মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

শহীদ মিনারে নাট্যজন আতাউর রহমানকে শেষ শ্রদ্ধা, অশ্রুসিক্ত সংস্কৃতি কর্মীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
শহীদ মিনারে নাট্যজন আতাউর রহমানকে শেষ শ্রদ্ধা, অশ্রুসিক্ত সংস্কৃতি কর্মীরা

নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানকে শেষ বিদায় জানালো বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। দুপুর থেকেই প্রিয় সহকর্মীকে শেষবার দেখার জন্য শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হন বরেণ্য নাট্যকার, অভিনয়শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।

শ্রদ্ধায় ও স্মরণে সিক্ত শহীদ মিনার

শহীদ মিনারে আতাউর রহমানের মরদেহে একে একে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায় নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। তালিকায় ছিল নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়, ছায়ানট, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, ঢাকা থিয়েটার, প্রাচ্যনাট, কণ্ঠশীলন, পালাকার ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগসহ বহু সংগঠন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেন, “আতাউর রহমান সবসময় শিল্পকে ধারণ করতেন। তিনি ছিলেন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ। শিল্পই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান।”

নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আতাউর রহমান শিল্পকে গভীরভাবে আঁকড়ে ধরেছিলেন। তার হাত ধরেই অনেকে নাট্যজগতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কর্মের মাধ্যমেই তিনি আমাদের মাঝে অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন।”

বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কন্যা শর্মিষ্ঠা। শ্রদ্ধানুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য অভিনেতা তারিক ইনাম খানসহ সংস্কৃতিক কর্মীরা। সবার কণ্ঠে ছিল একই সুর—আতাউর রহমানের প্রয়াণে নাট্যজগতে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা কখনও পূরণ হওয়ার নয়।

শেষ বিদায় ও দাফন

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধানুষ্ঠানের আগে জোহরের নামাজের পর মগবাজারের ইস্পাহানী সেঞ্চুরি আর্কেড সংলগ্ন খোলা মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিকালে তার মরদেহ বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার (১১ মে) রাত ১১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান নাট্যজন। তিনি দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশে থিয়েটার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মঞ্চ নাটক নির্দেশনা, অভিনয় এবং লেখালেখির মাধ্যমে তিনি বাংলা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে গেছেন।

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক পত্রে মঙ্গলবার (১২ মে) এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
ঘোষিত কমিটিতে এস কে এম আবু রায়হানকে সভাপতি এবং জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান (অর্ঘ্য) কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মনজুরুল কবির বাপ্পী, সহ-সভাপতি হিসেবে মো. আসিফ ইকবাল, সোহেল রানা ও শেখ রিজভী  আহমেদকে রাখা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ রিপন, শেখ ফারহান মাসুক ও মো. জুয়েল রানা। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মো. শাহীন ইসলামকে।
চিঠিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দেবহাটায় দুই আইসক্রিম কারখানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুই আইসক্রিম কারখানাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে উপজেলার উত্তর সখিপুর এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৬) এই অভিযান পরিচালনা করে।
র‌্যাব সূত্র জানায়, উত্তর সখিপুর এলাকার ‘শিলা আইসক্রিম ফ্যাক্টরি’ ও ‘মদিনা আইসক্রিম ফ্যাক্টরি’তে দীর্ঘদিন ধরে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক (ক্যামিক্যাল) মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে র‌্যাব-৬-এর সিপিসি-১-এর ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েদ উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল সেখানে হানা দেয়।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো বিএসটিআই অনুমোদন নেই এবং অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম প্রস্তুত করা হচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪১ ও ৪২ ধারা মোতাবেক অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম দ-াদেশ প্রদান করেন। দ-ের বিবরণ হলোÑ শিলা আইসক্রিম ফ্যাক্টরির মালিক সুজিত বিশ্বাসকে ১ লাখ টাকা জরিমানা। মদিনা আইসক্রিম ফ্যাক্টরির পরিচালক আব্দুল খালেককে ১ লাখ টাকা জরিমানা।
জরিমানার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে কারখানা দুটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
র‌্যাব কর্মকর্তা জায়েদ উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা সহ্য করা হবে না। জনস্বার্থে ভেজাল ও নি¤œমানের খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে আমাদের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চার কোটি টাকা মূল্যের মাদক ও পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চার কোটি টাকা মূল্যের মাদক ও পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বড় ধরনের চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পৃথক এসব অভিযানে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ওষুধ, মোবাইল যন্ত্রাংশসহ বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) সদরসহ ভোমরা, পদ্মশাখরা, বৈকারী, কুশখালি, হিজলদী, কাকডাঙ্গা বিওপি ও বাঁকাল চেকপোস্টের টহল দল গত দুদিন এই অভিযান চালায়।
সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে সোমবার (১১ মে) ভোমরা বিওপির অভিযানে। ভোমরা বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকা থেকে ৭২৫ গ্রাম ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ আইস জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (১২ মে) দিনভর সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
সাতক্ষীরা সদর এলাকার ব্যাটালিয়ন সদরের ১ নম্বর গেট এলাকা থেকে ভারতীয় ইনসাফ সিরাপ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া কুশখালি থেকে ওষুধ, পদ্মশাখরা থেকে ভারতীয় শাড়ি এবং বৈকারী থেকে মোবাইলের যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।
কলারোয়া এলাকার কাকডাঙ্গা ও হিজলদী বিওপি সদস্যরা পৃথক অভিযানে কলারোয়ার ভাদিয়ালী ও বড়ালী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ শাড়ি, ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ করেন। বাঁকাল চেকপোস্ট এলাকার খানপুর থেকে মোবাইল যন্ত্রাংশ এবং আলিপুর থেকে ৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি রেনুপোনা আটক করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত সব মালামালের মোট বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এসব পণ্য শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ পথে ভারতীয় পণ্য আসার ফলে দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব হারাচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় শিল্প।