বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

শ্যামনগরে বেড়িবাঁধ প্রকল্প: চাঁদা না পেয়ে বাধার অভিযোগ, তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত দাবি ইউপি চেয়ারম্যানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বেড়িবাঁধ প্রকল্প: চাঁদা না পেয়ে বাধার অভিযোগ, তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত দাবি ইউপি চেয়ারম্যানের

সংবাদদাতা: শ্যামনগরে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন উপকূল রক্ষা বেড়িবাঁধ প্রকল্প নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান ঘটেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জমি দখলের যে অভিযোগ তুলে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম আন্দোলন করছিলেন, সরকারি তদন্তে তার কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান যে জমিটিকে নিজের লিজ নেওয়া সম্পত্তি বলে দাবি করেছিলেন, প্রকৃতপক্ষে সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তদন্তের এই ফলাফলের পর প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সেই পুরোনো অভিযোগটিই সামনে আসছেÑমোটা অঙ্কের চাঁদা না পেয়েই উন্নয়ন কাজে বারবার বাধা দেওয়া হচ্ছিল।
জানা যায়, জাইকার অর্থায়নে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ও কাশিমারী ইউনিয়নে প্রায় আড়াই কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করছে ‘মেসার্স আর-রাদ করপোরেশন’। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কাজে বাধা দিচ্ছেন। এ নিয়ে পাউবোর প্রকল্প পরিচালক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগও করেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পানি সম্পদ মন্ত্রীর নির্দেশে গত ১ জুন শ্যামনগর উপজেলা পরিষদে একটি বিশেষ সভা হয়। সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পাউবো কর্মকর্তা, প্রশাসন এবং বিএনপি-জামায়াত ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চেয়ারম্যান দাবি করেন, প্রকল্পের সিসি ব্লক তৈরির ইয়ার্ডটি তার লিজ নেওয়া জমিতে করা হয়েছে। এই দাবির সত্যতা যাচাইয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ওসিসহ সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
গত ৪ জুন সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ৮ জুন কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে দেখা যায়, সিসি ব্লক তৈরির জায়গাটি মূলত বিআরএস ৭০০১ ও ৭০০২ দাগের অন্তর্ভুক্ত, যা যথাক্রমে সরকারি খাস জমি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম লিজের কোনো বৈধ বা হালনাগাদ দলিল দেখাতে পারেননি। নিয়ম অনুযায়ী, পাউবোর জমি কোনো ইউপি চেয়ারম্যানকে লিজ দেওয়ার এখতিয়ার উপজেলা খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটির নেই। ওই জমিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে কাজ করছে। তবে এই তদন্ত প্রতিবেদনে জামায়াতে ইসলামী ও চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি স্বাক্ষর করেননি।
শ্যামনগরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন বলেন, নির্ধারিত পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যা পাওয়া গেছে, তা-ই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের সময় জামায়াত ও চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় তাদের স্বাক্ষর নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পাউবো ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, মূলত চাঁদা না পেয়েই এই বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর-রাদ করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সবুজ আলী খান জানান, গত ফেব্রুয়ারিতে তার কাছে ১২ লাখ টাকা কমিশন দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় শ্রমিক ও সাব-ঠিকাদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত ২৫ মে শ্যামনগর থানায় চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তার ছেলেসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ মে চেয়ারম্যান ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ২৩ মে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করে স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেন। ঘটনার পর থেকে চেয়ারম্যান পলাতক রয়েছেন। তবে শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তার দাবি, তিনি বনায়ন রক্ষা ও পরিবেশগত কারণে আপত্তি তুলেছিলেন, কোনো চাঁদা চাননি।
পাউবো কর্মকর্তারা জানান, বর্ষার আগে এই বাঁধের কাজ শেষ না হলে খোলপেটুয়া, মালঞ্চ ও কালিন্দী নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীর অর্থায়নে চলা প্রকল্প এভাবে আটকে থাকায় সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ হচ্ছিল।

Ads small one

আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য সমগ্র জেলার খাল-বিল-নদী-নালা দখলমুক্ত করে নেটপাটা ও অবৈধ বাঁধ অপসারণ করতে হবে। মৎস্য ঘের করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের জন্য আউট ড্রেন রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং সাতক্ষীরা পৌর এলাকার সব ড্রেন পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।  কারণ পৌরসভার অধিকাংশ ড্রেনে পানি জমে থাকে, উপচে রাস্তায় ওঠে, কিন্তু পানি নিষ্কাশিত হয় না।’

বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন।

সংলাপে গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

সংলাপে ধারণা পত্র পাঠ করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর জলাবদ্ধতা শুরু হওয়ার দীর্ঘ ৩ মাস পর যখন মানুষের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, তখন প্রশাসন ঘেরের বাঁধ কেটে পানি সরানোর ব্যবস্থা করেছিল। আমরা এবার সেই ‘দেরিতে ঘুম ভাঙা’ উদ্যোগ দেখতে চাই না। নদী ও খাল খননের মতো মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেহেতু সময়সাপেক্ষ, তাই এখনই জরুরি ভিত্তিতে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগগুলো পরিষ্কার করা, প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করা এবং বেতনা পাড়ের ১০টি বিলের অপরিকল্পিত ঘেরের বেড়িবাঁধ এখনই কেটে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করতে হবে। ঘের মালিকদের আউট ড্রেন রাখতে বাধ্য করতে হবে।

