বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয় পরিবর্তন করে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি আপিল হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন পৃথক আপিল করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি আপিল করেন।

২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মামলাটির শুনানি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসাদ নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে মর্মে মুলতবির আদেশ দিয়েছিলেন।

সেদিন আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার এস এম শাহরিয়ার কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

গত ৮ ডিসেম্বর আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূইয়া। শুনানিকালে পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল চেয়ে চেয়েছেন বদিউল আলম মজুমদারের এই আইনজীবী। শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীতে যদি পদ্ধতিগত ত্রুটি থাকে, তাহলে তো পুরোটাই একবারেই বাতিল করা যায়।

এদিকে গত ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে পক্ষভুক্ত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে এনেছেন আদালত।

আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, গণতন্ত্র হচ্ছে আমাদের সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। এই গণতন্ত্র বিকশিত হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে বিগত তিনটি সংসদ নির্বাচনে তাতে জনগণের ইচ্ছার কোনো প্রতিফলন হয়নি। দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আত্মবিশ্বাস জনগণের মধ্যে জন্ম নেয়নি। যার ফলশ্রুতিতে হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান। রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন, রিটকারী সুজনের বদিউল আলমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। বিএনপির পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার এহসান সিদ্দিকী। ইনসানিয়াত বিপ্লবের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। চার আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ, ইন্টারভেনর হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে এই রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে আদালত বলেন, অনুচ্ছেদ দুটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছে, যেটি হচ্ছে গণতন্ত্র। পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।

রায়ে আদালত আরও বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরোটা বাতিল করা হচ্ছে না। বাকি বিধানগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার আগামী জাতীয় সংসদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন আদালত। রায়ে আদালত আরও বলেছেন, সংসদ আইন অনুসারে জনগণের মতামত নিয়ে বিধানগুলো সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করতে পারবে। এর মধ্যে জাতির পিতার স্বীকৃতির বিষয়, ২৬ মার্চের ভাষণের বিষয়গুলো রয়েছে।

গণভোটের বিষয়ে রায়ে হাইকোর্ট বলেন, গণভোটের বিধান বিলুপ্ত করা হয়, যেটি সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল। এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান বিলুপ্তি সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।

হাইকোর্টের রায়ে ৭ ক, ৭ খ এবং ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ বাতিল করা হয়েছে। ৭ ক অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ এবং ৭ খ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য করার কথা বলা ছিল। এদিকে ৪৪ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ বিষয়ে বলা আছে। ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ বলছে, এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটিয়ে সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোনও আদালতকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ওই সব বা এর যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করতে পারবেন। এই অনুচ্ছেদটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে রায়ে।

পরে গত ৮ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করা রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর ১৩৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এই রায় প্রকাশ করা হয়।

এরপর গত ৩ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করা হয়। আপিল আবেদনে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরোটা বাতিল চাওয়া হয়। রিটকারী সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এই আপিল দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এরপর গত ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত।

Ads small one

সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিশু ও যুবদের জন্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও কমিউনিটি ভিত্তিক নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরিতে কমিউনিটি ভিত্তিক শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং বেসরকারী সংস্থা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের অদূরে এল্লারচর চিংড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সখিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর পবিত্র মোহন দাস, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ। সভায় এসময় গণ্যমাধ্যম কর্র্মী, সিএসও প্রতিনিধি, শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্য, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় প্রজেক্টারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম সেশন পরিচালনা করেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর প্রতিনিধি নূর জামান ও মনির হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, আফরোজা সুলতানা ও আব্দুল মান্নাণ।
মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মের সার্বিক সুরক্ষা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের নিরাপদ বিচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ভিড়ে শিশুরা যাতে কোনো ধরনের সাইবার ঝুঁকি বা অনাকাঙ্খিত পরিবেশের শিকার না হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী কমিউনিটি ভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে, তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারেও আলোচনা করা হয়।

শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

 

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) সকালে সরকারি মহসীন কলেজ চত্তরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।

কলেজর অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এ কে এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ড.প্রতাপ কুমার রায়, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আল মোকাররম বিল্লাহ, আলাউদ্দীন, গিয়াসউদ্দীন প্রমুখ।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে নারকেল, কদবেল, আম, অর্জুন, পেয়ারা সহ অন্যান্য বৃক্ষ রোপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির বিকল্প নাই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ব্যক্তি পর্যায়ে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যাও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে কলেজ ক্যাম্পাসে আরও সবুজয়ানের ব্যাপারে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার সুশীলগাতী এলাকায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শেখ এমরানুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলফেরদাউস আলফা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, চিকিৎসক ডা. আরিফ হোসাইন এবং সমাজসেবক চিকিৎসক রবিউল ইসলাম।

এ সময় সংগঠনের সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, সাংস্কৃতিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ডা. আরিফ হোসাইনের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
সবশেষে সংগঠনের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করতে উপস্থিতদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ সময় অতিথিরা ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংগঠনটির পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।