সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শ সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে এ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রুপান্তরের সুন্দরবন প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী গোলাম কিবরিয়া সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার এসে এমন দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস এনামুল হোক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক সামিউল আযম মনির, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারদ বিন শফিক, বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ।
সভায় সুন্দরবনের নদী, খাল ও যেখানে সেখানে যাতে কোনো ধরনের প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলা না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে এবং প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার কমাতে পারিবারিক অবস্থান থেকে শুরু করতে সকলকে অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও প্লাস্টিক দূষণ কমানো, বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, অপরিকল্পিতভাবে প্লাস্টিক ও গৃহস্থালি বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় শ্যামনগরের নদী-খাল ও জলাশয়ে প্লাস্টিক বর্জ্য জমে জলজ পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরামর্শ সভায় রুপান্তরের ইয়ুথ ফর দ্যা সুন্দরবন ফরামের আহবায়ক মুন্তাকিমুল ইসলাম, আশিকুর রহমান আশিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে প্রবেশের অপেক্ষায় বনজীবী ও পর্যটকেরা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। আর মাত্র সাত দিন পর সুন্দরবনে প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের সুযোগ পাবেন উপকূলীয় এলাকার জেলে ও বাওয়ালিরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হবে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ফলে দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকা বনজীবীদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।
তবে নিষেধাজ্ঞার সময় উপকূলের বহু পরিবারকে ধারদেনা ও ঋণ করে কিংবা বিকল্প পেশায় যুক্ত হয়ে সংসারের খরচ চালাতে হয়েছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা এলাকার বাসিন্দা জিন্নাত গাজী বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকার সময় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়ে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এখন বন খুলবে, এটাই বড় আশার বিষয়।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর গ্রামের জেলে রিপন গাজী বলেন, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরে যারা জীবিকা নির্বাহ করে, তাদের জন্য এই সময়টা খুব কঠিন। ধারদেনা করে দিন পার করতে হয়েছে। বন খুললে আবার আয়-রোজগার শুরু হবে।
এদিকে সুন্দরবন খোলার প্রস্তুতি শুরু করেছে বন বিভাগ। জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপদে প্রবেশ, অনুমতিপত্র প্রদান এবং সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বনজ সম্পদ রক্ষায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সুন্দরবন খুলে দেওয়ার পর জেলে-বাওয়ালিদের বৈধভাবে বনে প্রবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বনদস্যুদের তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। একই সঙ্গে বিষ দিয়ে মাছ ধরা, ক্ষতিকর জাল ব্যবহার ও বন্য প্রাণী শিকার বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
আগামী ১ সেপ্টেম্বরকে সামনে রেখে উপকূলের জেলেদের মধ্যে এখন দারুণ ব্যস্ততা। কেউ নৌকা ও জাল মেরামত করছেন, আবার কেউ দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা লাঘবের আশায় নতুন করে সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সাতক্ষীরায় ফোর্ব-এর জেলা সমন্বয় সভা ও প্রটোকল উপস্থাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ফোর্ব-এর জেলা সমন্বয় সভা ও প্রটোকল উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের অধীন ‘বাংলাদেশ ফোরাম ফর ফোর্ব’-এর জেলা পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের নাজমুল সরণিস্থ ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফোরাম ফর ফোর্ব সাতক্ষীরার সভাপতি অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ। অতিথি ছিলেন হাঙ্গার প্রজেক্ট ঢাকার সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় এবং পরিচালনা করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তার।
সভায় সমাজকর্মী শেখ সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, রাজনৈতিক নেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, ধর্মীয় নেতা মাওলানা মাহবুবুর রহমান, নাগরিক নেতা আলি নুর খান বাবুল, অধ্যাপক মহিউদ্দীন আহমেদসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
সভায় ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ঘৃণা, মব ভায়োলেন্স ও সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ছাড়া “ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক ঘৃণা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আগাম সতর্কতা প্রটোকল” শীর্ষক একটি খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় একটি ‘র‌্যাপিড রেসপন্স টিম’ গঠনের বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

 

 

দেবহাটায় গড়িয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের সেতু সংস্কারকাজ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় গড়িয়াডাঙ্গা বিদ্যালয়ের সেতু সংস্কারকাজ উদ্বোধন

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের গড়িয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ভাঙা সেতু সংস্কারকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা চারটায় এ সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আলহাজ মাওলানা অলিউল ইসলাম।
দীর্ঘদিন সেতুটি চলাচলের অনুপযোগী থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
উদ্বোধনকালে মাওলানা অলিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের সমস্যা সমাধানও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সে বিবেচনায় সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এইচ এম ইমদাদুল হক, ইউপি সদস্য গোলাম ফারুক হোসেন, সমাজসেবক সোহারাব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা দ্রুত ও মানসম্মতভাবে কাজটি সম্পন্ন করার দাবি জানান।