরের মরণফাঁদ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
বেহাল সড়কই এখন সাতক্ষীরা শহরের মরণফাঁদ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সার্কিট হাউস মোড়। পাশেই জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাসভবন। অথচ এই ‘ভিআইপি’ এলাকার প্রধান সড়কটিই এখন সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির নাম। উন্নয়নের নামে রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
গত কয়েক দিন শহর ঘুরে দেখা গেছে, কার্পেটিং করা রাস্তার আর কোনো চিহ্ন নেই। সড়কজুড়ে কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও আবার মস্ত বড় গর্ত। এর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ইজিবাইক, রিকশা ও ভ্যান। পথচারীদের অবস্থা আরও করুণ; কাদা মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নাজেহাল হতে হচ্ছে তাঁদের।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন, মোজাহিদুল ইসলাম, রেজাউল ইসলামসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শহরের ভেতরের রাস্তার যদি এই দশা হয়, তবে গ্রামগঞ্জের অবস্থা কী? প্রতিদিন কেউ না কেউ এই কাদার গর্তে পড়ে আহত হচ্ছে। আমরা চরম যন্ত্রণার মধ্যে আছি, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।”
ভোগান্তি কেবল সার্কিট হাউস মোড়েই সীমাবদ্ধ নয়। শহরের প্রাণকেন্দ্র তুফান কোম্পানির মোড় থেকে কেষ্ট ময়রার ব্রিজ হয়ে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়কের কোথাও ‘আস্ত’ জায়গা নেই। একই চিত্র পিএন স্কুল মোড় থেকে ডে-নাইট কলেজ পেরিয়ে সুলতানপুর পিটিআই মোড় পর্যন্ত। গড়েরকান্দা গফুর সাহেবের ব্রিজ থেকে চালতেতলা বাজার সড়কের অবস্থাও অভিন্ন।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় থেকে মাছখোলাগামী সড়কের ব্যবহারকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা জানান, এই সড়ক দিয়ে মাছখোলা, পারমাছখোলা, গাছা, খড়িয়াডাঙ্গা ও তালার খলিষখালি পর্যন্ত অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কটিতে কাদা গলে পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।
পৌরসভার সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা বিঘœ ঘটছে। তবে দ্রুতই সংস্কার কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তাঁরা আর মৌখিক আশ্বাস চান না, বরং দৃশ্যমান কাজ চান। দীর্ঘ সময় ধরে ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ চলায় এবং সড়কের দুই পাশে যত্রতত্র মাটি ও বালু স্তূপ করে রাখায় বৃষ্টির পানি নামতে পারছে না। ফলে সাধারণ মানুষের এই ‘নজরবন্দি’ দশা থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসকের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শহরবাসী।

Ads small one

সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। আর মাত্র সাত দিন পর সুন্দরবনে প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের সুযোগ পাবেন উপকূলীয় এলাকার জেলে ও বাওয়ালিরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হবে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ফলে দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকা বনজীবীদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।
তবে নিষেধাজ্ঞার সময় উপকূলের বহু পরিবারকে ধারদেনা ও ঋণ করে কিংবা বিকল্প পেশায় যুক্ত হয়ে সংসারের খরচ চালাতে হয়েছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা এলাকার বাসিন্দা জিন্নাত গাজী বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকার সময় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়ে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এখন বন খুলবে, এটাই বড় আশার বিষয়।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর গ্রামের জেলে রিপন গাজী বলেন, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরে যারা জীবিকা নির্বাহ করে, তাদের জন্য এই সময়টা খুব কঠিন। ধারদেনা করে দিন পার করতে হয়েছে। বন খুললে আবার আয়-রোজগার শুরু হবে।
এদিকে সুন্দরবন খোলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বন বিভাগ। জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপদে প্রবেশ, অনুমতিপত্র প্রদান এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সুন্দরবন খুলে দেওয়ার পর জেলে-বাওয়ালিদের বৈধভাবে বনে প্রবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বনদস্যুদের তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। একই সঙ্গে বিষ দিয়ে মাছ ধরা, ক্ষতিকর জাল ব্যবহার ও বন্য প্রাণী শিকার বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বরকে সামনে রেখে উপকূলের জেলেদের মধ্যে এখন দারুণ ব্যস্ততা। কেউ নৌকা ও জাল মেরামত করছেন, আবার কেউ দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা লাঘবের আশায় নতুন করে সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সাতক্ষীরায় ফোর্ব-এর জেলা সমন্বয় সভা ও প্রটোকল উপস্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ফোর্ব-এর জেলা সমন্বয় সভা ও প্রটোকল উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের অধীন ‘বাংলাদেশ ফোরাম ফর ফোর্ব’-এর জেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের নাজমুল সরণিস্থ ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফোরাম ফর ফোর্ব সাতক্ষীরার সভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ। অতিথি ছিলেন হাঙ্গার প্রজেক্ট ঢাকার সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় এবং পরিচালনা করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তার।
সভায় সমাজকর্মী শেখ সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, রাজনৈতিক নেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, ধর্মীয় নেতা মাওলানা মাহবুবুর রহমান, নাগরিক নেতা আলি নুর খান বাবুল, অধ্যাপক মহিউদ্দীন আহমেদসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
সভায় ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ঘৃণা, মব ভায়োলেন্স ও সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ছাড়া “ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ঘৃণা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আগাম সতর্কতা প্রটোকল” শীর্ষক একটি খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় একটি ‘র‌্যাপিড রেসপন্স টিম’ গঠনের বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

 

 

দেবহাটায় গড়িয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের সেতু সংস্কারকাজ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় গড়িয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের সেতু সংস্কারকাজ উদ্বোধন

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের গড়িয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ভাঙা সেতু সংস্কারকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা চারটায় এ সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আলহাজ মাওলানা অলিউল ইসলাম।
দীর্ঘদিন সেতুটি চলাচলের অনুপযোগী থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
উদ্বোধনকালে মাওলানা অলিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের সমস্যা সমাধানও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে বিবেচনায় সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এইচ এম ইমদাদুল হক, ইউপি সদস্য গোলাম ফারুক হোসেন, সমাজসেবক সোহারাব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজটি সম্পন্ন করার দাবি জানান।