শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

শ্রমজীবী মানুষের রক্তঝরা গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শ্রমজীবী মানুষের রক্তঝরা গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন আজ

মহান মে দিবস আজ। মাঠেঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকরা। মহান মে দিবস ২০২৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’।

১৮৮৬ সালের এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে শিকাগো শহরের তিন লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখেন। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ-সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরও বহু বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হন সেখানে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে অন্তত ১০ শ্রমিক প্রাণ হারান।

হে মার্কেটের ওই শ্রমিক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। গড়ে ওঠে শ্রমিক-জনতার বৃহত্তর ঐক্য। অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

১৮৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শিকাগোর রক্তঝরা অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ওই ঘটনার স্মারক হিসেবে ১ মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৮৯০ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ‘মে দিবস’ হিসাবে পালন করতে শুরু করে।

১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমের মর্যাদা, শ্রমের মূল্য এবং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনে শ্রমিকেরা যে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন, তাদের সে আত্মত্যাগের সম্মানে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিবসটি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে সব গণমাধ্যম বিভিন্ন লেখা প্রকাশ ও অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

মহান মে দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে জাতীয় ছুটির দিন। আরও অনেক দেশে এটি বেসরকারিভাবে পালিত হয়।

দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিশ্বজুড়ে শ্রমিক শ্রেণির মাঝে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। মালিক-শ্রমিক সম্পর্কে এই দিবসের তাৎপর্য ও প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এর ফলে শ্রমিকদের দৈনিক কাজের সময় নেমে আসে আট ঘণ্টায়।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ‘এক গৌরবোজ্জ্বল দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’’

“শ্রমিকের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার গুরুত্ব বিবেচনায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত; আসবে এবার নব প্রভাত’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলেছেন, নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা করে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ‘‘প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।’’

প্রধানমন্ত্রী ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ। ’’

মে দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে শুক্রবার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন দলের মহাসচিব স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

Ads small one

নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল

মহান মে দিবসের সমাবেশে রাজাধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমাবেশ শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১ মে) পূর্বনির্ধারিত দুপুর আড়াইটায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার শিল্প-কলকারখানার শ্রমিকরা এই সমাবেশে আসতে শুরু করেন। ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নানা স্লোগান দেন তারা। এছাড়া বিপ্লবী গান পরিবেশন করছেন জাসাসের শিল্পীরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়ার পরও সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মঞ্চ প্রস্তুত, সমাবেশস্থলে পর্যাপ্ত মাইক লাগানো হয়েছে।

 

তিনি বলেন, এই সমাবেশে আমাদের দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। সে জন্যই এই সমাবেশের গুরুত্ব আমাদের কাছে অনেক বেশি। আমরা প্রত্যাশা করছি, মহান মে দিবসের এই শ্রমিক সমাবেশে স্মরণকালের মানুষের সমাগম ঘটবে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। আরও বক্তব্য রাখবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

বেলা দেড়টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে। বিএনপির কার্যালয়ের সামনে তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। বিছানো হয়েছে লাল কার্পেট।

 

উত্তরমুখী এই মঞ্চের দুই দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিকৃতি রয়েছে। আয়োজকরা জানান, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইলসহ আশপাশে লাগানো হয়েছে দেড় শতাধিক মাইক।

দীর্ঘ দেড় যুগ লন্ডনে নির্বাসিত জীবন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পরে এই প্রথম শ্রমিক সমাবেশে তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন। গত বছর লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছিলেন।

শ্রমিক সমাবেশ ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। অনেকেই লাল ক্যাপ, টি-শার্ট, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে উপস্থিত হন। সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা নয়া পল্টনে বিএনপির সমাবেশস্থলে আসছেন। লাল টুপি মাথায় হাজারো নেতা-কর্মী করতালি আর স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তুলেছেন পুরা এলাকা।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নিয়মিত মর্ণিং রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়।

 

মর্নিং রিপোর্ট অনুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানায় ৩ জন, কলারোয়া থানায় ২ জন এবং পাটকেলঘাটা থানায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

খুলনায় মহান মে দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
খুলনায় মহান মে দিবস পালিত

‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত আসবে এবার নব প্রভাত’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ (শুক্রবার) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। শ্রমিক কোন যন্ত্র নয়, তারা মানুষ, ফলে তাদের সাথে মানবিক আচরণ করতে হবে। তারা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে  শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা প্রয়োজন। তাদের স্বার্থ রক্ষা না হলে কোন উন্নয়নই টেকসই হবে না। মালিক-শ্রমিক এক পরিবারের মতো সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়ে তারা বলেন,  উভয়ে একে অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব দিক থেকে সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে মালিক-শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে  স্বাগত বক্তৃতা করেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টারর্স এ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী এবং আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক-মালিক-কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। তথ্যবিবরণী