মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

আপনার কম্পিউটার মাউস নোংরা? কয়েক মিনিটেই পরিষ্কার করার সহজ উপায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আপনার কম্পিউটার মাউস নোংরা? কয়েক মিনিটেই পরিষ্কার করার সহজ উপায়

প্রতিদিনের ব্যবহারে আপনার কম্পিউটার মাউসটি অজান্তেই ধুলো, খাবারের কণা এবং নানা ময়লা জমায়—ঠিক যেন একটি সত্যিকারের ইঁদুরের মতো ঘুরে বেড়ায়। তবে পার্থক্য হলো, আসল ইঁদুর নিজে নিজেই পরিষ্কার হয়ে নেয়, কিন্তু আপনার মাউস তা পারে না। আমরা নিয়মিত কীবোর্ড বা ইয়ারফোন পরিষ্কার করলেও মাউসকে প্রায়ই উপেক্ষা করি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যবহৃত এই ডিভাইসটি পরিষ্কার না রাখলে তা শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়, কাজের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মাউস পরিষ্কার রাখা জরুরি।

কী কী লাগবে?

মাউস পরিষ্কার করতে খুব বেশি কিছু প্রয়োজন নেই। হাতের কাছেই রাখুন— কমপ্রেসড এয়ার, লিন্ট-ফ্রি কাপড়, টুথপিক বা স্পাডজার (পাতলা প্লাস্টিক স্টিক) এবং অ্যালকোহল ওয়াইপ।

অপটিক্যাল/লেজার মাউস পরিষ্কার করার নিয়ম

 

গেমিং মাউস নিয়মিত ব্যবহার করার ফলে এতে ধুলা, ময়লা এবং ক্ষুদ্র কণিকা জমে যেতে পারে। তাই সঠিকভাবে পরিষ্কার রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মাউসের কার্যক্ষমতা বজায় থাকে।

প্রথমেই নিশ্চিত করুন যে মাউসটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। যদি এটি তারযুক্ত হয়, তাহলে কম্পিউটার থেকে খুলে ফেলুন। আর যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে সাধারণত একটি সুইচ থাকে—সেটি বন্ধ করে দিন।

এরপর একটি কমপ্রেসড এয়ার ক্যান ব্যবহার করে মাউসের LED অংশটি আলতোভাবে পরিষ্কার করুন। যদি ব্যাটারির জন্য আলাদা অংশ থাকে, তাহলে ব্যাটারি খুলে নিয়ে সেখানে কমপ্রেসড এয়ার বা শুকনো, লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। এই অংশে কখনো ভেজা কিছু ব্যবহার করবেন না।

এরপর একটি টুথপিক বা স্পাডজার ব্যবহার করে মাউসের সব খাঁজ ও ফাঁকফোকর পরিষ্কার করুন। গেমিং মাউসে সাধারণত অতিরিক্ত বোতাম থাকে, তাই প্রতিটি বোতামের চারপাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। স্ক্রল হুইল থাকলে সেটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরিষ্কার করুন, যাতে ভেতরের ময়লাও বের হয়ে আসে।

সবশেষে আবার কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে বাকি ধুলাবালি উড়িয়ে দিন। এরপর একটি অ্যালকোহল ওয়াইপ বা হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে মাউসের বাইরের অংশ মুছে নিন। যদি ভেজা কাপড় ব্যবহার করেন, তাহলে শেষে একটি শুকনো কাপড় দিয়ে আবার মুছে নিন।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার গেমিং মাউস পরিষ্কার থাকবে এবং দীর্ঘদিন ভালোভাবে কাজ করবে।

ট্র্যাকবল মাউস পরিষ্কার করার নিয়ম

 

এই ধরনের মাউসে ময়লা বেশি জমে। প্রথমেই যদি আপনার ট্র্যাকবল মাউসটি তারযুক্ত হয়, তবে সেটি কম্পিউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করুন। আর যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে পরিষ্কার করার আগে ব্যাটারি খুলে নিন।

এরপর ট্র্যাকবলটি মাউসের বডি থেকে আলাদা করুন। কিছু মাউসে বলটি সহজেই ওপরে থেকে বের করা যায়। আবার কিছু মডেলে, বিশেষ করে যেগুলোর ট্র্যাকবল নিচে থাকে, সেগুলোর ক্ষেত্রে হাউজিংটি হালকা ঘুরিয়ে খুলতে হয়। সাধারণত এ কাজে কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন হয় না।

বলটি বের করার পর, একটি অ্যালকোহল ওয়াইপ বা হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে মাউসের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করুন এবং কাপড় দিয়ে হালকাভাবে মুছে নিন।

মাউসের কোণ বা ফাঁকফোকরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে একটি টুথপিক বা স্পাডজার ব্যবহার করতে পারেন। যদি ময়লা শক্তভাবে আটকে থাকে, তবে আবার কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে তা ঢিলা করে নিন।

সবশেষে, একটি হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় বা অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে পুরো মাউসের বাহিরের অংশ মুছে নিন। তারপর ট্র্যাকবলটি আবার আগের জায়গায় বসিয়ে দিন।

ভার্টিক্যাল (এরগোনমিক)

ভার্টিক্যাল এরগোনমিক মাউস, যেমন লজিটেক লিফ্ট, হাতের কব্জির ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। তবে পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে এগুলো কিছুটা ঝামেলার হতে পারে। তাই সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করা জরুরি।

প্রথমেই, অন্যান্য মাউসের মতো এটিকেও বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করুন। যদি আপনার মনে হয় মাউসের ভেতরে খাবারের কণা বা ধুলাবালি ঢুকে গেছে, তাহলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউসটি খুলে ফেলুন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার এবং শুকনো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে ভেতরের অংশ পরিষ্কার করুন। বাইরের অংশটি হালকা ভেজা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব কিছু শুকিয়ে গেলে আবার মাউসটি জোড়া লাগান।

যদি আপনি মাউস খুলতে না চান এবং শুধু বাইরের অংশ পরিষ্কার করাই যথেষ্ট মনে করেন, তাহলে একটি টুথপিক বা স্পাডজার দিয়ে মাউসের সব খাঁজ ও ফাঁক পরিষ্কার করুন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে ধুলাবালি উড়িয়ে দিন এবং শেষে একটি হালকা ভেজা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে পুরো মাউসটি মুছে ফেলুন।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—অনলাইনে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন যে এই ধরনের মাউসের কিছু কোটিং সহজেই ময়লা ধরে। এর চেহারা পুরোপুরি আগের মতো ঝকঝকে করা কঠিন হতে পারে। তবে এই পরিষ্কার করার পদ্ধতি অনুসরণ করলে অন্তত এটি পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকবে, যদিও একেবারে নতুনের মতো না-ও দেখাতে পারে।

মনে রাখা ভালো, আপনার মাউস প্রতিদিন আপনার হাতের স্পর্শে থাকে। তাই এটিকে পরিষ্কার রাখা মানে শুধু ডিভাইসের যত্ন নয়, নিজের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত রাখা। মাত্র কয়েক মিনিট সময় দিলেই মাউস থাকবে নতুনের মতো পরিষ্কার। সূত্র: পিসিম্যাগ

Ads small one

সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত এবং নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে সক্রিয় এসব বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫২ জন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-৬ সদর দপ্তর, খুলনা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারীদের কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র‌্যাব-৬সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে। তিনি সাতক্ষীরা শহরতলীর খেলারডাঙগী এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৩৪)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালতলা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের দোকানের কর্মচারী তালতলা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে ভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম তার ভ্যানে বালু লোড দেওয়ার এক পর্যায়ে মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পিছনে প্রসাব করতে বসেন।

 

এসময় বিলের মধ্যে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে জানান। আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো বোরখা পরিহিত নারীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

 

খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান’র নেতৃত্বে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন। এসময় ঘটনা স্থল থেকে পুলশ একটি এন্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় লাশটি কহিনুর বেগমের।

 

ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারন উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদের উদ্যোগে সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ মাগরিব থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে এই বিশেষ মাহফিল শুরু হয়।

 

মাওলানা রোকনুজ্জামান বিপ্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পেশ করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আফজাল হোসেন জিহাদী।

 

এ ছাড়া মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে আলোচনা করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেবৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি