শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বেহাল সড়কই এখন সাতক্ষীরা শহরের মরণফাঁদ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
বেহাল সড়কই এখন সাতক্ষীরা শহরের মরণফাঁদ!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সার্কিট হাউস মোড়। পাশেই জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বাসভবন। অথচ এই ‘ভিআইপি’ এলাকার প্রধান সড়কটিই এখন সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির নাম। উন্নয়নের নামে রাস্তা খুঁড়ে ফেলে রাখায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
গত কয়েক দিন শহর ঘুরে দেখা গেছে, কার্পেটিং করা রাস্তার আর কোনো চিহ্ন নেই। সড়কজুড়ে কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও আবার মস্ত বড় গর্ত। এর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ইজিবাইক, রিকশা ও ভ্যান। পথচারীদের অবস্থা আরও করুণ; কাদা মাড়িয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নাজেহাল হতে হচ্ছে তাঁদের।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন, মোজাহিদুল ইসলাম, রেজাউল ইসলামসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শহরের ভেতরের রাস্তার যদি এই দশা হয়, তবে গ্রামগঞ্জের অবস্থা কী? প্রতিদিন কেউ না কেউ এই কাদার গর্তে পড়ে আহত হচ্ছে। আমরা চরম যন্ত্রণার মধ্যে আছি, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।”
ভোগান্তি কেবল সার্কিট হাউস মোড়েই সীমাবদ্ধ নয়। শহরের প্রাণকেন্দ্র তুফান কোম্পানির মোড় থেকে কেষ্ট ময়রার ব্রিজ হয়ে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়কের কোথাও ‘আস্ত’ জায়গা নেই। একই চিত্র পিএন স্কুল মোড় থেকে ডে-নাইট কলেজ পেরিয়ে সুলতানপুর পিটিআই মোড় পর্যন্ত। গড়েরকান্দা গফুর সাহেবের ব্রিজ থেকে চালতেতলা বাজার সড়কের অবস্থাও অভিন্ন।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় থেকে মাছখোলাগামী সড়কের ব্যবহারকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা জানান, এই সড়ক দিয়ে মাছখোলা, পারমাছখোলা, গাছা, খড়িয়াডাঙ্গা ও তালার খলিষখালি পর্যন্ত অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। সড়কটিতে কাদা গলে পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে।
পৌরসভার সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা বিঘœ ঘটছে। তবে দ্রুতই সংস্কার কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তাঁরা আর মৌখিক আশ্বাস চান না, বরং দৃশ্যমান কাজ চান। দীর্ঘ সময় ধরে ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ চলায় এবং সড়কের দুই পাশে যত্রতত্র মাটি ও বালু স্তূপ করে রাখায় বৃষ্টির পানি নামতে পারছে না। ফলে সাধারণ মানুষের এই ‘নজরবন্দি’ দশা থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসকের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শহরবাসী।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।