বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” আবেদন ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” আবেদন ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত

সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ের ১২-১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ নামে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিভা অন্বেষণে জনপ্রিয় ৮টি ইভেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সুযোগ রয়েছে। এসব ইভেন্টগুলো হলো ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাঁবা, মার্শাল আর্ট ও সাঁতার।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের নিয়মাবলী ও সুযোগ সুবিধা উল্লেখ করা হয়েছে।

১। ১২-১৪ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বয়স প্রমাণের জন্য অনলাইন ভেরিফাইড জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক।

২। একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ ২ টি ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে দলগত ইভেন্টের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

৩। আবেদনের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়নপত্র, পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি এবং অভিভাবকের সম্মতিপত্র প্রয়োজন হবে।

৪। প্রতিযোগিতাটি মোট ৪ টি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। যথা- ক) উপজেলা পর্যায় খ) জেলা পর্যায় গ) আঞ্চলিক পর্যায় ঘ) জাতীয় পর্যায়।

৫। বিজয়ীদের জন্য মেডেল, ট্রফি এবং সনদপত্র থাকবে। এছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং ভর্তির সুযোগ প্রদান করা হবে।

৬। নিবন্ধিত খেলোয়াড় দ্বারা স্ব-স্ব উপজেলা দল গঠিত হয়ে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।
আবেদনের তারিখ ১২ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

ওয়েব সাইটের ঠিকানা: https://notunkurisports.gov.bd

Ads small one

আর্জেন্টিনার বড় জয়, মেসির হ্যাটট্রিকে মেতেছে শোবিজ অঙ্গন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার বড় জয়, মেসির হ্যাটট্রিকে মেতেছে শোবিজ অঙ্গন

লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়ে জয় দিয়ে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। মাঠের এই দাপুটে পারফরম্যান্সে যেমন গ্যালারি মাতোয়ারা, তেমনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস—শোবিজ তারকারাও যোগ দেন সেই আনন্দে।

মাঠে উপস্থিত থেকে ম্যাচ দেখা অভিনেত্রী নাঈম নাদিয়া লিখেছেন, “ইয়েস, আমরা এখানে, আর্জেন্টিনা। গর্জন তুলুন!”

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অভিনেতা অমিত হাসান একটু খোঁচা মেরে লিখেছেন, “আমার পূর্বানুমান ঠিক হলো। তিন গোল দিলাম। রাগ করলা।” অর্থাৎ আগে থেকেই যেন তিনি স্কোর জানতেন!

অভিনেত্রী কেয়া পায়েল পুরো ম্যাচ দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন, “তিনটি গোল। একজন সর্বকালের সেরা। সম্পূর্ণ আধিপত্য! এই মানুষটি যখন নিজের সেরা ছন্দে থাকে, তখন তাকে থামানোর কোনো উপায় থাকে না।”

অভিনেতা জায়েদ খান আবার ইতিহাস টেনে এনেছেন, লিখেছেন, “অভিনন্দন আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনার জন্যই আজকে ফুটবল ভালোবাসি, আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসি। অসাধারণ লিওনেল মেসি।”

পরীমনি নিজের ছেলের ছবির সঙ্গে মেসি-ভাবনা মিশিয়ে লিখেছেন, “আমার ছোট্ট মেসি। মাশা আল্লাহ।”—যেখানে ফুটবল আর মাতৃত্ব এক ফ্রেমে এসে গেছে।

গায়িকা লুইপা আবার ফুটবলের চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিলেন স্বামীকে নিয়ে, লিখেছেন, “আমার স্বামী আর্জেন্টিনা নাকি ব্রাজিলের সাপোর্টার এইটা কখনোই বলে না… কিন্তু আজকে আমার কেমন একটা সন্দেহ হচ্ছে…”—অর্থাৎ খেলা না দেখেই ঘুমিয়ে পড়া স্বামীই এখন মূল রহস্য!

অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া প্রথমবার সন্তানের সঙ্গে খেলা দেখে আবেগে ভেসে লিখেছেন, “সানার জীবনের প্রথম দেখা আর্জেন্টিনার ম্যাচ, আর সেই ম্যাচেই আর্জেন্টিনার জয়, মেসির হ্যাটট্রিক! বিশ্বকাপযাত্রার শুরুটা এর চেয়ে সুন্দর আর কী হতে পারে?”

অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম খুব সংক্ষেপে শান্ত ভঙ্গিতে লিখেছেন, “সবাইকে শুভ সকাল, অত্যন্ত চমৎকার একটি জয়।”—যেন পুরো ফুটবল উন্মাদনাকে এক লাইনে কুল ডাউন করে দিলেন তিনি।

আরেক অভিনেত্রী মন্দিরা চক্রবর্তী মাঠ থেকেই পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, “মাই লাভ মেসি, প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জন্য ভালোবাসা।”—মেসির প্রতি ভালোবাসা যেন স্কোরলাইনকেও ছাপিয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে মেসির হ্যাটট্রিক শুধু ম্যাচ জিতিয়ে দেয়নি, দেশের তারকাদের টাইমলাইনও পুরোপুরি দখল করে নিয়েছে—ফুটবল উৎসব এখন স্টেডিয়াম থেকে ফেসবুক পর্যন্ত!

রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে প্রথমার্ধে পর্তুগালকে রুখে দিলো কঙ্গো, ১-১ সমতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে প্রথমার্ধে পর্তুগালকে রুখে দিলো কঙ্গো, ১-১ সমতা

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে তীব্র উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের মধ্য দিয়ে শেষ হলো পর্তুগাল ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) মধ্যকার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচের প্রথমার্ধ। ম্যাচের শুরুতেই জোয়াও নেভেসের দুর্দান্ত গোলে পর্তুগাল লিড নিলেও, প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে কঙ্গোর স্ট্রাইকার ইয়োয়ান উইসার নাটকীয় গোলে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।

পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ছোঁয়ার ঐতিহাসিক ষষ্ঠ বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুটা পর্তুগালের জন্য হয়েছিল স্বপ্নের মতো। হিউস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের বাঁশি বাজার পর একটুও সময় নষ্ট করেনি রবার্তো মার্তিনেসের শিষ্যরা। খেলার ঠিক ৬ষ্ঠ মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে আসা চমৎকার এক ক্রস বাতাসে ভেসে কঙ্গোর ডি-বক্সে ঢুকলে নিখুঁত পজিশন নেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। নিজের মার্কারকে সম্পূর্ণ ফাঁকি দিয়ে এক বুলেট গতির হেডে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি। গোল উদযাপনে আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এই তরুণ। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে ফেরা কঙ্গোর জন্য এটি ছিল এক বিশাল ধাক্কা।

শুরুর গোল খেয়ে ব্যাকফুটে চলে গেলেও দমে যায়নি কঙ্গোর ‘চিতারা’। পর্তুগালের তারকাখচিত মাঝমাঠ ও বার্নার্ডো সিলভাদের আক্রমণ সামলে ধীরে ধীরে কাউন্টার অ্যাটাকে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে তারা। পুরো প্রথমার্ধ জুড়েই পর্তুগাল বল পজিশনে আধিপত্য বজায় রাখলেও কঙ্গোর রক্ষণভাগ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কড়া পাহারায় রেখে বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি।

যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যাচ্ছে পর্তুগাল, ঠিক তখনই ম্যাচের ৪৫ মিনিটে (৪৫+৪ মিনিটে যোগ করা সময়ে) নাটকীয়ভাবে জ্বলে ওঠেন কঙ্গোর নিউক্যাসল ইউনাইটেড স্ট্রাইকার ইয়োয়ান উইসা। পর্তুগিজ ডিফেন্সের একটি মুহূর্তের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে ডিওগো কস্তাকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি। উইসার এই অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় সমতাসূচক গোলে কঙ্গো শিবিরে উল্লাসের জোয়ার বয়ে যায়। ফলে ১-১ গোলের সমতা ও টানটান উত্তেজনা নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দুই দল।

দ্বিতীয় হাফে রোনালদোরা পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেন, নাকি কঙ্গো বড় কোনো অঘটন ঘটায়— এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, কঙ্গোর মুখোমুখি পর্তুগাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, কঙ্গোর মুখোমুখি পর্তুগাল

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে আজ। লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি জানিয়ে দিয়েছেন, এটাই হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ। আর শেষবারের মতো সেই একমাত্র শিরোপাটা ছোঁয়ার স্বপ্ন বুকে নিয়েই মাঠে নামছেন তিনি।

গ্রুপ ‘কে’-র উদ্বোধনী ম্যাচে রবার্তো মার্টিনেজের পর্তুগাল মুখোমুখি ডিআর কঙ্গোর, যারা ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে।

 

রোনালদো খেলবেন ৪-২-৩-১ ছকের একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে। তার পেছনে তিনজন— বের্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেস ও পেদ্রো নেতো। মাঝমাঠের হোল্ডিং ভূমিকায় জোয়াও নেভেস ও ভিতিনহা। রক্ষণে কানসেলো, আরাউহো, ভেইগা ও মেন্দেস।

পর্তুগাল একাদশ: দিয়োগো কস্তা; তোমাস আরাউহো, রেনাতো ভেইগা, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস; জোয়াও নেভেস, ভিতিনহা; বের্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, পেদ্রো নেতো; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (অধিনায়ক)।

শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ থেকে বেঞ্চে গেছেন নেলসন সেমেদো, রুবেন দিয়াস, দিয়োগো দালোত, গনসালো ইনাসিও ও ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও।

ডিআর কঙ্গোতে চার পরিবর্তন

কোচ সেবাস্তিয়ান দেজাবরে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচের একাদশে চারটি পরিবর্তন আনলেন। দলে এসেছেন স্টিভ কাপুয়াদি, সেদ্রিক বাকাম্বু, এদো কাইয়েম্বে ও আর্থার মাসুয়াকু— বেঞ্চে গেছেন নাথানিয়েল মবুকু, থিও বঙ্গোন্দা, জোরিস কাইয়েম্বে ও নোয়া সাদিকি।

ডিআর কঙ্গো একাদশ: লিওনেল এমপাসি; অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, স্টিভ কাপুয়াদি, আক্সেল তুয়ানজেবে, চ্যান্সেল মবেম্বা (অধিনায়ক), আর্থার মাসুয়াকু; এনগালায়েল মুকাউ, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কাইয়েম্বে; ইয়োয়ান উইসা, সেদ্রিক বাকাম্বু।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ওয়ান-বিসাকা ও ব্রেন্টফোর্ডের উইসার মতো প্রিমিয়ার লিগ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকলেও কাগজে-কলমে পর্তুগালই স্পষ্ট ফেভারিট।

৬০ বছরের অপেক্ষা, একজনের শেষ সুযোগ

পর্তুগালের ইতিহাসে সেরা সাফল্য ১৯৬৬ সালে তৃতীয় স্থান— ইউসেবিওর সেই কীর্তির পর ছয় দশক কেটে গেছে। নেশনস লিগ চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল এবার ফেভারিটদের তালিকায়, আর রোনালদোর জন্য এটাই শেষ সুযোগ ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ স্বপ্নটা পূর্ণ করার।