মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার বুধবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার বুধবার

বদিউজ্জামান: পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা বিষয়ক এক সেমিনার আগামী বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টায় জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সাতক্ষীরার উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিস সূত্রে জানা যায়, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগোষ্ঠীর আইনগত অধিকার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর (লিগ্যাল এইড) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইনজীবী ও এনজিও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ‘পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি ও মামলাজট নিরসনে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মুস্তাফিজুর রহমান। এতে জেলার আইনজীবী ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিভিল জজ) লিটন দাশ স্বাক্ষরিত এক পত্রে সংশ্লিষ্টদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ সেমিনারের মাধ্যমে পারিবারিক ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির কার্যকারিতা বৃদ্ধি, মামলাজট হ্রাস এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে নতুন দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে।

 

Ads small one

এআই যুগেও টিকে থাকবে মানুষের যে ৫ দক্ষতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
এআই যুগেও টিকে থাকবে মানুষের যে ৫ দক্ষতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতির এই সময়ে অনেক কর্মীর মনেই একটা ভয় জেঁকে বসেছে, যন্ত্র কি তবে মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে? তবে কর্মক্ষেত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক না কেন, মানুষের এমন কিছু সহজাত গুণ রয়েছে যা এআই সহজে প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। সহমর্মিতা, যৌক্তিক চিন্তাভাবনা ও নৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো মানবিক দক্ষতা চর্চা করলে কর্মীরা যেকোনও পরিস্থিতিতে অপরিহার্য হয়ে উঠবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা জবস ফর দ্য ফিউচার-এর প্রধান নির্বাহী মারিয়া ফ্লিন বলেন, এআই-এর কারণে যে দক্ষতাগুলো সবচেয়ে কম ঝুঁকিতে আছে, সেগুলো মূলত খাঁটি মানবিক গুণ। যেমন- সম্পর্ক তৈরি, দ্বন্দ্ব নিরসন, অন্যকে অনুপ্রাণিত করা এবং নৈতিক বিচারবুদ্ধি।

বিশেষজ্ঞরা এগুলোকে টেকসই দক্ষতা বলছেন, যা অর্থনৈতিক বা প্রযুক্তিগত যেকোনও পরিবর্তনের মুখেও নিজের মূল্য ধরে রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত পাঁচটি ক্ষেত্রে মানুষের দক্ষতা এআই-এর চেয়ে অনেক এগিয়ে:

সহমর্মিতা: মানুষের শারীরিক ভাষা বোঝা বা কথার আড়ালের অর্থ উদ্ধার করার কাজে মানুষের বিকল্প নেই। হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক মার্কো ইয়ানসিটি নিজের হাসপাতালে থাকার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, একজন নার্স রোগীর সঙ্গে যেভাবে আত্মিক যোগাযোগ তৈরি করেন, কোনও রোবট তা পারবে না।

এআই বড়জোর কাগজপত্রের মতো বিরক্তিকর কাজগুলো করে দিয়ে নার্সদের সেবা করার জন্য বাড়তি সময় এনে দিতে পারে।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা: সহকর্মী বা গ্রাহকদের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করা এআই-এর পক্ষে কঠিন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে যারা আপনার থেকে পণ্য কিনছেন, সেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক সহজে যন্ত্রে স্থানান্তর করা যায় না। এছাড়া কর্মক্ষেত্রের যেকোনও দ্বন্দ্ব মেটাতে বা কর্মীদের মানসিক অস্থিরতা দূর করতে একজন দক্ষ মানবসম্পদ ম্যানেজারের ভূমিকা অপরিসীম, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখনও করতে পারেনি।

যৌক্তিক চিন্তাভাবনা: এআই তথ্য সংগ্রহ করে উত্তর দিলেও অনেক সময় ভুল তথ্য দেয়। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ইন্সট্রাক্টর আমালিয়া কাউফম্যান বলেন, এআই কখন ভুল করছে তা ধরার জন্য আপনার নিজস্ব বিষয়ে গভীর জ্ঞান ও যৌক্তিক চিন্তাভাবনা থাকতে হবে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটবটগুলো ব্যবহারকারীদের খুশি করতে মানুষের চেয়ে ৪৯ শতাংশ বেশি তাদের ভুল কাজেও তোষামোদ করে। এই তোষামোদ থেকে বাঁচতে মানুষের নিজস্ব বিচারবুদ্ধি প্রয়োজন।

বিবেক থাকা: ভালো-মন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা বা অন্তরের বিবেক কেবল মানুষেরই আছে। অনেক সময় মানুষ তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নেয়, যা এআই-এর পক্ষে অসম্ভব। অধ্যাপক ইয়ানসিটি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে মারাত্মক সামরিক শক্তি ব্যবহারের মতো জীবন-মরণের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আবেগহীন কোনও যন্ত্রের ওপর ভরসা করা যায় না। এআই বিবেকের ওপর লেখা বই পড়ে তা থাকার ভান করতে পারে, কিন্তু তার আসলে কোনও বিবেক নেই।

বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত: কোনও জটিল বা অস্পষ্ট পরিস্থিতিতে সৃজনশীল ধারণা তৈরি কিংবা কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মানুষেরই একচেটিয়া। ম্যাককিনসে-র কর্মকর্তা হিদার স্টেফানস্কি বলেন, সবাই যদি সমস্যা সমাধানের জন্য কেবল এআই-এর উত্তর ব্যবহার করে, তবে আপনার স্বকীয়তা কোথায় থাকবে?

মানুষ তার জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়, যা এআই-এর বিশাল ডেটাবেজ দিয়ে হুবহু তৈরি করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অনন্য মানবিক গুণগুলোই ভবিষ্যৎ সমাজকে টিকিয়ে রাখবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে মানুষকে মূল্যবান করে তুলবে।

সূত্র: এপি

মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
মাগুরার নতুন ডিসিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হলো

হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় মাগুরার নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মোতাকাব্বীর আহমেদকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত ও স্থিতিশীল রয়েছেন।

জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে হঠাৎ করেই তীব্র অসুস্থতা বোধ করেন মো. মোতাকাব্বীর আহমেদ। এরপর মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবিরের নেতৃত্বে এবং ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকিরের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপরও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

 


মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির বলেন, জেলা প্রশাসক শ্বাসকষ্ট, গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা এবং পেটের স্নায়ুজনিত কিছু জটিলতায় ভুগছেন। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমরা ঢাকায় প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিই।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিন ধরেই তিনি কিছুটা অসুস্থবোধ করছিলেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন আফরোজা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন আফরোজা আব্বাস

 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ধারা-৮(১) এবং ধারা-৮(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে নিম্নবর্ণিত শর্তে জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। তবে উক্ত মেয়াদ শেষের আগে সরকার ইচ্ছা করলে যেকোনও সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। তিনিও সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে যেকোনও সময় স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।