রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জমি দখল, নারী নির্যাতন ও মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নারীলোভী সন্ত্রাসী হেমায়েত বাহিনীর গুন্ডাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্যাচারের শিকার ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে ১৪ জুলাই মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক শহিদ মিনারের সামনে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামের মৃত শেখ আজিজুর রহমানের কন্যা নাজমিন সুলতানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন নাজমিন সুলতানার মেজো বোন শারমিন সুলতানা লাকী, বোন জামাই জাহাঙ্গীর আলম।

লিখিত বক্তব্যে নাজমিন সুলতানা বলেন, আমার এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের দুদলী গ্রামের মৃত মীর রমজান আলীর ছেলে সৈয়দ হেমায়েত আলী ছোট (বাবু) এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি ১০-১৫ জনের একটি সংগঠিত বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। এই বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে জমি ও মৎস্যঘের দখল, চলাচলের রাস্তা বন্ধ, বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, চাঁদা দাবি এবং প্রতিবাদকারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কর্মকান্ডে জড়িত। হেমায়েত ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা বিএনপি’র দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নিরপরাধ ব্যাক্তিদেরকেও জড়িয়ে মামলায় ফাসাচ্ছে। এসব ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেকে ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

সৈয়দ হেমায়েত আলী অতীতে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য থাকাকালে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা বিতরণে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় সমালোচিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা মনে করি, এসব অভিযোগ রাজনৈতিক দলটির ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করছে।

০৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে শেখ ফয়েজ আলী ও শেখ মজিদসহ কয়েকজন ব্যক্তি আমার বাড়ির সামনে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে। আমি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে আমি কালিগঞ্জ থানায় জিডি নং-১২৬৫, তারিখ ২৮/১২/২০২৫ দায়ের করি। এছাড়া আমাদের অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি সৈয়দ হেমায়েত আলী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে একটি ঘটনায় সাবেক সেনা সদস্য নাসির উদ্দীনের পরিবারের ওপর হামলা, চাঁদা দাবির অভিযোগ এবং বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় কালিগঞ্জ থানার মামলা নং-২৫, তারিখ ২৫/০৪/২০২৬ দায়ের করা হয়। আরেকটি ঘটনায়, আমার আপন ছোট বোন তানিয়া সুলতানা, যিনি একজন পরিবার কল্যাণ সহকারী, তার অভিযোগ অনুযায়ী ০১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সৈয়দ হেমায়েত আলী ও আওরঙ্গজেব তাকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন এবং ব্যাপক মারধর করেন। পরে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নং ১৫, তারিখ ২০/০৫/২০২৬ রুজু হয়।

এত গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মামলাগুলোর তদন্ত ও আসামীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। আসামীরা নিয়মিত প্রকাশ্যে এলাকায় ও থানার আশেপাশে চলাচল অব্যাহত রেখেছে। আমরা আরও আশঙ্কা করছি যে, মামলাগুলোর তদন্তকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে, সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহির রায়হানের ভূমিকা নিয়ে আমাদের গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। তিনি মামলার আলামত সংগ্রহও করেননি। আমাদের অভিযোগ, তিনি মামলার গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো বাদ দিয়েছেন, যা সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

আমরা চাই, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হোক এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক। দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আমাদের দাবিসমূহ হলো- ১. সৈয়দ হেমায়েত আলী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২. দায়েরকৃত মামলাগুলোর সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

৩. তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জহির রায়হানকে প্রত্যাহার করে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা।

৪. এলাকার সাধারণ মানুষের জানমাল ও চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।

৫. জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাটি পূর্বের মতো ঘেরা বেড়া উঠিয়ে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হোক।

৬. অপরাধী হেমায়েতের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানাচ্ছি

৭. অভিযোগের বিষয়ে রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন-এ দাবি জানাচ্ছি।

 

পরিশেষে, আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দেশের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীতভাবে আবেদন জানাই, যেন আমাদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়।

Ads small one

সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
সখিপুরের কাজিমহল্লা মাদ্রাসায় ১১ বস্তা চাল দিলেন আলফা

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্লা মাদ্রাসার খাদ্য সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটিতে ১১ বস্তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে চাল হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় পরিচালকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসার সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করাই সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

মাদ্রাসায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আল ফেরদৌস আলফা ও ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সংকটই মোকাবিলা করে না, বরং সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নানা সংকট মোকাবিলায় সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আল ফেরদৌস আলফার পক্ষ থেকে দেওয়া এ সহায়তাকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

সংগঠনটির মূলমন্ত্র—“জীবন প্রতিযোগিতার নয়, জীবন সহযোগিতায়”-এই বার্তাকেই সামনে রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় তেইশ লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর, তলুইগাছা, মাদরা, কাকডাঙ্গা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, গাজীপুর বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঘেরের পাড় হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার শালবাগান হতে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আম বাগান হতে ৮ লাখ ০৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কাঁদপুর হতে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আলিপুর হাটখোলা হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সেবা বান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে ‘পুলিশের মোটিভেশন ট্রেনিং ও নৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

জনবান্ধব, সেবামুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো পুলিশ সদস্যদের মধ্যে জনসেবার মানসিকতা, সততা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করা।

 

জনগণের প্রতি আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থাভাজন সম্পর্ক গড়ে তোলা। তিনি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও মূল্যবোধ কর্মক্ষেত্রে যথাযথভাবে প্রয়োগের জন্য সকল প্রশিক্ষণার্থী’র প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরীসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।