শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সংবাদদাতা: ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী, ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে পাশবিক নির্যাতন, ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে সারাদেশ। এই বর্বর হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার (২৩ মে) সকাল ১০ টায় দেশের বিভিন্ন জেলায় একযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের শহীদ মিনারের সামনে প্রান্তিক যুব সংঘসহ দেশের ৭টি সামাজিক ও শিশু সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই মূল কর্মসূচিটি পালিত হয়। একই সময়ে নাটোর, চাঁপেনারায়ণগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনেও সমমনা সংগঠনগুলো একযোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

সারাদেশে এই প্রতিবাদের ডাক দেওয়া ৭টি সংগঠন হলো— হ্যাপি ড্রিমস ফাউন্ডেশন, সৃজনশীল গাইবান্ধা, আয়াস বাংলাদেশ, বেতনা যুব উন্নয়ন সংস্থা, প্রান্তিক যুব সংঘ, ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) এবং ইয়াং স্পার্কস অফ বাংলাদেশ।

“আইন আছে কিন্তু কঠোরতা নেই”: প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি মানববন্ধনে শিশু, তরুণ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সমাবেশে বক্তারা দেশে শিশু নির্যাতনের ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সমাবেশে প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল বলেন “আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বর্তমানে আইনের কঠোর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে আইন আছে, কিন্তু সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও কঠোরতা দৃশ্যমান নয়। বিচারহীনতা ও আইনের শিথিলতার সংস্কৃতির কারণেই আজ দেশে শিশু ও নারী ধর্ষণ, হত্যা এবং পাচার দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আর কোনো রামিসাকে এভাবে হারাতে চাই না। অবিলম্বে এই বর্বরতার অবসান চাই।”

চার মাসে ১৯৯ শিশু নির্যাতনের শিকার সমাবেশে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল-এই মাত্র চার মাসেই দেশে অন্তত ১৯৯ জন শিশু চরম সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যার মধ্যে ৯৪ জন শিশু ধর্ষণের শিকার এবং ৩৪ জন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। সমাজজুড়ে মাদকাসক্তি, নৈতিক অবক্ষয় এবং দ্রুত বিচার না হওয়ার সংস্কৃতির কারণেই শিশুরা আজ কোথাও নিরাপদ নয় বলে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে শাস্তির দাবি সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে শিশু রামিসা হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে অপরাধীদের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। তবে ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের তৎপরতার প্রশংসা করেন আন্দোলনকারীরা।

আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, শিশু রামিসার জন্য পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদ চলবে এবং শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

 

Ads small one

মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাত শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সংবর্ধিতরা হলেন—জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্বাস উদ্দীন, ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কনিকা দত্ত, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম. আলাউদ্দীন, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রঞ্জিতা মন্ডল, প্রধান হিসাব সহকারী মো. আব্দুল আজিজ এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হাসেম আলী ও আব্দুল মোতালেব।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে ফুলের তোড়া, সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহারসামগ্রী তুলে দেন।
ইসলামী শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহিববুল্লাহর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ বাবুল আকতার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।