রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার পেছনে যে ভুল আমরা প্রতিদিন করছি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার পেছনে যে ভুল আমরা প্রতিদিন করছি

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা, রিজিকের প্রশস্ততা এবং জীবনে বরকত এ তিনটি বিষয়ই মানুষের চিরন্তন প্রত্যাশা। তবে ইসলাম স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয়, প্রকৃত সমৃদ্ধি কেবল অর্থ-সম্পদের প্রাচুর্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং হালাল উপার্জন, আল্লাহভীতি, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি এবং মানুষের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে বরকতময় জীবনের প্রকৃত ভিত্তি।

 

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, “তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করবে এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।” (সূরা আল-ইসরা: ২৩)। গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর ইবাদতের নির্দেশের পরপরই পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণের আদেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ইসলামে পিতা-মাতার মর্যাদা ও তাঁদের সন্তুষ্টির গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে।” (জামে তিরমিজি)।

 

তাই যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সঙ্গে পিতা-মাতার সেবা করে, তাঁদের সম্মান করে এবং তাঁদের দোয়া অর্জনের চেষ্টা করে, আল্লাহ তাআলা তার জীবনে রহমত ও কল্যাণ দান করেন। অপরদিকে, মানুষের ওপর জুলুম করা, অন্যের অধিকার হরণ করা, লেনদেনে প্রতারণা করা কিংবা অসৎ উপায়ে সম্পদ অর্জন করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৮)।

 

রাসূলুল্লাহ কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)। অর্থাৎ, যে সম্পদ অন্যায় ও অসততার মাধ্যমে অর্জিত হয়, তাতে বাহ্যিক প্রাচুর্য থাকতে পারে, কিন্তু প্রকৃত বরকত থাকে না। আজকের সমাজে অর্থনৈতিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং জীবনে বরকতহীনতার অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে।

 

অথচ আত্মসমালোচনা করলে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই আমরা মানুষের হক আদায়ে অবহেলা করি, লেনদেনে সততা বজায় রাখি না, অন্যের সম্পদের প্রতি অন্যায়ভাবে হাত বাড়াই কিংবা পিতা-মাতার যথাযথ খেদমতে শৈথিল্য প্রদর্শন করি। এসব অনৈতিক আচরণ ব্যক্তি ও সমাজ উভয়কেই আল্লাহর রহমত ও বরকত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।

লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

Ads small one

কেশবপুর ইয়াবাসহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ইয়াবাসহ আটক ১

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর ক্যাম্প পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

ক্যাম্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভালুকঘর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ দেব কুমার দাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের বেগমপুর তাপসের মোড়ের রাসেলের মুদি দোকানের সামনে থেকে বেগমপুর গ্রামের মৃত ইছান গাজীর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ গাজী (৬০), এর কাছ থেকে ১০ পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

 

ক্যাম্প ইনচার্জ দেব কুমার দাস বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।