বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত: রাজনীতির সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত: রাজনীতির সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎রাজনীতি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার প্রতিযোগিতা নয়; এটি সময়কে বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শিল্প। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অসংখ্য শক্তিশালী দল ও নেতা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জনসমর্থন হারিয়েছেন। আবার অনেক নেতা ও রাজনৈতিক শক্তি কেবল একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছেন। তাই রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, জনমতের গ্রোত বুঝতে পারা এবং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির গতিপথ অনুধাবন করা।

‎সঠিক সময়ে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত কখনও একটি রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয়। একইভাবে, ভুল সময়ে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিনের অর্জনকে মুহূর্তেই প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। রাজনীতিতে প্রতিটি সিদ্ধান্তের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে। সেই সময়কে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনেক সময় জনবিচ্ছিন্নতা, সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

‎রাজনীতির মূল শক্তি জনগণ। তাই জনমানুষের প্রত্যাশা, আবেগ, ক্ষোভ, স্বপ্ন এবং চাহিদার পরিবর্তন বুঝতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক শক্তিই দীর্ঘদিন সফল থাকতে পারে না। জনগণ সব সময় পরিবর্তনশীল বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের প্রত্যাশা বদলায়। যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই পরিবর্তনের ভাষা বুঝতে পারে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে এবং সময়োপযোগী বার্তা দিতে পারে, জনগণ শেষ পর্যন্ত তাদের ওপরই আস্থা রাখে।

‎বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও এর বাস্তব উদাহরণ রয়েছে। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগও এমন এক পর্যায়ে পৌঁছায়, যেখানে জনগণের একটি অংশ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অনেক বিশ্লেষকের মতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, জনমতের পরিবর্তন যথাযথভাবে অনুধাবন করতে না পারা এবং সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হওয়াই দলটির জন্য বড় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। তবে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে কোনো দলই চিরদিনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় না। যদি কোনো রাজনৈতিক দল অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা, জবাবদিহিতা, সুশাসন এবং জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই রায় জনগণই দেয়।

‎শুধু বর্তমান পরিস্থিতি নয়, ভবিষ্যতের গতিপথও বুঝতে হয়। সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তন প্রতিনিয়ত নতুন বাস্তবতা তৈরি করে। একজন দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই পরিবর্তনের আগাম ইঙ্গিত উপলব্ধি করে কৌশল নির্ধারণ করেন। যারা অতীতের সাফল্য নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগেন এবং পরিবর্তিত বাস্তবতাকে অস্বীকার করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারাই পিছিয়ে পড়েন।

‎রাজনীতিতে আবেগের স্থান আছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত হতে হবে বাস্তবতা ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অহংকার কিংবা অন্ধ আনুগত্য কখনোই সুস্থ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে পারে না। গণমানুষের কল্যাণ, সাংগঠনিক শক্তি, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।

‎ইতিহাসের প্রতিটি সফল রাজনৈতিক আন্দোলনের দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের সাফল্যের পেছনে ছিল সময়ের দাবি বোঝার সক্ষমতা এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহস। বিপরীতে, যেসব দল বা নেতৃত্ব সময়ের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তারা ধীরে ধীরে জনসমর্থন হারিয়ে ইতিহাসের প্রান্তে চলে গেছে। লেখক, সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

Ads small one

কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহতদের ২ জন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকায় খবর পৌঁছানোর পর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন নিহতদের একজনের পরিবারের সদস্যরা।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত. ইউনুচ সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী এবং অপরজন একই উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানান, কোমরে ব্যাথার জন্য চিকিৎসক দেখাতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে যায়। বুধবার বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু রাত ১০টার দিকে বাড়িতে খবর আসে হোটেলে অগ্নিকান্ডে সে নিহত হয়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি জানার পর বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হোটেলটিতে অগ্নিকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশী।

৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উলাশীতে রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে মাসিক ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায় পরিবারের হাতে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত ৫০টি পরিবারের হাতে দেওয়া হয় মাসিক ত্রাণ কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে এসব পরিবার নিয়মিত প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাবেন।
একই অনুষ্ঠানে অসহায় মো. জাহাঙ্গীরের অপারেশনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জন্যও মাসিক ত্রাণ কার্ডের মাধ্যমে এক মাসের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রুবিয়া রহমানের নিজস্ব অর্থায়নে এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

শ্যামল শীল
২০২৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৩ পাশ হয়। ১৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর-এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতীব প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।
একইদিনে নারায়নগঞ্জে আরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন পাশ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়।
জাতীয় সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১০৬ সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং একই সাথে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং থাকলে, তা কতদিনে বাস্তবায়ন হতে পাবে? প্রশ্ন করেন।
উত্তরে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে বর্তমানে সরকার কর্তৃক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আঞ্চলিক বৈষমা হ্রাসের লক্ষ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সরকার সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে থাকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চর্চা, গবেষণামনকতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্ভাবাতা যাচাই এবং অর্থায়নের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। যদি এ সংক্রান্ত কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদিত হয়, তবে প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”
মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় তাঁর প্রশ্নে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) সম্পর্কে যেমন সুনিদিষ্ঠ কিছু বলেননি, ঠিক একইভাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তরেও “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি” উল্লেখ করে আইনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যে আইনটি বিগত সময়ে প্রণয়ন হয়েছিল, সেটি বাতিল হয়েছে এমন কোন তথ্য আমরা খুজে পাইনি। যদি আইনটি থাকে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আর কি কি প্রয়োজন সেটা সম্পর্কেও সুনিদিষ্ঠ কোন তথ্য কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন আমার এমন একজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, আইন পাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ভিসিসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রম যে কোন সময় শুরু করা যেতে পারে।
সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এটা এখন সময়ের দাবী। তবে, রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে আমাদের অনেক দাবীই বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিশ্বাবদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনাটুকু অতিতে সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজন থেকেই এই জনপদে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক-এই দাবীতে সাতক্ষীরাবাসীর দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা এখন জরুরি। এব্যাপারে সকলে এগিয়ে আসুন।