শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শার্শার পিআইওর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, অভিযোগ অস্বীকার করে ‘ষড়যন্ত্রের’ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
শার্শার পিআইওর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, অভিযোগ অস্বীকার করে ‘ষড়যন্ত্রের’ দাবি

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে পিআইও জানিয়েছেন, অনুসারীদের কাজ পাইয়ে দিতে ব্যর্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শার্শা উপজেলা পরিষদের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টুর নেতৃত্বে মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে আনা অভিযোগ স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়েছে, পিআইও শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করছেন। এছাড়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামানের সঙ্গে যোগসাজশে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া, ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন এবং অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পিআইও’র পাল্টা অভিযোগ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পিআইও শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু মুঠোফোনে বলেন, “উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন তাঁর অনুসারীদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমাকে চাপ দিয়েছিলেন। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে ১০ দিনের মধ্যে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। সেই কথোপকথনের অডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, তাঁর কাজ শুধু তদারকি করা। একটি পক্ষ তাঁকে হেয় করতেই এসব সাজানো মানববন্ধন করছে।

Ads small one

কুলিয়ার পি কে বি ফুটবল মাঠে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ প্রীতি ম্যাচ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
কুলিয়ার পি কে বি ফুটবল মাঠে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ প্রীতি ম্যাচ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার ১ নম্বর কুলিয়া ইউনিয়নের পি কে বি ফুটবল মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বিবাহিত বনাম অবিবাহিত’ দলের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ও স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ ম্যাচের আয়োজন করা হয়। ম্যাচটি পরিচালনা করেন রবিউল ইসলাম ও স্থানীয় চিকিৎসক আশরাফুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ১ নম্বর কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুরুল মোরশেদ মিলন এবং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু। এ ছাড়া স্থানীয় অন্যান্য নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাঠে উপস্থিত ছিলেন।
খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও যুবসমাজকে সঠিক পথে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।