সংলাপে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক নেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, বারসিকের নগরবিদ জাহাঙ্গীর আলম, নাগরিক নেতা ও সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, ফরিদ হোসেন ময়না, আহসানুর রহমান রাজীব, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাড. এসএম বিপ্লব হোসেন, আসাদুজ্জামান সরদার, সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলী, ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের হৃদয় মন্ডল, ইফতি জামিল, বদ্দীপুর ক‌লোনীর বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, কাজীপাড়ার এরশাদ আলী প্রমুখ।

সংলাপে বক্তারা জেলার সব অকেজো স্লুইসগেট দ্রুত সচল করাসহ পানি নিষ্কাশনের সব পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে স্লুইসগেটের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার চিরায়ত ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষ নদীর মধ্যকার আন্তঃসংযোগগুলো পুনরায় খনন করে পানিপ্রবাহ সচল করা এবং সরকারিভাবে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশবান্ধব এবং জলবায়ু সহনশীল করাসহ ৭ দফা সুপারিশ করেন।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর ইউএনও অর্ণব দত্ত জলাবদ্ধতার বিপর্যয় এড়াতে এবং পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলসহ পানি নিষ্কাশনের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌর কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার

বিশ্বকাপের শুরুতেই আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে দেখা মিলেছিল রোমাঞ্চের ঝড়। জে গ্রুপের উদ্বোধনী ম্যাচের একেবারে প্রথম দিকে দুই দল গোলের স্বাদ পেলেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ে তা বাতিল হয়ে যায়। তবে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়নি। ১৭ মিনিটেই জ্বলে ওঠেন লিওনেল মেসি, আর সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা। তার হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

 

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে শিরোপা রক্ষার অভিযানে আর্জেন্টিনার ম্যাচের শুরুটা ছিল দ্রুতগতির ও আক্রমণাত্মক। ষষ্ঠ মিনিটেই দুর্দান্ত এক আক্রমণে গোলের চেষ্টা করেন মেসি। কিন্তু বিল্ডআপে সামান্য অফসাইড ধরা পড়ায় গোল বাতিল হয়ে যায়।

 

 

এর ঠিক দুই মিনিট পরই উল্লাসে মেতে ওঠে আলজেরিয়া। শাইবি প্রথম স্পর্শেই দারুণ এক ফিনিশে বল জালে পাঠালেও কিছুক্ষণ পর সেটিও বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তবে ১৭ মিনিটে আর কোনো ভুল করেননি আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। ফ্রি-কিকের পর মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পল দারুণ এক পাসে ডিফেন্স ভেদ করে বল পৌঁছে দেন মেসির পায়ে। এরপর নিজের স্বভাবসুলভ ড্রিবলিংয়ে বক্সের কিনারায় পৌঁছে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক লুকা জিদানকে পরাস্ত করেন তিনি। আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।

 

 

একেবারে শুরুর দিকে লাউতারো মার্তিনেজের হেডে সুযোগ তৈরি হলেও গোলরক্ষকের হাতে সহজেই ধরা পড়ে সেই চেষ্টা। এরপর বল দখলে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে আর্জেন্টিনা। বিপরীতে আলজেরিয়া পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল।

 

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসে আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন মেসি। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের দূরপাল্লার শট ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি গোলরক্ষক লুকা জিদান। বল ফসকে পড়তেই সুযোগ কাজে লাগান মেসি। দ্রুত বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। আর ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আসে তার হ্যাটট্রিক। নিকো গঞ্জালেসের সঙ্গে ছোট ছোট পাসে ডিফেন্স ভেঙে ঢুকে পড়েন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এরপর বাঁ পায়ে দারুণ এক কার্লিং শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। যা তার বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিক। তার পরই অবশ্য ৮০ মিনিটে উঠে যান তিনি।

 

হ্যাটট্রিকে জয়ের নায়ক ছিলেন মেসি-ই। আবাও মুগ্ধতা ছড়ালেন। তিন গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষেও পৌঁছে গেছেন। মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬। ক্লোসারও ১৬। তবে জার্মান কিংবদন্তি চারটি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচে এই কীর্তি গড়লেও মেসি নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ২৮তম ম্যাচ খেলেই সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। আগামী সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তিনি এককভাবে শীর্ষে ওঠার সুযোগ পাবেন।

মৌলভীবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
মৌলভীবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

একদিনের সফরে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

 

প্রেস উইং জানিয়েছে, সকাল সোয়া ১০টায় তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার উদ্দেশে রওনা হবেন।

 

দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরও একটি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

 

সর্বশেষ বিকাল পৌনে ৫টায় দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।