সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্রমজীবী মানুষের রক্তঝরা গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শ্রমজীবী মানুষের রক্তঝরা গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন আজ

মহান মে দিবস আজ। মাঠেঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকরা। মহান মে দিবস ২০২৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’।

১৮৮৬ সালের এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে শিকাগো শহরের তিন লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখেন। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ-সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরও বহু বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হন সেখানে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে অন্তত ১০ শ্রমিক প্রাণ হারান।

হে মার্কেটের ওই শ্রমিক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। গড়ে ওঠে শ্রমিক-জনতার বৃহত্তর ঐক্য। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শিকাগোর রক্তঝরা অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ওই ঘটনার স্মারক হিসেবে ১ মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৮৯০ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ‘মে দিবস’ হিসাবে পালন করতে শুরু করে।

১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমের মর্যাদা, শ্রমের মূল্য এবং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনে শ্রমিকেরা যে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন, তাদের সে আত্মত্যাগের সম্মানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে সব গণমাধ্যম বিভিন্ন লেখা প্রকাশ ও অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

মহান মে দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে জাতীয় ছুটির দিন। আরও অনেক দেশে এটি বেসরকারিভাবে পালিত হয়।

দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক শ্রেণির মাঝে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। মালিক-শ্রমিক সম্পর্কে এই দিবসের তাৎপর্য ও প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এর ফলে শ্রমিকদের দৈনিক কাজের সময় নেমে আসে আট ঘণ্টায়।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ‘এক গৌরবোজ্জ্বল দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’’

“শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত; আসবে এবার নব প্রভাত’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ‘‘প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।’’

প্রধানমন্ত্রী ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ। ’’

মে দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে শুক্রবার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের মহাসচিব স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

Ads small one

এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল
৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা ঝুলছে, দ্রুত বিচারক পদায়নের দাবি
বদিউজ্জামান:
সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ আট মাস ধরে কোনো বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একমাত্র এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন বিচারকার্য বন্ধ থাকায় মামলার জট ক্রমেই বাড়ছে। দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সহ বিভিন্ন মানবাধিকার ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর ২৩ আগস্ট একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য একমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে ট্রাইব্যুনালটি বিচারকশূন্য থাকায় বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৫ হাজারের কাছাকাছি মামলা বিচারাধীন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর ফলে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর মামলার বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মামলার বাদী, ভুক্তভোগী নারী ও শিশু এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত আদালতে এসে বিচারকার্যের অগ্রগতি না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক বিষয়। এসব মামলার দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তি ভুক্তভোগী ও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটি মাত্র ট্রাইব্যুনালে বিপুলসংখ্যক মামলা এবং দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় মামলার জট নিরসন কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য একজন বিচারক পদায়নের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ/প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ অবস্থায় সাতক্ষীরার হাজার হাজার বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন যোগ্য বিচারক পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘদিন বিচারকশূন্য থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত একজন বিচারক পদায়ন করা প্রয়োজন।”
আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের প্রত্যাশা, বিষয়টি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির সদয় বিবেচনায় এনে দ্রুত সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একজন বিচারক পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার মামলার বিচারকার্য পুনরায় গতিশীল হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে।

সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনের  শ্যালক চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়া জেলে বহর হানা দিয়ে একটি ফিশিং ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ করে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী। শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১০টার দিকে এ অপহরণের ঘটনা। তবে রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে অপহরণের বিষয়টি জানাজানি হয়।

 

অপহৃত জেলেরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)। অপহরণের পর জেলেরা কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন তা নিশ্চিত করতে পারেননি বন বিভাগ ও মহাজনরা।

 

অপহৃত জেলেদের মহাজন বাবুল মাঝি জানান, অপহরণের পর দস্যুরা এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগ করেনি। জেলেদেরকে বনের কোথায় নিয়ে গেছে তাও জানা সম্ভব হয়নি। অপহরণের খবর শুনে জেলেদের পরিবারে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

 

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালার চর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর থেকে উঠে বেশ কয়েকটি ট্রলার নিয়ে জেলেরা শ্যালার চরের কালামিয়া ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাত ১০ টার দিকে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সশস্ত্র দস্যুরা এসে হানা দেয় জেলে বহরে। এসময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল মাঝির একটি ট্রলারসহ তিন জেলেকে এবং অপর দুটি ট্রলার থেকে আরও দুই জেলেসহ মোট পাঁচ জনকে তুলে নিয়ে যায়। জেলে অপহরণের খবর পেয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

 

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জেলেদের অপহরণের কথা আমরা শুনেছি। আমরা প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রাখছি। বিষয়টি কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনকে জানানো হয়েছে। হঠাৎ করে বনদস্যুদের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ যৌথভাবে টহল জোরদার করেছে।

পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় মমতাজ বেগম গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় মমতাজ বেগম গ্রেপ্তার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তির টাকা দিকে না পারায় গ্রেপ্তার হয়েছে এক নারী। রবিবার দিবাগত রাতে পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার নারীর নাম মমতাজ বেগম। তিনি পাটকেলঘাটার তৈলকুপি গ্রামের শাহাজাহান সরদারের স্ত্রী।

 

জানা গেছে, নিয়মিত কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মমতাজ বেগম এর বিরুদ্ধে এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টা আদালতে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় থানা পুলিশ গতকাল রাতে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে।