বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মমতার পদত্যাগ না করা নিয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যা বললেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
মমতার পদত্যাগ না করা নিয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞরা যা বললেন

নির্বাচনে পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন এবং এটি একইসঙ্গে সাংবিধানিকভাবে অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মমতা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন কি না, তা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; কারণ সংবিধান অনুযায়ী গভর্নর একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পুরনো বিধানসভা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং মুখ্যমন্ত্রীসহ বিদায়ী মন্ত্রিসভা তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা হারায়।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত

সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি কে. সঞ্জয় কিশান কউল বলেন, একটি দল নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয় এবং মেয়াদ শেষে সেই দল আর ক্ষমতায় থাকতে পারে না। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হলে তারা আইনি পথে লড়াই করতে পারেন, কিন্তু ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকা সম্ভব নয়।

এই পরিস্থিতিতে গভর্নরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিচারপতি কউল বলেন, এ বিষয়ে গভর্নরকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল কে.কে. বেণুগোপালও একই অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বৃহত্তম দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো সাংবিধানিক রীতি এবং গভর্নরের বিশেষ অধিকার। মমতা পদত্যাগ করতে অস্বীকার করলেও, সংবিধান অনুযায়ী গভর্নর নতুন মুখ্যমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়াতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন পরবর্তী পরাজয়ের পর মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ না করার এমন কোনও নজির তার জানা নেই।

সংবিধান ও আইন যা বলছে

কলকাতার আইনজীবী দীপন কুমার সরকার জানান, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগের মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যায়। এর আগে প্রয়োজনে গভর্নর আগের মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করতে পারেন কিংবা রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হতে পারে।

সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গভর্নর তার বিশেষ ক্ষমতায় যেকোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং তার সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়। এছাড়া সংবিধানের ১৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ পাঁচ বছর। ২০২১ সালের ৮ মে প্রথম অধিবেশন হওয়ায়, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ আগামী ৭ মে শেষ হচ্ছে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদের পর বিধানসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভেঙে যায়।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

Ads small one

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ থেকে ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ থেকে ১০ মে ২০২৬ খুলনা ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স ও রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে ২৫ বৈশাখ (৮ মে) বিকেল তিনটায় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার, সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করবেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। স্মারক বক্তৃতা করবেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।

২৬ বৈশাখ (৯ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন।

২৭ বৈশাখ (১০ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার।

প্রতিদিন বিকাল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।

এছাড়া রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় অনুরূপ তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
২৫ বৈশাখ (৮ মে) রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিকেল তিনটায় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত মেহনাজ।

 

২৬ বৈশাখ (৯ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী এবং ২৭ বৈশাখ (১০ মে) বিকেল সাড়ে তিনটায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।

প্রতিদিন বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। তথ্যবিবরণী

 

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় আশাশুনিতে আলোচনা সভা মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় আশাশুনিতে আলোচনা সভা মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশেষ অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে, ২০২৬) বেলা ১১টায় আশাশুনি উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন প্ররোচিত, অভ্যন্তরীণ অভিবাসন ও স্থানচ্যুতি জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক সুরক্ষা অন্তর্ভুক্ত বৃদ্ধিকরণে অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রতাপনগর ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।

 

কারিতাস বাংলাদেশ (খুলনা অঞ্চল) আয়োজিত এই সভায় বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বলেন, নদী ভাঙন এবং লবণাক্ততার আগ্রাসনে প্রতিবছর অগুণিত মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছে, যা তাদের যাযাবর জীবন বেছে নিতে বাধ্য করছে। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন ভুক্তভোগীরা কেবল ত্রাণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ও ন্যায্য অধিকার পায়।

 

এই প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানে জলবায়ু-অভিবাসী পরিবারের তালিকা প্রণয়ন, নিরাপদ আবাসন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার প্রদান, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণসহ ৭টি দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু, বিশেষ অতিথি উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো আমিনুল ইসলাম।

এই কর্মসূচিতে এলাকার বিপুল সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় অংশগ্রহণ করেন।

ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষ একটি এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধারণা, ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে। তিনি হরমুজ প্রণালির অবরোধ ও তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি কেন্দ্র করে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে সমঝোতা চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন। রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

দলের সমর্থকদের সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আপনারা যখন চলমান ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখবেন তখন বুঝতে পারবেন খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণে এসব করছি। আমরা তাদের পরমাণু অস্ত্র বানানোর অনুমতি দিতে পারি না।’

রয়টার্সের খবর অনুসারে ট্রাম্প আরও বলেছেন, আমি মনে করি বেশির ভাগ মানুষ বিষয়টি বুঝতে পেরেছে। তারা বুঝতে পেরেছে আমরা যা করছি তা সঠিক। খুব দ্রুতই এর সমাধান হবে।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা