সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

আজ ১৬ জুলাই, ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণে দিনটি এবারও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন পৃথক বাণী দিয়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসে ১৬ জুলাই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।

এই দিনে আন্দোলনের সূচনাপর্বে সংঘটিত সহিংসতায় কয়েকজন আন্দোলনকারী নিহত হন। তাঁদের আত্মত্যাগ পরবর্তী সময়ে সারা দেশে আন্দোলনকে আরও বেগবান করে এবং শিক্ষার্থী, তরুণ, শ্রমিক ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে সম্পৃক্ত হন।

পরবর্তীকালে আন্দোলন দেশব্যাপী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ভোরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। শহীদদের স্মরণে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভ ও কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে।

বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন রয়েছে।

‘জুলাই শহীদ দিবস’ (১৬ জুলাই) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বুধবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন।

তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রপতি আন্দোলনে আহত সাহসী তরুণ-তরুণী ও যুবপ্রজন্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এদের অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে আজও যন্ত্রণাময় জীবনযাপন করছেন।

একই সঙ্গে তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং জুলাই যোদ্ধা ও গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের ত্যাগ ও অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন বা অর্জন নয়, এটি ছিল গণতন্ত্রকামী সকল মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্খা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল।

জুলাই শহীদদের আত্মদান স্মরণ করিয়ে দেয় যে রাষ্ট্রের শক্তির উৎস ও সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ।

জনগণের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। জুলাইয়ের চেতনা একটি মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, জুলাইয়ের সেই গণ-অভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলনই ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন, দমন-পীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ।

তিনি বলেন, সেই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের শক্তিতেই বাংলাদেশের মানুষ তাদের মর্যাদা, অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ঐতিহাসিক সেই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পর আজ আমাদের সরকার শহীদদের পবিত্র আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শোকর‌্যালি, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়।

বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুল পর্যায়েও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দেশের বিভিন্ন জাদুঘর, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও গণগ্রন্থাগারে বিশেষ প্রদর্শনী ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এসব আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দিবসটিকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরছেন।

অনেকে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি, ছবি ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করছেন এবং নতুন প্রজন্মকে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস জানার আহ্বান জানাচ্ছেন।

দেশের বিভিন্ন মসজিদে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া, মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা, গির্জায় প্রার্থনা সভা ও প্যাগোডায় শান্তি কামনায় ধর্মীয় আচার পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শহীদদের স্মৃতি জাতিকে ভবিষ্যতের পথচলায় সাহস ও প্রেরণা জোগাবে, এমন প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে আজ সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস।

Ads small one

প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে রোববার রাতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী।

শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থার কমিটি গঠন ও নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বচ্ছ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার সামাজিক সংগঠন ‘শাপলা প্রতিবন্ধী যুব উন্নয়ন সংস্থা’-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি এবং সংস্থার সাধারণ সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে মো. সিহাব সিদ্দিকী সভাপতি, আজমিরা খাতুন সহ-সভাপতি এবং মো. রিপন হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন-কোষাধক্ষ পাপিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহীদ হোসেন এবং ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. হাফিজ।
নির্বাচনী সভায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুর রহমান উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা ও সার্বিক কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাসংশ্লিষ্ট মোট ৩০জন সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ডিবি গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) গার্লস স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ, অভিভাবক সমাবেশ এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) স্কুলের হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল হোসেন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক প্রতিনিধি মো. হাফিজুল ইসলাম, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, সিনিয়র শিক্ষক মো. নজিবুল ইসলাম, গীতা রাণী সাহা, শামীমা আক্তার, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, মৃনাল কুমার বিশ্বাস, ভানুবতী সরকার, খালেদা খাতুন, আসমাতারা জাহান, আজহারুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সিনিয়র শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।