বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

শ্যামনগরে লিডার্সের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে লিডার্সের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী সংগঠন লিডার্সের আয়োজনে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন শীর্ষক প্রকল্পের অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। লিডার্সের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাশেদ হোসাইন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খান, শ্যামনগর থানার তদন্ত অফিসার পিয়ার উদ্দীন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিনা হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য নিপা চক্রবর্তী, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি বিলাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হালিম প্রমুখ।
লিডার্সের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এবিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্প বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক উপস্থাপন করেন লিডার্স কর্মকর্তা জয়দেব জোয়ারদ্দার।
সভায় জানানো হয় ২১৬০টি পরিবারকে জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করা,জলবায়ু সহনশীল আয় সৃষ্টি করা, মিনি পুকুর খনন, জলবায়ু সহনশীল দল গঠন সহ অন্যান্য কার্যক্রম করা হবে। জার্মানির ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড এর সহায়তায় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার চারটি ইউনিয়নে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার কর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার কর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে সংলাপ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে “মানবাধিকার কর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন” বিষয়ক এক সংলাপ ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা স্বদেশ-এর যৌথ আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (১৭ জুন, ২০২৬) সকালে সাতক্ষীরা শহরের একটি হোটেলের হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও উদ্বোধন ঘোষণা করেন সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ।

কর্মশালায় মূল বিষয়ে আলোচনা ও বক্তব্য রাখেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) সমন্বয়ক মো. রোকনুজ্জামান এবং সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক এম, কামরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দিলু, নাজমুন্নাহার ঝুমুর, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, গোলাম সারোয়ার, রঘুনাথ খাঁ, আমিনা বিলকিস ময়না, জেলা নাগরিক কমিটির আলী নুর খান বাবুল, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সাকিবুর রহমান বাবলা, শিক্ষক শেখ আশরাফুর রহমান ও মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ। সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত সংলাপটির মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন স্বদেশ’র নির্বাহী পরিচালক মাধবচন্দ্র দত্ত।

বক্তারা বলেন, “দেশে মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত নানা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাজ করছেন। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে যারা মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করেন, তারা সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। তাই তাদের পেশাগত নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি সুনির্দিষ্ট ‘মানবাধিকার কর্মী সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।”

সংলাপে বক্তারা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যৌথ উদ্যোগে এই আইনের খসড়া দ্রুত চূড়ান্ত করার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা অংশ নেন এবং নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন।

ফকিরহাটে সরকারি বস্তায় ধান বহন, ব্যবসায়ি গ্রেপ্তার, ৪৩১বস্তা ধান জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে সরকারি বস্তায় ধান বহন, ব্যবসায়ি গ্রেপ্তার, ৪৩১বস্তা ধান জব্দ

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারি ট্যাগ লাগানো বস্তায় ধান বহন করার অপরাধে সাধন ঘোষ (৩৮) নামে এক ধান ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এসময় বহনকারি ট্রাকসহ ৪৩১বস্তা ধান জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার (১৭ জুন) সকালে ফকিরহাট মযেল থানায় একটি মামলা হয়েছে।

গ্রেপ্তার সাধন ঘোষ বটিয়াঘাটার ভাদগাতী এলাকার মৃত পরিতোষ ঘোষের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পালেরহাট এলাকা থেকে ট্রাকসহ বস্তাভর্তি ধান জব্দ করা হয়। ট্রাকে থাকা ৪৩১ বস্তায় সরকারি সিল রয়েছে বলে জানান।

ধান ব্যবসায়ি সাধান ঘোষ বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান ক্রয় করে বাড়তি সুবিধার জন্য সরকারি বস্তায় ধান নিয়ে খুলনা উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে তা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো: হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৪, তারিখ-১৭/০৬/২০২৬ইং।

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  শেখ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি বস্তায় ধান বহন করার অপরাধে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা ট্রাকসহ বস্তা ভর্তি ধান খাদ্য গুদামে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

একটা সময় ছিল, যখন বিদ্যুৎ না থাকাটা ছিল স্বাভাবিক। সন্ধ্যা নামলেই হারিকেন, কুপিবাতি বা হ্যাজাকের আলোয় জীবন চলত। গ্রামের মানুষ রাতের আকাশের নিচে বসে গল্প করত, শহরেও অন্ধকারকে মেনে নেওয়ার এক ধরনের অভ্যাস ছিল। কিন্তু সেই সময় আর নেই। এখন বিদ্যুৎ ছাড়া একটি মুহূর্তও যেন অচল হয়ে পড়ে পুরো জীবনযন্ত্র।

 

তাই আজ যখন কেউ বলেÑ“বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব”Ñতখন সেটি নিছক বাড়াবাড়ি নয়, বরং এক গভীর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। এই বাস্তবতা আমাদের বলে, বিদ্যুৎ এখন আর শুধু একটি সুবিধা নয়; এটি আধুনিক সভ্যতার শিরা-উপশিরা। এই শিরায় রক্ত চলাচল বন্ধ হলে যেমন শরীর থেমে যায়, তেমনি বিদ্যুৎ না থাকলে থেমে যায় আধুনিক জীবন।

 

বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গত দুই দশকে বিদ্যুতায়নের বিস্তৃতি ঘটেছে অভূতপূর্ব গতিতে। গ্রাম-শহরের বৈষম্য অনেকটাই কমেছে। টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, ফ্রিজ, সেচপাম্পÑসবকিছুই এখন সাধারণ মানুষের নাগালে। এই পরিবর্তন নিঃসন্দেহে জীবনমান উন্নত করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে তৈরি করেছে এক গভীর নির্ভরতা। এখন মানুষ শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে না; বরং বিদ্যুৎ ছাড়া জীবন কল্পনাও করতে পারছে না।

 

একটি পরিবারে সকাল শুরু হয় মোবাইলের অ্যালার্মে, দিনের কাজ চলে ইন্টারনেট ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সাহায্যে, রাত শেষ হয় আলো ও ফ্যানের নিচে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এই পুরো চক্র থেমে যায়। শহরে কয়েক মিনিট লোডশেডিং হলেই অস্থিরতা শুরু হয়। লিফট বন্ধ হয়ে যায়, ট্রাফিক সিগন্যাল কাজ করে না, অফিসের কাজ থেমে যায়, অনলাইন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। অন্যদিকে গ্রামে এর প্রভাব আরও তীব্র। পানির পাম্প বন্ধ হয়ে যায়, কৃষিকাজ ব্যাহত হয়, মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ে।

এই দুই বাস্তবতা এক জায়গায় এসে দাঁড়ায়Ñবিদ্যুৎ ছাড়া আধুনিক জীবন অচল। আজকের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই ডিজিটাল হয়ে উঠছে। অনলাইন ক্লাস, ভার্চুয়াল লাইব্রেরি, প্রজেক্টও ভিত্তিক শিক্ষাÑসবকিছুই বিদ্যুৎনির্ভর। বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার গতি থেমে যায়।গ্রামের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের আলোকে পড়াশোনা করে। বিদ্যুৎ না থাকলে তাদের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়, পরীক্ষার ফলেও তার প্রভাব পড়ে। ফলে বিদ্যুৎ এখন শিক্ষার সমান গুরুত্বপূর্ণ একটি অবকাঠামো।

 

হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিদ্যুৎ মানে জীবন। অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, ভেন্টিলেটর, ডায়াগনস্টিক মেশিনÑসবকিছু বিদ্যুৎ ছাড়া অচল। এক মুহূর্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা অনেক সময় রোগীর জীবন-মৃত্যুর ব্যবধান তৈরি করে দেয়। বড় হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর থাকলেও গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেই সুযোগ সীমিত। ফলে বিদ্যুৎ সংকট সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বিদ্যুৎ শুধু ঘর আলোকিত করে না; এটি অর্থনীতির চাকা ঘোরায়। পোশাক শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য খামার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পÑসবকিছুই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।

একটি কারখানা কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ক্ষতি হয়, রপ্তানি কমে যায়, শ্রমিকদের আয় ব্যাহত হয়। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতা এখন অর্থনৈতিক নিরাপত্তার অংশ। বাংলাদেশের কৃষি এখন অনেকাংশে যান্ত্রিক ও বিদ্যুৎনির্ভর। সেচপাম্প, ঠান্ডা সংরক্ষণাগার, মাছের ঘেরের অক্সিজেন সরবরাহÑসবই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ও মাছচাষে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। বিদ্যুৎ না থাকলে পানি চলাচল বন্ধ হয়, ফলে উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়ে।

 

বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অপচয়ের প্রবণতাও বাড়ছে। অপ্রয়োজনে লাইট-ফ্যান চালু রাখা, এসির অতিরিক্ত ব্যবহার, অবৈধ সংযোগÑএসব বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে সিস্টেম লস ও অব্যবস্থাপনাও বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে উৎপাদন বাড়লেও অনেক সময় প্রকৃত সরবরাহ সংকট থেকে যায়। বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর। সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি, বায়োগ্যাসÑএসব উৎস আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে পারে।

বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে সূর্যের আলো প্রচুর, সেখানে সৌরবিদ্যুৎ আরও বিস্তৃত করা গেলে গ্রামীণ বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিদ্যুৎ সংকট শুধু উৎপাদনের সমস্যা নয়; এটি ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও নাগরিক আচরণেরও প্রশ্ন। সরকারকে যেমন দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি নাগরিকদেরও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হতে হবে।

 

অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ না হলে কোনো উৎপাদন ব্যবস্থাই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। “বিদ্যুৎ না পাইলে মরে যাব”Ñএই কথাটি আক্ষরিক অর্থে সত্য নয়, কিন্তু প্রতীকী অর্থে এটি গভীর বাস্তবতা বহন করে। বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা হয়তো বাঁচব, কিন্তু সেই জীবন হবে অগোছালো, অচল এবং পিছিয়ে পড়া। আধুনিক সভ্যতা বিদ্যুতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই ভিত্তি দুর্বল হলে পুরো কাঠামোই কেঁপে উঠবে। তাই বিদ্যুৎকে শুধু সুবিধা হিসেবে নয়, বরং একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখা জরুরি।

 

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি শুধু বিদ্যুৎ পাওয়া বা না পাওয়ার নয়Ñপ্রশ্ন হলো, আমরা এই সম্পদকে কতটা দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে পারছি। কারণ ভবিষ্যতের উন্নয়ন নির্ভর করবে আলো জ্বালানোর ক্ষমতার ওপর নয়, বরং সেই আলো কতটা টেকসইভাবে ধরে রাখতে পারি তার ওপর।

লেখক: সংবাদকর্মী