শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

মুক্তি পেলেন না সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি, ফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
মুক্তি পেলেন না সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি, ফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

পত্রদূত রিপোর্ট: সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে ফের একটি হত্যা মামলায় শোন এ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মন্ডলের আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের প্রেক্ষিতে দু’দফা শুনানীর পর তাকে শোন এরেন্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোর পিকনিক কর্নারের সামনে সংঘটিত ঘটনায় ২০২৪ সালে সাতক্ষীরা আদালতে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, সাতক্ষীরা সদর থানায় দন্ডবিধির ৪৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ ধারায় ১৪ নং মামলা রেকর্ড করা হয়। যার জিআর নং ৪০৩/২৪। এই মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ২৫, তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ধারা: ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫(ডি) মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ১ জুন ২০২৫ তারিখে পুনরায় তাকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ৪৪, তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ জিআর ৯৬/২৫ ধারা- ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৮/৪৩৬/৪২৭/৩৮০/৫০৬ দন্ডবিধি মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট করা হয়। ১১ জুন ২০২৫ তারিখে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আসামী করে সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা নং ২০, জিআর ২৭৮/২৫ ধারা-১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫(ডি) মামলা দায়ের করা হয় এবং ২৫ জুন ২০২৫ তারিখে তাকে ঐ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য এড. আল মাহামুদ পলাশ জানান, গত ৩ জুন ২০২৬ মহামান্য হাইকোট সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সর্বশেষ মামলায় জামিন প্রদান করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোটের আ্যাপিলেট ডিভিশনের চেম্বার আদালতে জামিন স্থগীতের আবেদন জানালে নো-অর্ডার হয়। গত ১০ জুন ঐ মামলায় জামিননামা সম্পাদনের পর ১৩ জুন তাঁকে পুনরায় জিআর ৩৯৯/২৪ ধারা ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৬৪/৩০২/২০১/৩৪ দন্ডবিধি মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট দেখানো হয়।

এড. পলাশ আরো জানান, গত ২৫ জুন ২০২৬ সাতক্ষীরা দায়রা জজ আদালত লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে জিআর ৩৯৯/২৪ মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁকে পুনরায় জিআর ৪০২/২৪ ধারা ৩৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ দন্ডবিধি মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে শোন এ্যারেস্ট দেখানো হয়। তিনি জানান, গত ৯ জুলাই ২০২৬, সাতক্ষীরা দায়রা জজ আদালত লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে জিআর ৪০২/২৪ মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র জানায়, সাবেক সাংসদ লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সাতক্ষীরা থানার মামলা নং ১৪, তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জিআর নং ৪০৩/২৪ ধারা- দন্ডবিধির ৪৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ মামলার সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে সোমবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এ মামলার বাদী সাতক্ষীরা সদর থানার কাশেমপুর গ্রামের মৃত নুর আলী সানার ছেলে মোঃ ইমদাদুল হক। সাতক্ষীরা তৎকালীন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী গত ২৮ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে সাতক্ষীরা ১ নং আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের আদেশে পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগটি এফআইআরভুক্ত করা হয়।

মামলায় বাদী জানায়, তার ভাই শহিদুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী। অপরদিকে ১ থেকে ৬ নং আসামী পুলিশে কর্মরত এবং অন্যান্য আসামীরা আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডার। ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এজাহারনামী ৩২জন আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন ৩টি কালো মাইক্রোবাস যোগে বাদীর ভাই শহিদুল ইসলাম এর বাড়ীতে আসে এবং তাকে জোরপূর্বক টানা হেছাঁড়া করে মাইক্রোতে সাতক্ষীরা সদর থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গভীর রাতে থানা থেকে যশোর পিকনিক কর্ণারের সামনে নিয়া যায়। সেখানে ১/২ নং আসামীর নির্দেশে ৩/৪/৫/৬ নং আসামী ভিকটিম শহিদুল ইসলামকে গুলি করে। ভিকটিম শহিদুল ইসলামকে বুকে পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির আঘাতে ঝাঝরা করে হত্যা করে লাশ পিকনিক কর্ণানের সামনে ফাঁকা স্থানে রেখে চলে যায়।

মামলায় বাদী আরো জানান, বিষয়টি তৎকালীন থানায় ইউডি মামলা রুজু পূর্বক ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়া ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করা হয়। লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের ঘটনা হলেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ঘটনাটি ধামা চাপা দেন। ভিকটিম শহিদুল ইসলাম এর পরিবার পক্ষ তৎকালীন সময় হত্যা মামলা করার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানায় গেলে থানা মামলা নিতে অস্বীকার করে এবং বাদীকে মৃত্যুর হুমকি দেখায়। বর্তমান পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় কাগজপত্র সংগ্রহ সাপেক্ষে স্বাক্ষীদের সাথে আলোচনা করে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন।

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।