রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ঢল, খামেনির পর মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ঢল, খামেনির পর মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কোথায়?

‎‎‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎‎ইতিহাসের কিছু মুহূর্ত কেবল একটি মানুষের জীবনাবসানের সংবাদ বহন করে না; বরং একটি যুগের সমাপ্তির ঘোষণা দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিদায় তেমনই এক ঘটনা, যার অভিঘাত ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র অঞ্চলের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত বাস্তবতায় প্রতিফলিত হবে বহুদিন।

‎‎দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর হাত ধরেই ইরান শুধু একটি রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পশ্চিমা আধিপত্যের বিরোধিতা, ফিলিস্তিন প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে তিনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজও মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

‎তাঁর মৃত্যুর পর রাজধানী তেহরান যেন পরিণত হয়েছে শোক, স্মৃতি ও ইতিহাসের এক বিশাল মঞ্চে। রাজপথ, চত্বর, ধর্মীয় কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নেমে এসেছে মানুষের ঢল। কালো পতাকা, ব্যানার, প্রতিকৃতি এবং আবেগঘন স্লোগানে মুখরিত পুরো শহর। লাখো মানুষের উপস্থিতি শুধু একজন নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়; বরং একটি রাজনৈতিক দর্শন ও দীর্ঘদিনের আদর্শিক যাত্রার প্রতিও সম্মান প্রদর্শন।

‎খামেনির রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় নিঃসন্দেহে ‘অ্যাক্সিস অব রেসিস্ট্যান্স’ বা ‘প্রতিরোধ অক্ষ’। তাঁর নেতৃত্বে ইরান এমন একটি আঞ্চলিক বলয় গড়ে তোলে, যা লেবানন থেকে সিরিয়া, ইরাক থেকে ইয়েমেন এবং ফিলিস্তিন পর্যন্ত বিস্তৃত প্রভাবের ক্ষেত্র তৈরি করে। সমর্থকদের কাছে এটি ছিল দখলদারিত্ব ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক; সমালোচকদের কাছে এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করার এক কৌশল। কিন্তু উভয় পক্ষই স্বীকার করে, এই নীতিই ইরানকে আঞ্চলিক রাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

‎সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনির ক্ষমতা ছিল বহুমাত্রিক। রাষ্ট্রের সামরিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা ছিল নির্ধারক। বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বিকাশ, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাঁর সময়েই ইরান এমন এক শক্তিতে পরিণত হয়, যার অবস্থানকে উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কল্পনা করা কঠিন।

‎তাঁর শেষ বিদায়ে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে তাঁর প্রভাব কেবল ইরানের অভ্যন্তরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি ছিলেন বহুল আলোচিত, সমর্থিত ও সমালোচিত এক শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব। তাই তাঁর জানাজা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি বিশ্বরাজনীতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

‎আজ যখন তেহরানের রাজপথে মানুষের ঢল নেমেছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। খামেনির পর ইরানের নেতৃত্ব কোন পথে এগোবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ চাপ এবং পরিবর্তন প্রত্যাশী নতুন প্রজন্ম-সবকিছু মিলিয়ে নতুন নেতৃত্বকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।
‎‎সম্ভবত ইরান পূর্বসূরির নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে, আবার সময়ের প্রয়োজনে নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতাও গ্রহণ করতে পারে। তবে যে পথই বেছে নেওয়া হোক না কেন, তার প্রভাব পড়বে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, জ্বালানি বাজার, ফিলিস্তিন প্রশ্ন এবং আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যের ওপর।

‎‎ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কিছু নেতার মৃত্যু তাঁদের প্রভাবকে মুছে দেয় না; বরং নতুন করে মূল্যায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ক্ষেত্রেও সেটিই ঘটছে। তাঁর সমর্থকরা তাঁকে স্মরণ করবেন প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে, সমালোচকরা মূল্যায়ন করবেন তাঁর নীতির পরিণতি দিয়ে। কিন্তু ইতিহাসের আদালতে একটি বিষয় অস্বীকার করার সুযোগ নেই-তিনি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন।

‎‎তেহরানের জনসমুদ্র আজ সেই বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। একজন নেতার বিদায়ের মধ্য দিয়ে একটি যুগের অবসান ঘটেছে, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, কৌশলগত দর্শন এবং আঞ্চলিক প্রভাব আগামী বহু বছর ধরে আলোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে একটি পরিচিত অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলেও ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ইতোমধ্যেই হয়েছে।

‎‎লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা (গাজী বাজার)

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।