মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

মোবাইল গ্রাহকদের জন্য সুখবর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
মোবাইল গ্রাহকদের জন্য সুখবর

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে, অফিস কিংবা বাসাবাড়ির ভেতরে মোবাইলে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহারে কমবে গ্রাহক ভোগান্তি।
তথ্য-বিনোদনের খোরাক মেটানো থেকে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসহ প্রায় সব কিছুই এখন মোবাইল নির্ভর। বিটিআরসির তথ্য, বর্তমানে দেশে মোবাইল সংযোগধারীর সংখ্যা সাড়ে ১৮ কোটি।

অপারেটরদের তথ্য বলছে, এর মধ্যে শহরে থাকেন ৪০ শতাংশ গ্রাহক। ৬০ শতাংশ ব্যবহারকারী উপশহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের। নেটওয়ার্কের মান শহরে খানিকটা ভালো হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে দুর্বল। ঘরের ভেতরে কথা বলার মাঝেই বিচ্ছিন্ন হয় সংযোগ। কাঙ্ক্ষিত গতি মেলে না ইন্টারনেট সেবায়।

এ অবস্থায় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। গ্রামীণফোনকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডে তরঙ্গ চেয়ে আবেদন করেছে রবি ও বাংলালিংক। নথিপত্রে দেখা যায়, বর্তমানে বিটিআরসির কাছে বরাদ্দযোগ্য ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৪ মেগাহার্টজ করে রবি ও বাংলালিংক ৬.৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ চেয়েছে। তবে তার আগে পার্শ্ববর্তী দেশের ব্যবহৃত ৮৫০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড এবং ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গের বাধা কতটুকু তা জানতে চায় অপারেটর ২টি। এরই প্রেক্ষিতে পরীক্ষামূলক ১ মাসের জন্য ৮.৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-জিএসএম ব্যান্ডের কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেবে ২ অপারেটর। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা করতে বিটিআরসি আমাদেরকে বিবেচনা করেছে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কীভাবে সেটা আমরা কিনতে পারি’।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোবাইলে ‘ভয়েস কল’ ও ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে ৪ অপারেটর।

Ads small one

সাতক্ষীরায় সড়কের পাশে মরা গরু ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সড়কের পাশে মরা গরু ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ

ইব্রাহিম খলিল: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা সংলগ্ন বাইপাস সড়কের পাশে একটি মরা গরু ফেলে রাখার ঘটনায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরের দিকে মরা গরুটিকে সেখানে ফেলে রেখে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানান, জনবহুল সড়কের পাশে এভাবে মরা প্রাণী ফেলে রাখা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই গরুটি পচে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে পথচারী ও আশপাশের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতিনিয়ত সড়কের পাশে এভাবে বিভিন্ন মৃত পশু ফেলে রাখা হয়। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।

এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, রাস্তার পাশে এভাবে মরা গরু ফেলে রাখায় আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। কিছু সময় পরই দুর্গন্ধ ছড়াবে, তখন চলাচল করাই কঠিন হয়ে যাবে। দ্রুত এটি অপসারণ করা দরকার। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মরা গরুটি অপসারণ করা হবে। জনস্বার্থে বিষয়টি দ্রুত সমাধানে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ আরো জোরদার করা এবং শহরের যানজট, পরিচ্ছন্নতা, ট্রাক টার্মিনাল ও সড়ক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

 

অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পী কুমার দাশ, থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম শাহীন, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, মাওলানা আহম্মদ আলি, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে আলম নাহিদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুন নাহার আক্তার, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার মোতাহার হোসেন, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার হুমায়ুন কবির, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, মাহবুবুর রহমান মফে, বিশাখা তপন সাহা, কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক এমএ সাজেদ, সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কাজী সিরাজ, জাহিদুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

 

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও চিংড়ি রেনুসহ ত্রিশ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে গাঁজা ও চিংড়ি রেনুসহ ত্রিশ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, কুশখালী, মাদরা, পদ্মশাখরা ও তলুইগাছা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ ভারতীয় শাড়ি, গাঁজা, চিংড়ি মাছের রেণু পোনা ও মোবাইল ফোনের স্পিকার আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, পদ্মশাখরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন হাড়দ্দাহ জোড়া তালগাছ ও পল্লী শ্রী আমবাগান হতে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণু পোনা আটক করে। কুশখালী বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শ্মশান ঘাট ও ছয়ঘড়িয়া হতে ২ লাখ ৭০ হাজার ২০০ টাকার ৫.২ কেজি গাঁজা, ১ টি মোটরসাইকেল ও ১ টি মোবাইল ফোন আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার শ্মশান ঘাট হতে ৫২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় সিল্ডেনাফিল ট্যাবলেট আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার গেরাখালী হতে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে।

এছাড়াও, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন মজুমদারের খাল হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের স্পিকার আটক করে। আটক মালামালের সর্বমোট মূল্য ৩০ লাখ ৪২ হাজার ৭০০ টাকা।
বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়।

 

এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।