শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩

মমতার পদত্যাগ না করা নিয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যা বললেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
মমতার পদত্যাগ না করা নিয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যা বললেন

নির্বাচনে পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন এবং এটি একইসঙ্গে সাংবিধানিকভাবে অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মমতা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন কি না, তা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; কারণ সংবিধান অনুযায়ী গভর্নর একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পুরনো বিধানসভা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং মুখ্যমন্ত্রীসহ বিদায়ী মন্ত্রিসভা তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা হারায়।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত

সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি কে. সঞ্জয় কিশান কউল বলেন, একটি দল নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয় এবং মেয়াদ শেষে সেই দল আর ক্ষমতায় থাকতে পারে না। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হলে তারা আইনি পথে লড়াই করতে পারেন, কিন্তু ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকা সম্ভব নয়।

এই পরিস্থিতিতে গভর্নরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিচারপতি কউল বলেন, এ বিষয়ে গভর্নরকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কে.কে. বেণুগোপালও একই অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বৃহত্তম দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো সাংবিধানিক রীতি এবং গভর্নরের বিশেষ অধিকার। মমতা পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলেও, সংবিধান অনুযায়ী গভর্নর নতুন মুখ্যমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়াতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন পরবর্তী পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ না করার এমন কোনও নজির তার জানা নেই।

সংবিধান ও আইন যা বলছে

কলকাতার আইনজীবী দীপন কুমার সরকার জানান, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগের মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর আগে প্রয়োজনে গভর্নর আগের মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করতে পারেন কিংবা রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হতে পারে।

সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গভর্নর তার বিশেষ ক্ষমতায় যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং তার সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। এছাড়া সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ পাঁচ বছর। ২০২১ সালের ৮ মে প্রথম অধিবেশন হওয়ায়, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ আগামী ৭ মে শেষ হচ্ছে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের পর বিধানসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভেঙে যায়।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

Ads small one

খুলনায় যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক: খুলনায় আজিজুল ইসলাম নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের রাইঙ্গামারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

নিহত আজিজুল বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বকুলতলা ইউনিয়নের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তার নামে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ ৭টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের বরাতে বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, রাতে তিনটি মোটরসাইকেলে করে ৬ থেকে ৭ জন দুর্বৃত্ত এসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আজিজুলকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় তার পিঠ, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিহত আজিজুলের নামে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।

সাবেক গণভবন, পিরোজপুর ও নোয়াখালীতে ঝটিকা মিছিল থেকে যুবলীগের একজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
সাবেক গণভবন, পিরোজপুর ও নোয়াখালীতে ঝটিকা মিছিল থেকে যুবলীগের একজন আটক

ন্যাশনাল ডেস্ক: ঢাকায় গণভবন এলাকায় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের ঝটিকা মিছিল থেকে একজনকে আটকের তথ্য দিয়েছে পুলিশ। খোকন কাজী নামে ৪০ বছর বয়সী আটক ওই ব্যক্তি যুবলীগের সদস্য বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন। শুক্রবার বেলা সোয়া ২টার দিকে গণভবন ক্রসিংয়ের পশ্চিম পাশের সড়কে ২০-২৫ জনের অংশগ্রহণে মিছিলটি হয়।

এদিকে পিরোজপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিল হয়েছে। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. মাহামুদ হাসান বলেন, শুক্রবার ভোরে শহরেরর বড় মসজিদ টাউন ক্লাব সড়ক থেকে একটি মিছিল স্থানীয় দামদোর ব্রিজের কাছে যায়। আটক শামীম সিকদার সদর উপজলোর ব্রাক্ষণকাঠী এলাকার মৃত হান্নান সিকদারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মিছিলটি দমোদর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মারুফ হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন ধাওয়া দেয়। এ সময় সবাই পালিয়ে গেলেও শামীমকে ধরে পুলিশে দেওয়া হয়। জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মারুফ হাসান বলেন, তারা শুধু মিছিল করেনি, বর্তমান সরকারকে নিয়ে আপত্তিকর স্লোগান দিচ্ছিল। তাদের উদ্দেশ্য অসৎ ছিল। তাই আমরা তাদের প্রতিহত করেছি।

অপরদিকে, নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল হয়েছে। শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মাইজদী বাজারের উত্তরে চৌমুহনী-মাইজদী মহাসড়কে ওই মিছিল হয়। পরে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ থেকে মিছিলের ৫১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ভিডিওতে দেখা যায়, যুবলীগের ২৫ থেকে ৩০ জন নেতা-কর্মী মাইজদী বাজারের উত্তর দিক থেকে একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। এ সময় তাঁরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীকে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমঝোতা স্মারক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমঝোতা স্মারক

ন্যাশনাল ডেস্ক: মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অপব্যবহার ও পাচার রোধে একজোট হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। শুক্রবার রাজধানী ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার রোধে তথ্য আদান-প্রদান করবে এবং একে অপরকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে। এছাড়া মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য এই চুক্তি কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

এর আগে পাকিস্তান পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার, চোরাচালান এবং দলিলপত্র জালিয়াতি রোধে একটি খসড়া চুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই সিদ্ধান্তের আলোকে বর্তমান সরকার খসড়াটি পর্যালোচনা করছে। তার ভিত্তিতে মাদক পাচাররোধে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হল।

সমঝোতা স্মারকে যা আছে: তথ্য আদান-প্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময়। যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচার রোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়।

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময়। ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। গোপনীয়তা রক্ষা: বিনিময় করা সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পাশাপাশি দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকও হয়েছে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে ‘অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে’ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সেখানে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশে বন্দি তিনজন পাকিস্তানির মুক্তির বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য পাঠানো নথির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে গঠনমূলক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে পাকিস্তান ভূমিকা রাখতে পারে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উভয় দেশের মন্ত্রী আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিন্ন স্বার্থের ওপর গুরুত্ব আরপ করেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত পোষণ করেন তারা। মানবপাচার এবং অভিবাসীদের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং পাচারকারী চক্র দমনে যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

ফৌজদারি অপরাধের তদন্তে দ্রুত তথ্য ও সাক্ষ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ক্রিমিনাল ম্যাটারস’ চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে বৈঠকে আশা প্রকাশ কর হয়, এর ফলে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।

এছাড়া অপরাধীরা যাতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পালিয়ে বিচার এড়াতে না পারে, সেজন্য সন্ত্রাসবাদ ও আর্থিক অপরাধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর প্রত্যর্পণ ব্যবস্থা নিয়ে কথা হয় বৈঠকে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে।